Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

রবিবাজার জমজমাট, অনলাইনের কেনাকাটাকে হার মানালো দোকানের ভিড়

আমজনতা আবারও বাজারমুখী হয়েছে অনলাইনের কেনাকেটাকে পাশে সরিয়ে রেখে। তার জেরে মুখে হাসি ফুটেছে দোকানদার থেকে হকারদের মুখেও।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: সামনের শনিবার মহালয়া। তারপরের শনিবারই সপ্তমী। যদিও কলকাতা(Kolkata) ও শহর লাগোয়া এলাকাগুলিতে পুজোর ঢাকে কাঠি পড়ে যায় পঞ্চমী থেকেই। খাস কলকাতাতে তো আবার তৃতীয়া ও চতুর্থী থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে ঠাকুর দেখার ভিড় আছড়ে পড়ে। সেই হিসাবে দেখতে গেলে বৃহত্তর কলকাতাবাসীর কাছে এখন হাতে মেরেকেটে ৯দিন। তাই আকাশ পরিষ্কার দেখেই কলকাতার বাজারে বাজারে শুরু হয়ে গিয়েছে পুজোর কেনাকাটার(Pujo Market) ভিড়ভাট্টা। অনেকেই হাতে বোনাস পেয়ে গিয়েছেন। বৃষ্টি থামতেই তাই কোথাও সদলবলে আবার কোথাও সপরিবারে ভিড় জমাচ্ছেন তাঁরা দক্ষিণের গড়িয়াহাট(Gariahat) থেকে নিউ মার্কেট(New Market) হয়ে উত্তরের হাতিবাগানে(Hatibagan)। দোকানে ক্রেতাদের ভিড় দেখে মুখে হাসি ফুটেছে দোকানদার থেকে হকারদেরও। সব থেকে বড় কথা আমজনতা আবারও বাজারমুখী হয়েছে অনলাইনের কেনাকেটাকে(Online Marketing) পাশে সরিয়ে রেখে।  

টানা ক’দিনের দুর্যোগমুখর পরিবেশ সরিয়ে শুক্রবার থেকেই দেখা দিয়েছে শারদ-সকালের চেনা রোদ্দুর। আর দুপুর গড়াতেই সেদিন থেকেই গড়িয়াহাট, নিউ মার্কেট, হাতিবাগানে দেখা যাচ্ছে কেনাকাটার জন্য উপচে পড়া ভিড়। সেই ভিড় রবিবার কার্যত রেকর্ড গড়ে দিয়েছে। এদিন সকাল থেকেই হাজার হাজার মানুষ সপরিবারে পুজো-শপিংয়ে মেতে উঠেছেন। শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণে চিত্রটা কমবেশি এক। ভিড়ের চাপ সামলে কেনাকাটা সারতে গিয়ে রীতিমতো গলদঘর্ম হতে হচ্ছে অনেককে। সেই ভিড়ের মধ্যে কারও বা মানিব্যাগ চুরি যাচ্ছে, কারও বা খোয়া যাচ্ছে মোবাইল। কিন্তু তার জন্য উৎসাহে বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি। কার্যত গড়িয়াহাটের দোকানদার থেকে হকার সবাই আকযোগে এদিন স্বীকার করছেন রবিবাজারের ভিড় অষ্টমির সন্ধ্যাকেও হার মানিয়ে দিচ্ছে। ভিড় ঠেলে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরার ট্রায়াল হয়ে যাচ্ছে!

কার্যত এদিন দুপুরের পর থেকে স্রোতের মতো মানুষ ঢুকেছে বাজারগুলিতে। বৃষ্টির বিড়ম্বনা না থাকায় ব্যবসায়ীরা মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন সেই ভিড়কে তাঁদের দোকানের দিকে টেনে আনতে। ব্যাপক ভিড় দেখে দৃশ্যতই খুশি ব্যবসায়ীরা। দোকানদার থেকে হকার, সবাই একবাক্যে স্বীকার করছেন, ‘এত ভিড় হবে, বুঝতে পারিনি। আগামী রবিবার আরও বেশি লোক আসবে বলে আশা করাই যায়। এভাবে চললে এবার ব্যবসা ভালোই হবে বলে অকপট স্বীকারোক্তিন তাঁদের। গড়িয়াহাট হোক কী হাতিবাগান, যেসব দোকান দীর্ঘদিনের তাঁদের দাবি, এতদিন ব্যবসা করছি, কিন্তু এরকম থিকথিকে ভিড় আগে দেখেছি বলে মনে পড়ছে না। দোকানে পা রাখার জায়গাই নেই! একই সঙ্গে তাঁরা এটাও জানাচ্ছেন, মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করতে অভ্যস্থ হ্যে পড়েছিলেন ঠিকই কিন্তু এই ভিড়ে দোকানে ঘুরে ঘুরে হাতেনাতে জিনিস পরখ করে তা কেনার মতো সুখ তাঁরা সেখানে পাচ্ছেন না। মানুষ অনলাইন ছেড়ে আবারও তাই বাজারমুখী হয়েছেন। এটা আমাদের জয়। সারাবছর আমরা দোকান সাজিয়ে বসে থাকি। অনলাইনের কেনাকাটার দৌলতে আমাদের ব্যবসা লাটে ওঠার জোগাড় হয়েছিল। এখন দেখছি পুরাতন ছবিটাই ফিরে এসেছে।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00