Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

CISF নিয়ে সুপ্রিম নির্দেশের মাঝেই মমতার ক্ষোভে ‘কেন্দ্রের চক্রান্ত’

আর জি করে মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে অসহযোগিতা করছে রাজ্য সরকার। এই অভিযোগকেই মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রের ষড়যন্ত্র হিসাবে তুলে ধরছেন।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতার(Kolkata) আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের(R G Kar Medical College and Hospital) নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে তুলতে সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট(Supreme Court)। কিন্তু এদিন আর জি কর নিয়ে মামলার শুনানিকালে সিবিআইয়ের আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টকে জানান, রাজ্য সরকার আর জি করে মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা করছে না। কোন কোন ক্ষেত্রে আর জি করে মোতায়েন থাকা CISF’র পুরুষ ও মহিলা জওয়ানদের অসুবিধার মুখে পড়তে হচ্ছে তার কিছু তথ্যও সেই সময় সুপ্রিম কোর্টের সামনে তুলে ধরেন সিবিআইয়ের আইনজীবী। তার জেরে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা করার পাশাপাশি জওয়ানদের যা যা লাগবে তা যেন এদিনের মধ্যে তাঁদের এনে দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের জেরে এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) সুপ্রিম নির্দেশকে মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত দিলেও গোটা ঘটনাটিকে কেন্দ্রের ষড়যন্ত্র(Conspiracy of India Government) হিসাবে তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন, ‘দয়া করে আপনারা কাজে যোগদান করুন’, সুপ্রিম ডেডলাইনের পরে চিকিৎসকদের বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

এদিন সুপ্রিম কোর্টে আর জি কর মামলার শুনানিকালে কেন্দ্রের সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজনীয় জরুরি সরঞ্জাম রাজ্য সরকারের তরফে দেওয়া হয়নি। জওয়ানদের সকলের থাকার বন্দোবস্তও ঠিকমতো করা হয়নি। সেই কথা শুনে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় জানিয়ে দেন, CISF’র যিনি সিনিয়র অফিসার রয়েছেন, তাঁর সঙ্গে স্বরাষ্ট্র দফতরের সিনিয়র অফিসার আলোচনা করে এ বিষয়ে সমাধানসূত্র বের করবেন। সেই প্রসঙ্গেই এদিন নবান্নের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে মমতা জানিয়ে দেন, ‘আপনারা যদি কাউকে পাঠান তা হলে তার দায়িত্ব তো কেন্দ্রীয় সরকারকেও নিতে হবে। সবটাই যদি রাজ্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয় এবং বলা হয় আমরা কিছু দিইনি। তা ঠিক নয়। এটি মিথ্যা। আমরা তিনটি জায়গা দিয়েছি। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের চক্রান্ত রয়েছে। আমরা আদালত নিয়ে কোনও মন্তব্য করছি না। কিন্তু এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার ও কয়েকটি বাম দলের চক্রান্ত রয়েছে। যাদের মানুষের কাছে যাওয়ার ক্ষমতা নেই, যে হেতু আমরা কিছু পাল্টা করছি না, তাই একতরফা ভাবে সব করে যাচ্ছে।’

আরও পড়ুন, ‘যদি কেউ না নিতে চান, ঠিক আছে, নতুনদের দিয়ে দেওয়া হবে’, পুজো অনুদান নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

এই প্রসঙ্গেই এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক চিঠি লিখল সিআইএসএফকে জায়গা দাও। ববিকে পাঠিয়ে ইন্দিরা হসপিটালের ৩০ বেডের এবং একটা প্রাইমারি স্কুল দিলাম পুরসভার। তারপরও রোজ বলেন? এখন বলছে কমিউনিটি হলগুলো আমাদের দিয়ে দাও। এলাকায় এলাকায় যে মানুষগুলোর বিয়ে, শ্রাদ্ধ, পৈতে, পুজো, উৎসবের নামে এই কমিউনিটি হলগুলি করা হয়েছে। এগুলো লোকের কাজে লাগে। তারা কোথায় যাবে? সেগুলো কী হবে? আরজি করের পাশে জায়গা লাগলে বলুন। আরজি করের পাশে যে জায়গাটা পড়ে আছে, মুখ্যসচিবকে বলব ডেকোরেটার্সদের দিয়ে করে দিন। আজকাল সবকিছু তাড়াতাড়ি হয়ে যায়। তক্তা পেতে দিন, খাট পেতে দিন, ওয়াশরুম করে দেবে। আপনি যদি কনজেস্টেড এরিয়ায় আমাকে বলেন ২ ঘণ্টার মধ্যে জায়গা খুঁজে দিতে হবে, তা কী করে সম্ভব? সেই জায়গাটা ভীষণ কনজাস্টেড। সেখানে যদি কিছু না করতে পারেন, পুলিশের যে ব্যারাক আছে, সেখানে ব্যবস্থা করে দিন। নতুবা বাসের বন্দোবস্ত করে দিন। বাস তাদের তুলে নিয়ে আসবে, বাস তাদের পৌঁছে দেবে। তারা আর কী চায়? জামাকাপড়, খাবার দাবার চাইলে দিয়ে দিন। আর কী কী দেওয়ার আছে।’

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00