Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ব্রাত্যর হাত থেকে পতাকা নিয়ে তৃণমূলে পা মইদুলের

নজরে মইদুল ইসলাম। বাম ঘেঁষা শিক্ষক সংগঠন ‘শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চ’র এই নেতা তথা ওই সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক এদিন যোগ দিলেন তৃণমূলে। সেই সঙ্গে বাম ঘেঁষা ওই শিক্ষক সংগঠন এদিন মিশে গেল তৃণমূলের শিক্ষক সংগঠনের সঙ্গে। বামেরা যখন রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে ঠিক তখনই এই ঘটনা নিঃসন্দেহে বামেদের কাছে একটা বড় ধাক্কা।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: একদিন রাজ্যের যে শাসক দলের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছিলেন শিক্ষক নেতা এদিন সেই দলেই যোগ দিলেন তিনি। নজরে মইদুল ইসলাম। বাম ঘেঁষা শিক্ষক সংগঠন ‘শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চ’র এই নেতা যে তৃণমূলে আসতে চলেছেন দিন দুই আগেই তেমন ইঙ্গিত মিলেছিল। সঙ্গে এটাও জানা গিয়েছিল শুধু মইদুল নন, গোটা ‘শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চ’ যোগ দিতে চলেছে রাজ্যের শাসক দলের শিক্ষক সংগঠনে। একই সঙ্গে ওই সংগঠনের ৫ সদস্য তথা শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষিকা যারা বিকাশ ভবনের সামনে আন্দোলন করতে গিয়ে বিষপান করেছিলেন তাঁরাও এদিন যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। ‘শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চ’র লক্ষাধিক সদস্য অবশ্য এদিন ডায়মণ্ডহারবারের তৃণমূল কার্যালয়ে উপস্থিত হতে পারেননি কোভিডের কথা মাথায় রেখে। তবে তাঁদের হয়ে প্রতীকী ভাবে তৃণমূলে যোগদান করেন ‘শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চ’র প্রত্যেক জেলা থেকে ১৫ জন করে মোট ৩০০জন সদস্য ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ২ হাজার সদস্য। এদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।

তবে এদিনের এই যোগদানে সবার নজর কিন্তু ছিল মইদুলের দিকেই। এই প্রতিবাদী শিক্ষক নেতা তথা ‘শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চ’র রাজ্য সম্পাদক এদিনের যোগদান নিয়ে ঠিক কী বলেন সেটাই শোনার জন্য অপেক্ষা করছিলেন সকলে। সেই জায়গায় কার্যত সবাইকে অবাক করে দিয়েই তিনি জানান, পেশার স্বার্থে হঠকারী সিদ্ধান্তে আন্দোলন করেছিলেন তাঁরা। তাতে সংগঠনের কারোর কোনও লাভ হয়নি। বরঞ্চ লাভের গুড় খেয়ে গিয়েছে বাম ও বিজেপি। তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষক। শিক্ষকতার স্বার্থেই আমাদের লড়াই। সেই জায়গা থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি এবং শিক্ষাক্ষেত্রে বেসরকারিকরণ, গৈরিকীকরণ এসবের বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করছি। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধেও আমরা পেশাগতভাবে লড়াই করেছিলাম। আন্দোলন করেছি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে। সরকার বলেছে আন্দোলন নয়, আলোচনার মাধ্যমে আসতে। দাবি ন্যায্য হলে অবশ্যই দেখা হবে। হঠকারী আন্দোলন করেছিলাম তা বুঝেছি। বিজেপি, বামপন্থী ও অন্যান্য দলগুলি ফায়দা লুটেছে। সংবাদমাধ্যমের সামনে পাশে থাকার কথা বললেও কাউকেই আমরা পাশে পাইনি।’

এর পাশাপাশি তিনি বলেছেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ভাবে সরকারকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন তার কোনও তুলনাই চলে না। প্রশাসনিক বৈঠক থেকে দুয়ারে সরকার, দুয়ারে রেশন, কন্যাশ্রী, শিক্ষাশ্রী সব করেছেন উনি। আন্দোলন আমরা করেছি ঠিকই। কিছু দাবি মান্যতাও পেয়েছে। আন্দোলনের মাধ্যমে যেমন আমাদের দাবি অনেকটা মিটেছে। একই ভাবেই আমরা চাই রাজ্য সরকারের জনমুখী কাজের সঙ্গী হয়েও শিক্ষক সমাজের স্বার্থ সংরক্ষিত করতে পারব। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করতে তাই তৃণমূলে যোগ দিলাম। আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আস্থা রেখেছি।’ বামেরা যখন রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে ঠিক তখনই লক্ষাধিক সদস্যের ‘শিক্ষক ঐক্য মুক্তমঞ্চ’র তৃণমূলের সঙ্গে মিশে যাওয়া নিঃসন্দেহে বামেদের কাছে একটা বড় ধাক্কা।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00