Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

পুজোর আগেই Bengal Food and Fruit Festival, নজরে বাংলাজুড়ে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে কর্মসংস্থান

কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে জোয়ার আনতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার কলকাতার বুকে আয়োজন করেছে Bengal Food and Fruit Festival'র।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলার বুকে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে জোয়ার(Empowering Employment) আনতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) বরাবরই শ্রম নিবিড় বিনিয়োগ প্রকল্পের হয়ে সওয়াল করেন। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ বা উদ‌্যানপালন সেই নিবিড় কর্মসংযথানের সুযোগ এনে দেয়। কৃষিনির্ভর শিল্পে বিপুল সম্ভাবনা থাকে কর্মসংস্থানের জন্য। আর এই সব কথা মাথায় রেখেই চলতি বছরে পুজোর আগেই খাস কলকাতা(Kolkata) শহরে বসতে চলেছে Bengal Food and Fruit Festival। আগামী ৯ অগস্ট থেকে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে শুরু হবে এই উৎসব যার উদ্বোধন করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। উৎসব চলবে ৩ দিন, অর্থাৎ ১১ অগস্ট পর্যন্ত। কার্যত বাংলার বুকে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং কৃষিনির্ভর শিল্পে বিনিয়োগ টানা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতেই এই উৎসবের আয়োজন করেছে রাজ্য সরকার। বাংলার খাবার, ফল-ফুল, সবজি নিয়েই এই উৎসবে আসর বসবে। রাজ্য সরকারের আশা এই উৎসবের হাত ধরে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, উদ‌্যানপালন এবং কৃষিনির্ভর শিল্পে প্রচুর Start Up পাবে বাংলা। আসবে মোটা অঙ্কের বিনিয়োগ।

আরও পড়ুন ধর্ম নিয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্যের জেরে ফিরহাদ হাকিমকে আইনি নোটিস

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উ‌দ‌্যানপালন দফতরের হাতেই থাকছে Bengal Food and Fruit Festival আয়োজনের দায়িত্ব। সেই দফতরের আধিকারিকদের দাবি, বাংলার ফল, ফুল, সবজি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে যে বিপুল সম্ভাবনা নিহিত তা তুলে ধরতেই এই উৎসব। মূল উদ্দেশ্য কর্মসংস্থান। বাংলার উদ্যোগপতিদের Food Processing Units তৈরির ব‌্যাপারে আরও উৎসাহিত করা। এই ধরনের কারখানা তৈরির পথে যেখানে যেখানে বিনিয়োগকারীরা হোঁচট খান, সেই জায়গাগুলি নিয়ে সরাসরি আলোচনার জন্য ৩ দিনের উৎসবে ২ দিনের সম্মেলনও রাখা হচ্ছে। থাকছে বাংলার নিজস্ব ফল-ফুল, সবজি, ভেষজ দ্রব্যের প্রদর্শনীও। এই সব জিনিস সংরক্ষণের উপায়, রফতানির উপযোগী প‌‌্যাকেজিং নিয়েও হাজির থাকবেন ‘Kee Player’-রা। থাকবে রাজ্যের কৃষি দফতর, কৃষি বিপনন দফতর, সুফল বাংলা-সহ একাধিক দফতরের স্টলও। এই উৎসবে কোর দেওয়া হবে বাংলার যে সব খাদ্য পণ্য GI Tag পেয়েছে সেগুলি তুলে ধরার ক্ষেত্রেও।

আরও পড়ুন মমতার মাইক বন্ধ নিয়ে বিধানসভায় নিন্দা প্রস্তাব তৃণমূলের, ওয়াকআউট বিজেপির

যেমন বর্ধমানের সীতাভোগ, মিহিদানা GI Tag পেয়েছে। জয়নগরের মোয়া, উত্তরবঙ্গের কালো নুনিয়া চালও GI Tag পেয়েছে। GI Tag পেয়েছে বাংলার রসগোল্লাও। চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে বারুইপুরের পেয়ারাও এই GI Tag পেতে সক্ষম হয়। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উ‌দ‌্যানপালন দফতরের আধিকারিকদের দাবি, ফল প্রক্রিয়াকরণ শিল্প কেন্দ্র বাংলার বুকে অনেক বড় মাপের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেবে। কেননা, বাংলার আম, জামরুল, লিচু, পেয়ারা, কলা খুবই সুস্বাদু। বাংলা থেকে প্রতি বছর এইসব ফল দেশের অনান্য রাজ্যের বাজারে তো যায়ই সেই সঙ্গে বিদেশের বাজারেও প্রতি বছরে রফতানি হয়। সেই রফতানির পরিমাণও আস্তে আস্তে বাড়ছে। আবার পাঁশকুড়া, বাগনান, রানাঘাট এলাকার ফুলচাষের খ‌্যাতি জগৎজোড়া। দেশ-বিদেশে তা রফতানি হয়। পাশাপাশি বাংলার সবজি, চা ও মধুরও ভালো দাম মেলে বিদেশের বাজারে। কিন্তু এই সব ফল, সবজি, চা, ফুলের ওপর বাংলার বুকে শিল্প সেভাবে গড়ে ওঠেনি। মুখ্যমন্ত্রী সেই দিকেই এখন সব থেকে বেশি নজর দিতে চান। সেক্ষেত্রে এই ধরনের শিল্পে বিনিয়োগের আহ্বাণের জন্যই Bengal Food and Fruit Festival’র আয়োজন করা হচ্ছে যাতে সেই সব শিল্প গড়ে উঠে বাংলায় কর্মসংস্থানের দরজাটাও খুলে যায়।

‘মদ খেয়ে অশালীন ভাষা’, জ্যাভলিন কোচের বিরুদ্ধে SAI-এর কাছে নালিশ নীরজ-সুমিতদের

খেলা ছেড়ে রোহিতের হাতে মুম্বইয়ের অধিনায়কত্ব তুলে দিক হার্দিক, উঠল দাবি

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

চার বছরের মেয়েকে গলা টিপে খুনের পর আত্মহত্যার চেষ্টা মায়ের, নেপথ্যে পরকীয়া?

ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন ট্রাক্টর চালিয়ে মাঠে ঢুকলেন এক ব্যক্তি, তারপর যা হল…

ভিমরুলের আক্রমণ থেকে বাঁচতে পুকুরে ঝাঁপ বৃদ্ধের, তারপর যা হল…

0:00