Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

হিরো হিরণের চিঠি মোদিকে! আবদার সামরিক প্রশিক্ষণের

বর্তমানে বিজেপির কোনও অনুষ্ঠানেই দেখা যায় না হিরণকে। যা স্বাভাবিকভাবেই উসকে দিয়েছিল দলত্যাগের বিতর্ক। কিন্তু এদিনের চিঠি সেই জল্পনায় জল ঢেলে দিল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: হঠাৎ করেই ঘুম ভেঙে গেল বাংলা সিনেমার বিস্মৃত এক নায়কের। তিনি হিরণ চট্টোপাধ্যায়। যদিও একটা সময় ছিল যখন নিজেকে তিনি হিরো হিরণ বলে তুলে ধরছে বেশি পছন্দ করতেন। কিন্তু টলিউডে দেবের আগমন তাঁর নামের পাশ থেকে হিরো শব্দটাকেই সরিয়ে দিয়েছে। তাই তিনি এখন শুধুই হিরণ। তবে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়ে তিনি এখন রাজ্যের রেলশহর খড়গপুরের বিধায়কও। সেই হিরণ দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির মঞ্চ থেকে দূরে থাকার পরে এবার হঠাৎ করেই রাজনৈতিক ভাবে জেগে উঠলেন। সোজা চিঠি লিখে পাঠালেন দেশের প্রধানমন্ত্রীকে। আর সেই চিঠি তিনি জুড়ে দিলেন এক আবদার। বাংলা আর কেরলের হিন্দু পরিবারের ১৮ বছরের বেশি তরুণ-তরুণীদের সামরিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে হঠাৎ করে হিরণ এমন অবস্থান নিলেন কেন? সেটা অবশ্য হিরণের লেখা চিঠিতেই বেশ বোঝা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে লেখা দু’পাতার চিঠিতে হিরণ জানিয়েছেন, ‘সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে কেরল এবং বাংলার বিশেষত হিন্দু পরিবারগুলির ওপর সাম্প্রদায়িক অত্যাচার এবং জেহাদি হামলা ঠেকাতে ১৮ বছরের বেশি তরুণ-তরুণীদের সামরিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক।’ সেই সঙ্গে হিরণ এটাও জানিয়েছেন, সীমান্ত সংঘর্ষ এবং জঙ্গি মোকাবিলায় শহিদ জওয়ানদের পরিবারগুলিকে ‘তেরঙ্গা পরিবারের’ মর্যাদা দেওয়া হোক। এলাকার এই পরিবারগুলিকে বিশেষ সম্মান প্রদর্শনের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ১৫ আগস্ট কিংবা ২৬ জানুয়ারি এলাকায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের জন্য শহিদ জওয়ানদের পরিবারকে আমন্ত্রণ জানাতে হবে। স্থানীয় প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে এই পরিবারের সদস্যরাও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন। ওই বিশেষ দিনগুলিতে সরকারি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তাঁদের আমন্ত্রণ করতে হবে।

এখানেই শেষ নয়, এই পরিবারগুলিকে বিশেষ সম্মান প্রদর্শনের জন্য কয়েকটি পদক্ষেপ বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছেন হিরণ। চিঠির বয়ান অনুযায়ী, শহিদ জওয়ানদের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাসপাতালের সুপারিশ করেছেন হিরণ। রেলস্টেশন-রাস্তা-সরকারি দফতরের সামনে সংশ্লিষ্ট এলাকার শহিদ জওয়ানদের নামের ফলক বসানোর সুপারিশও করা হয়েছে। চিঠিতে শহিদ জওয়ানদের মৃত্যুবার্ষিকী পালনের কথাও বলেছেন তিনি। তবে এই চিঠি লেখার পিছনে রাজনীতির অঙ্ক রয়েছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তাঁদের দাবি, দিলীপ ঘোষের হাত ধরে হিরণ বিজেপিতে যোগ দিলেও এখন তাঁর সঙ্গে বেশ একটা ভাল দূরত্বই তৈরি হয়েছে হিরণের। কার্যত এখন মুখ দেখাদেখিও বন্ধ দিলীপ-হিরণের। দলের অনুষ্ঠানে তাঁদের একসঙ্গে দেখা যায় না বহুদিন হল। বর্তমানে বিজেপির কোনও অনুষ্ঠানেই দেখা যায় না হিরণকে। যা স্বাভাবিকভাবেই উসকে দিয়েছিল দলত্যাগের বিতর্ক। কিন্তু এদিনের চিঠি সেই জল্পনায় জল ঢেলে দিল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00