Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

হাইকোর্টেই বিক্ষোভের মুখে বিকাশ, শুনলেন ‘চাকরিখেকো’ শ্লোগান

এদিনের বিক্ষোভই বলে দিচ্ছে, বিকাশের প্রতি ক্ষোভ কীভাবে মাথাচাড়া দিচ্ছে, যে আজ তাঁর দলের সমর্থকেরাই তাঁকে ঘিরে ধরে শ্লোগান দিচ্ছে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: তিনি কলকাতার প্রাক্তন মেয়র। রাজ্যসভার বাম সাংসদ। কিন্তু তার থেকেও তাঁর বড় পরিচয় তিনি দাপুটে আইনজীবী। সেই তাঁকেই কিনা তাঁরই খাস তালুকে পড়তে হল গণবিক্ষোভের মুখে। আর এই ছবিটাই তো বলে দিচ্ছে, তাঁর বিরুদ্ধে গণরোষ আজ কোন জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছে। নজরে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য(Bikash Ranjan Bhattacharya)। এদিন তাঁকেই পড়তে হল কলকাতা হাইকোর্টের(Calcutta High Court) চত্বর থেকে অলিন্দে চাকরিহারাদের(Job Loosers) বিক্ষোভের(Agitation) মুখে। শুনতে হল, ‘চাকরিখেকো’ শ্লোগানও। শুনতে হলে, ‘চাকরি খেয়ে নিচ্ছেন’ এই শব্দগুলিও। এর আগে বিকাশকে ঘিরে কলকাতা হাইকোর্টে অন্তত কোনও বিক্ষোভ এভাবে দানা বাঁধতে দেখা যায়নি। আর সব থেকে বড় কঠা সবতাই অরাজনৈতিক বিক্ষোভ। রাজনীতিবিদ বিকাশ বলতেও পারবেন না, এই বিক্ষোভের পিছনে রাজনীতি আছে বা এর পিছনে রাজ্যের শাসক দলের ভূমিকা আছে। কেননা এদিন যারা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই বাম সমর্থক।

মঙ্গলবার প্রাথমিকের নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে। সেই মামলায় মূল মামলাকারীদের আইনজীবী হয়েছেন বিকাশ। প্রাথমিকের বিকৃত OMR Sheet নিয়ে সেই মামলার শুনানি চলাকালীন, কী ভাবে প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষার OMR Sheet-এ কারচুপি হয়েছে, তা নিয়ে সওয়াল করেন বিকাশ। এর পর শুনানি শেষে বিকাশ এজলাস থেকে বেরিয়ে আসতেই তাঁকে ঘিরে ধরেন প্রাথমিকের বিতর্কিত শিক্ষকদের একাংশ। স্লোগান দেওয়া শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের দাবি, বিকাশের জন্যই চাকরি হারাতে হচ্ছে অনেককে। তিনি ‘চাকরি খেয়ে নিচ্ছেন’ বলেও দাবি তোলেন বিক্ষোভকারীদের একাংশ। যদিও বিক্ষোভের মুখে পড়ে কোনও কথা বলতে শোনা যায়নি বিকাশকে। তিনি হাঁটতে হাঁটতে সোজা বেরিয়ে যান। এর পর পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের ওই জায়গা থেকে সরিয়ে দেয়।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের TET দিয়েছিলেন কয়েক লক্ষ পরীক্ষার্থী। তা নিয়ে ২০১৬ এবং ২০২০ সালে নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই TET’র ভিত্তিতে প্রায় ৪২৫০০ জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। আর এই ২০১৪ সালের TET-ই কারচুপির অভিযোগে মামলা করা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। রাহুল চক্রবর্তী-সহ কয়েক জন চাকরিপ্রার্থী আদালতে অভিযোগ করেছিলেন, ২০১৪ সালের TET’র পরে ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেআইনি ভাবে শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে। মঙ্গলবার সেই মামলারই শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চে। মামলার শুনানি শেষে বিতর্কিত চাকরিপ্রাপকদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হল আইনজীবী বিকাশকে। আর এই বিক্ষোভই বলে দিচ্ছে, বিকাশের প্রতি ক্ষোভ কীভাবে মাথাচাড়া দিচ্ছে, যে আজ তাঁর দলের সমর্থকেরাই তাঁকে ঘিরে ধরে শ্লোগান দিচ্ছে।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00