Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

বাংলার প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনা নিয়ে রাজ্য বিধানসভায় সরব মমতা

বেশ কিছু বিষয় নিয়ে এদিন রাজ্য বিধানসভায় কেন্দ্রের তীব্র সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরব হন নীতি আয়োগের বৈঠক নিয়েও।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদির(Narendra Modi) সরকার যেভাবে প্রতি পদে পদে বাংলাকে(Bengal) চূড়ান্তভাবে বঞ্চিত করছে সব কেন্দ্রীয় প্রকল্প ও সুযোগ-সুবিধা থেকে, তার বিরুদ্ধে সোমবার রাজ্য বিধানসভায়(West Bengal State Assembly) গর্জে উঠলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। বাংলার বন্যায় কেন্দ্রের কোনও ভূমিকা না নেওয়া, কোনও আর্থিক সাহায্য না করা, বাংলাকে সম্পূর্ণ ভাবে অন্ধকারে রেখে বাংলাদেশের সঙ্গে গঙ্গা-তিস্তা জলবন্টন চুক্তি নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার মতো বিষয়গুলিতে এদিন কেন্দ্রের তীব্র সমালোচনা করেন মমতা। একইসঙ্গে তিনি এদিন সরব হয়েছেন নীতি আয়োগের বৈঠকে তাঁকে যেভাবে অপমান ও হেনস্থা করা হয়েছে তা নিয়েও। যদিও মমতা যখন বিধানসভায় এদিন বলছিলেন তখন বিজেপির কোনও বিধায়ক অধিবেশন কক্ষে ছিলেন না।

আরও পড়ুন ‘আসুক বাংলা ভাগ করতে, কী করে রুখতে হয় দেখিয়ে দেব’, বিধানসভায় দৃপ্ত কন্ঠে ঘোষণা মমতার

এদিন মমতা বলেন, ‘প্রতি বছর ডিভিসি জল ছাড়ে বলে বাংলার একাধিক জেলা ভেসে যায়। জলচুক্তি নিয়ে আমি আমার অবস্থান দিল্লিতে জানিয়ে এসেছি। বন্যার জন্য প্রতিবেশী রাজ্যগুলিকে টাকা দেওয়া হল। আমার রাজ্যকে দেওয়া হল না। তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে একতরফা ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি সরকার। ঝাড়খণ্ড, বিহারে বন্যা হলে বাংলায় নদীর পাড় ভাঙছে। ফারাক্কা ব্যারেজ কমিউনিটি মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর নির্ভরশীল। আমি বাংলার স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেব। কারণ এখানকার মানুষ আমাকে নির্বাচিত করেছে। নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে অগ্রিম চুক্তি করে নিচ্ছে কেন্দ্র। বাংলা কোনও আলোচনায় অংশ পাচ্ছে না। ঝাড়খণ্ড, বিহার, উত্তরপ্রদেশে বন্যা হলে প্রতি বছর মালদহে ভাঙন দেখা দেয়। ২০০৫ সাল থেকে ৩৩৭৩ হেক্টর জমি নদীতে তলিয়ে গিয়েছে। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করার সময়ে জ্যোতি বসুর সঙ্গে আলোচনা করেছিল কেন্দ্র। এখন বাংলা পুরোপুরি বাদ! ৫০০ কোটি টাকার বাঁধ তৈরি করেছি আমরা। ‘জল ধরো জল ভরো’ প্রকল্পে পাঁচ লাখের বেশি পুকুর কেটেছি। ২২৩২ কোটি টাকা খরচ করে লোয়ার দামোদর বেসিন করেছি। এতে বর্ধমানে বন্যা কমবে। ডিভিসিকেও শুনলাম নাকি বেসরকারি করে দিচ্ছে? সবই বিক্রি করে দেবে।’

আরও পড়ুন ‘জল সমস্যার সমাধান আমরাই বলে দিচ্ছি’, ডুয়ার্সের বন্যা ঠেকাতে পথ বাতলে দিলেন মমতা

এর পাশাপাশি মমতা বলেন, ‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান এখনও ঝুলে আছে। ৭০০ কোটি টাকা খরচ করেছি। ডিপিআর হয়ে গিয়েছে। এতে ঘাটাল এবং হুগলির মানুষ বাঁচবেন। পাশাপাশি সুন্দরবন মাস্টারপ্ল্যানের কথাও আমি বলে এসেছি বৈঠকে। মুড়িগঙ্গার উপর দিয়ে সেতু তৈরি হবে। কুম্ভ জাতীয় মেলা। কিন্তু গঙ্গাসাগরকে এখনও জাতীয় মেলা বলে ঘোষণা করা হয়নি। কেন হবে না? জলবণ্টন নিয়ে কেন্দ্রীয় সেচ মন্ত্রকের সঙ্গে কথা বলতে বিধানসভা থেকে কমিটি পাঠানোর প্রস্তাব রাখছি। সেই কমিটিতে যেন বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলালকে পাঠানো হয়।’ মুখ্যমন্ত্রী এদিন নীতি আয়োগের বৈঠকের ঘটনা প্রসঙ্গেও সরব হয়েছেন। বলেছেন, ‘চন্দ্রবাবুদের ২০-২৫ মিনিট করে বলতে দেওয়া হল নীতি আয়োগের বৈঠকে। আমার বেলায় পাঁচ মিনিটে মাইক বন্ধ করে দেওয়া হল! আমি বিরোধীদের পক্ষ থেকে একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী, যে এই বৈঠকে গিয়েছে। আমাকে মাত্র পাঁচ মিনিট বলতে দিল। তার পরেই মাইক বন্ধ করে দিল! আর কখনও নীতি আয়োগের বৈঠকে যাব না।’

‘মদ খেয়ে অশালীন ভাষা’, জ্যাভলিন কোচের বিরুদ্ধে SAI-এর কাছে নালিশ নীরজ-সুমিতদের

খেলা ছেড়ে রোহিতের হাতে মুম্বইয়ের অধিনায়কত্ব তুলে দিক হার্দিক, উঠল দাবি

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

চার বছরের মেয়েকে গলা টিপে খুনের পর আত্মহত্যার চেষ্টা মায়ের, নেপথ্যে পরকীয়া?

ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন ট্রাক্টর চালিয়ে মাঠে ঢুকলেন এক ব্যক্তি, তারপর যা হল…

ভিমরুলের আক্রমণ থেকে বাঁচতে পুকুরে ঝাঁপ বৃদ্ধের, তারপর যা হল…

0:00