Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

পদ্মশ্রী ফেরানো হোক ধর্ষণে অভিযুক্ত কার্তিক মহারাজের, দাবি হুমায়ুন কবীরের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, বেলডাঙা: ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বেলডাঙার কার্তিক মহারাজের বিরুদ্ধে। এবার তাঁর বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হলেন মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি জানিয়েছেন কার্তিক মহারাজের পদ্মশ্রী পুরস্কার ফিরিয়ে নেওয়া হোক। তাঁর বক্তব্য, এমন ব্যক্তি পদ্মশ্রীর যোগ্য নন।

কার্তিক মহারাজের বিরুদ্ধে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন এক মহিলা। তিনি বলেছেন ২০১৩ সালে তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। কার্তিক মহারাজের সন্তানকে গর্ভে ধারণ করতে বাধ্য হন। যদিও মহারাজের নির্দেশেই তিনি গর্ভপাত করান। এই বিষয় নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন হুমায়ুন কবীর।

তৃণমূল নেতার দাবি, ‘ভারতের সরকারের উচিৎ অবিলম্বে পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রত্যাহার করা। ভারত সরকার ওই ব্যক্তির ইতিহাস, চলনবলন যাচাই না করে তাঁকে পদ্মশ্রীতে ভূষিত করেছেন। এই ধরণের ব্যক্তিকে পদ্মশ্রী দেওয়ার অর্থ পদ্মশ্রী পুরস্কারের অসম্মান ঘটানো।’ কার্তিক মহারাজ অবশ্য নিজে দাবি করেছেন এমন কোনও ঘটনাই ঘটেনি। পুরোটাই সাজানো হয়েছে। তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার প্রশ্ন তুলেছেন ২০১৩ সালে এই ঘটনা ঘটে থাকলে ১২ বছর পর কেন মহিলা সেই ঘটনা প্রকাশ্যে আনলেন? কেন সেইদিনই আনলেন না? তাঁর মতে এটি তৃণমূলের চক্রান্ত। এই বিষয়েও সাফাই দিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক। হুমায়ুনের কথায়, “শাসক দলের এখানে কোনও ভূমিকা নেই। ২০১৩ সালের ঘটনা এটি। ওই মহিলার সঙ্গে পরিচয় না থাকলে উনি প্রকাশ্যেই সেটা বলতে পারতেন। উনি আদালতে যেতে পারতেন। এই ধরণের ঘটনা উনি এতদিন ধরে চেপে রেখেছেন সেটা একটা ক্রিমিনাল অফেন্স বলে আমি মনে করি। ওই মহিলা নিজে লিখিত অভিযোগ করেছেন। কে তাঁকে উৎসাহিত করেছেন, কে গাড়িতে নিয়ে গিয়েছেন সেটা বড় বিষয় নয়। ভারত সরকার কার্তিক মহারাজকে যে পদ্মশ্রী দিয়েছেন সেটা অবিলম্বে প্রত্যাহার  করা উচিৎ।’

গত বৃহস্পতিবার রাতে নবগ্রাম থানায় নির্যাতিতা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন কার্তিক মহারাজের বিরুদ্ধে ৷ তাতে বলা হয় ২০১২ সালের ডিসেম্বরে অভিযোগকারিণী ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের চাণক আদিবাসী আবাসিক স্কুলে যান৷ সেখানেই পরিচয় হয় আশ্রমের অধ্যক্ষ কার্তিক মহারাজের সঙ্গে। তিনি ওই স্কুলে অভিযোগকারিণীকে শিক্ষিকা হিসেবে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন৷

মহিলা বলেছেন, এরপর তাঁকে আশ্রমের স্কুলের পাঁচতলার ঘরে থাকতে দেওয়া হয়। অভিযোগ ২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত কার্তিক মহারাজ বারবার যৌন সঙ্গম করেন ওই মহিলার সঙ্গে। সবটাই হয়েছিল মহিলার অসম্মতিতে। বারবার শারীরিক সম্পর্কের ফলে একসময় মহিলা গর্ভবতী হয়ে পড়েন।

কিন্তু কার্তিক মহারাজ নির্যাতিতাকে গর্ভপাতের জন্য জোর করেন৷ তাঁকে আশ্রম থেকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়৷ কার্তিক মহারাজ প্রতিশ্রুতি দেন যে এখন থেকে মাসে মাসে টাকা পাবেন নির্যাতিতা। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতিও রাখেননি তিনি, এমনটাই অভিযোগ। ২০১৯ পর্যন্ত ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারিণী।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00