Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

কাটমানি কম বেশি হলেই গুলি চলে! বিস্ফোরক দিলীপ

রবিবার সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে মর্নিংওয়াক সেরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েই বিস্ফোরক দাবি করলেন বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, ক্যানিং-এ বিরোধী দল বলে কিছু নেই। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। আর সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের মূলেই রয়েছে কাটমানি যা একটু কমবেশি হলেই গুলি চলে সেখানে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ক্যানিং থানার নিকারিঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার যুব তৃণমূল সভাপতি মহরম শেখ শনিবার সন্ধ্যায় দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হন। পরে গভীর রাতে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনা প্রসঙ্গে রবিবার সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে মর্নিংওয়াক সেরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েই বিস্ফোরক দাবি করলেন বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, ক্যানিং-এ বিরোধী দল বলে কিছু নেই। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। আর সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের মূলেই রয়েছে কাটমানি যা একটু কমবেশি হলেই গুলি চলে সেখানে। দিলীপের এই দাবি অবশ্য মানতে নারাজ তৃণমূল। তাঁদের পাল্টা দাবি, মানুষকে পাশে না পেয়ে দুষ্কৃতীদের দিয়ে সন্ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করে এলাকা দখল করতে চাইছে বাম আর বিজেপি। পুলিশ অবশ্য এই খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৮জনকে আটক করেছে।

শনিবার সন্ধ্যায় ক্যানিং থানার সাতমুখী এলাকায় নিজের বাড়ির সামনেই একটি চেয়ারে বসেছিলেন মহরম শেখ। তিনি নিকারীঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল যুব সভাপতি ছিলেন। সেই সময় একটি অটো হঠাৎই তাঁর বাড়ির সামনে এসে দাঁড়ায়। তারপরই একদল দুষ্কৃতী অটো থেকে নেমে এসে তাঁকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে তাঁকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাঁর অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাঁকে কলকাতায় এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। গভীর রাতে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার জেরে তৃণমূল এবং বাম তথা বিজেপির মধ্যে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। পাশাপাশি সাতমুখী এলাকায় বেশ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। তার জেরে রাতেই ওই এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন ক্যানিং থানার পুলিশকর্মীরা। ফুটেজ খতিয়ে দেখেই অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

সেই ঘটনা নিয়েইন এদিন দিলীপ সাংবাদিকদের বলেন, ‘হিংসাত্মক রাজনীতি শুরু হয়ে গিয়েছে রাজ্যে। সব দুষ্কৃতীরা তৃণমূল পার্টিতে ঢুকছে আর পুরো সমাজের মধ্যে হিংসা ছড়িয়ে দিচ্ছে। ওখানে তো কোনও সমস্যা দেখতে পাইনি। সেখানে সবাই গান গাইছিলেন। পাশ দিয়ে বাইক গেলে অথবা মাইক নিয়ে গেলে সমস্যা হয় তাঁদের। ওখানে তো বিজেপিকে সভাই করতে দেওয়া হয় না। মাইকের তার কেটে দেওয়া হয়। চারজন মিলে রাস্তার ধারে বসে গান গাইছিলেন। কে দেখতে যাবে, কে শুনতে যাবে, কে চেনে ওদেরকে। এতো দাম বাড়াবার দরকার নেই। ওখানে বিরোধী আছেটা কে? তৃণমূলের নিজেদের মধ্যে গুলি চলাটা নতুন কিছু নয়। ওদের গুলি দিয়েই সব ফয়সালা হয়। ওদের সব স্তরের নেতারাই ভাগ বাঁটোয়ারার ব্যাপারে, কাটমানির ব্যাপারে জড়িত। কম বেশি হলেই গুলি দিয়ে ফয়সালা করে নেয়। পুলিশও কিছু নয়, প্রশাসনও কিছু নয়। পার্টিরও কেউ কোনও কিছু মানে না।’

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00