Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ঋণ নিয়েও মানুষের পাশে মমতা, স্বীকার CAG রিপোর্টেই

লকডাউনের সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ঋণ নিয়ে একাধিক প্রকল্প চালিয়েছে মানুষের পাশে দাঁড়াতে। সেই ঋণও শোধ করছে নিয়মিত। স্বীকার CAG'র।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যের কোষাগারের হাল যাই হোক না কেন, বাংলার মানুষের পাশে সুদৃঢ় ভাবে দাঁড়িয়ে আছেন বাংলার অগ্নিকন্যা। তাঁর সুচিন্তিত এবং সঠিক পদক্ষেপের জেরেই রাজ্যের আয় যেমন বেড়েছে তেমনি রাজ্যের অর্থনীতির প্রসারও ঘটেছে। সব থেকে বেশি লাভবান হয়েছেন রাজ্যের নিম্নবিত্ত ও দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারী মানুষজন। রাজ্য সরকারের একের পর এক আর্থসামাজিক প্রকল্পের দরুন তাঁদের আয় বেড়েছে, ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। জীবনযাত্রার ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও মান্নোয়নন হয়েছে। এই অগ্রগতির জন্য বাংলার মুখ্যমন্ত্রী(Chief Minister of Bengal) হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়(Mamata Banerjee) তাঁর সরকারের জন্য ঋণ(Loan) নিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করেননি। ঋণ নিয়েই তিনি স্বাস্থ্যসাথী, কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভান্ডার, রূপশ্রীর মতো প্রকল্প চালিয়ে গিয়েছেন যা রাজ্যের আর্থসামাজিক ক্ষেত্রের প্রভূত উন্নয়ন ঘটিয়েছে। এবার এই কথাই স্বীকার করে নিল CAG বা Comptroller and Auditor General of India। তাঁদের এই রিপোর্ট বঙ্গ বিজেপির(Bengal BJP) নেতাদের মুখ পোড়ানোর জন্য যথেষ্ট।

CAG জানিয়েছে, রাজ্যের হিসেব-নিকেশ পরীক্ষা করে তাঁরা দেখেছে যে ২০২০-২১ আর্থিক বছরে স্বাস্থ্যসাথী, কন্যাশ্রী, রূপশ্রীর মতো প্রকল্প চালাতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার বাজেটের বাইরেও ধার করেছে। রাজ্য সরকার নিজে ধার না করে বাজেটের হিসাবের বাইরে তা নিয়েছে বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মাধ্যমে। এর অঙ্ক প্রায় ৪৩১২ কোটি। ২০১৬-১৭ থেকে ২০২০-২১— এই পাঁচটি অর্থবর্ষে রাজ্যের আয়, ব্যয়, ঘাটতি, ঋণের হিসাব পরীক্ষা করে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে CAG। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, রাজ্যের ৬টি সরকারি সংস্থার মাধ্যমে রাজ্য সরকার ৪৩১২ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। বাজেটের হিসেব-নিকেশে এই দেনার তথ্য না থাকলেও রাজ্য সরকারকেই সেই ঋণ শোধ করতে হচ্ছে। তবে এটা ভুললেও চলবে না যে সময় এই ঋণ নেওয়া হয়েছে সেই সময় কোভিডের জেরে টানা লকডাউন বিশ্বজুড়ে অর্থনীতিকে বিধ্বস্ত করে দিয়েছিল। মমতার সরকার ঋণ নিয়ে সেই টাকা মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছে যাতে রাজ্যের ও আমজনতার অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্থ না হয়।

তথ্য বলছে, ওই সময়ে রাজ্য সরকার স্বাস্থ্য দফতরের সংস্থা স্বাস্থ্যসাথী সমিতির মাধ্যমে ৭২০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে। তা খরচ হয়েছে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে। পশ্চিমবঙ্গ মহিলা উন্নয়ন উদ্যোগের মাধ্যমে ১১২২ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে কন্যাশ্রী প্রকল্পের খাতে। একই ভাবে রূপশ্রী প্রকল্পের জন্য ৪৮৫ কোটি টাকা ধার নেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ তফসিলি জাতি-জনজাতি-ওবিসি উন্নয়ন ও অর্থ নিগমের মাধ্যমে ৪৯১ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা ব্যয় করা হয়েছে তফসিলি বন্ধু, জয় জোহার পেনশন প্রকল্পে। চাষিদের জন্য বাংলা শস্য বিমা যোজনা, আদিবাসীদের জয় বাংলা প্রকল্প, লোকপ্রসার প্রকল্পের জন্যও একই ভাবে ধার করা হয়েছে। এই রিপোর্টে কিন্তু কোথাও বলা হয়নি যে এই ঋণের টাকায় কোনও দুর্নীতি হয়েছে। বরঞ্চ CAG-কে স্বীকার করতে হচ্ছে যে মমতার সরকার যে ঋণ নিয়েছে তা যথাযথ ভাবেই খরচ হয়েছে এবং তা মানুষের কাছে গিয়ে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে CAG এটাও জানিয়েছেন, ওই ঋণের মধ্যে ৩২২৭ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই শোধ হয়ে গিয়েছে। ১০৮৫ কোটি টাকা শোধ করলেই ঋণ পূর্ণ শোধ হয়ে যাবে। ঋণ নিয়ে মানুষের বিপদের দিনে পাশে দাঁড়ানোর এই দৃষ্টান্ত দেশের কটা সরকার আর কয়জন নেতানেত্রী করে দেখাতে পেরেছেন সেটা এবার ভেবে দেখা উচিত মমতা বিরোধীদের।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00