Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

‘মানুষের ভালবাসা পেয়েছি, দলের ভালবাসা পাইনি’, কাঁদছেন লকেট

লোকসভা ভোটে রচনার বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে হেরে লকেট চট্টোপাধ্যায় তাঁর হারের জন্য কাঠগড়ায় তুলছেন দলেরই স্থানীয় নেতৃত্বকে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে ১৮টি আসনে জিতে কার্যত সবাইকে চমকে দিয়েছিল বিজেপি(BJP)। সেই ১৮জন সাংসদের মধ্যে ছিলেন হুগলি লোকসভা কেন্দ্র(Hooghly Constituency) থেকে জেতা টলি নায়িকা লকেট চট্টোপাধ্যায়ও(Locket Chatterjee)। তিনি সেবার জয়ী হয়েছিলেন ৭৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে। কিন্তু সেই নির্বাচনের ঠিক ২ বছরের মাথায় একুশের বিধানসভা নির্বাচনে চুঁচুড়া বিধানসভা কেন্দ্রেই বিজেপি যখন তাঁকে আবারও প্রার্থী করে তখন লকেট হেরে যান ১৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে। কারত্রযত সেই সময়েই সামনে এসেছিল লকেটের সঙ্গে হুগলির স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের জোর সঙ্ঘাত বেঁধেছে। কার্যত সেই নির্বাচনে তিনি স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের সহযোগিতা পাননি বলে সরব হয়েছিলেন লকেট। যদিও তাতে লাভ বিশেষ কিছু হয়নি। হুগলি-চুঁচুড়ায় লকেট বিরোধিতা অটুট ছিল বিজেপির অন্দরে। এবারে লোকসভা ভোটেও(Loksabha Election 2024) হেরে সেই লকেট কাঠগড়ায় তুলছেন স্থানীয় নেতৃত্বকেই।

এবারের লোকসভা নির্বাচনে হুগলি থেলে লকেটকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন আরেক টলি নায়িকা তথা তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। উনিশে যে মার্জিনে লকেট এই কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন, প্রায় সেই একই মার্জিনে এবার রচনাও জিতেছেন। কিন্তু রচনা পিছিয়ে পড়েছেন হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে থাকা ৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে। সেই ৩ কেন্দ্র হল বলাগড়, সপ্তগ্রাম ও চুঁচুড়া। সেই চুঁচুড়া যেখানে লকেট একুশের ভোটে হেরেছিলেন। এবারে চুঁচুড়া লকেটকে লিড দিয়েছে। কিন্তু তারপরেও লকেটের অভিযোগ, স্থানীয় বিজেপি নেতাকর্মীরা তাঁকে ভোটে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে খুব একটা সহায়তা করেননি। তাঁর বক্তব্য, ‘কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে অনেক সমর্থন পেয়েছি। হারের কারণ কী, তা জানাব ওদের। নেতাদের চুপ করে থেকে আগে কর্মীদের কথা শোনা উচিত। তাঁরাই আসল কারণটা বলতে পারবেন। মানুষের থেকে অনেক ভালবাসা পেয়েছি। কিন্তু দলের থেকে পায়নি। তবুও হুগলির সঙ্গেই থাকব।’ আর হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি নেতাকর্মীরা তাঁরা কী বলছেন?

হুগলিতে বিজেপির নির্বাচনী কমিটির আহ্বায়ক সুবীর নাগের মতে, ‘৩ বিধানসভায় এগিয়ে থাকলেও ব্যবধান লক্ষ্যের তুলনায় অনেকটাই কম। তৃণমূলের তুলনায় বিজেপি সাংগঠনিক ভাবে দুর্বল হলেও ওই তিন কেন্দ্রে যথেষ্ট শক্তিশালী। তাই বেশি মানুষের কাছে পৌঁছনো সম্ভব হয়েছিল। অনেককেই বোঝাতে পারা গিয়েছিল। বাকি ৪ কেন্দ্রে সেটা হয়নি। পাশাপাশি, দলে থেকেও অনেকেই দলের বিরুদ্ধে ভোট করিয়েছেন। তাঁদের চিহ্নিত করে ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের কাছে নামের তালিকা পাঠাব। ভুল শুধরে বিধানসভায় ভাল ফল করব।’  

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00