Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

শুভেন্দুর মন্তব্যের জেরে ফুলবদল সংখ্যালঘু নেতার, বড় ধাক্কা বিজেপির

শুভেন্দুর মন্তব্যের জেরে ফুলবদল করে নিলেন বিজেপির নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলার সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি রফিকুল শেখ। তিনি যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে।  

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশজুড়ে বিজেপির(BJP) গায়ে তকমা লেগেছে হিন্দুত্ববাদী দল হিসাবে। তার থেকেও বড় পরিচিতি পেয়েছে মুসলিম বিরোধী দল হিসাবে। যদিও বিজেপির কোনও নেতা কোনওদিন বলেননি তাঁরা মুসলিম বিরোধী। কিন্তু বিজেপির নীতি, নানা ঘটনা এবং সিদ্ধান্তের জেরে এহেন একটি ছাপ পড়ে গিয়েছে বিজেপির গায়ে। এই অবস্থায় পদ্মশিবির দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালাচ্ছে, মুসলিমদের কাছেও গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠতে। সেই লক্ষ্যে দলে সংখ্যালঘু মোর্চাও খুলে ফেলেছে। বাংলায় ক্ষমতাদখল করতে গেলে সংখ্যালঘু ভোট(Minority Vote Bank) হাতে আসা চাই-ই–চাই। বাংলায়(Bengal) মুসলিমদের সমর্থন ছাড়া কখনই ক্ষমতা দখল সম্ভব নয়, এটা সব রাজনৈতিক দলই জানে। এই অবস্থায় বিজেপিও চেষ্টা করছে বাংলার মুসলিম সমাজের সমর্থন পেতে। কিন্তু সেই চেষ্টার পথে এখন বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর(Suvendu Adhikari) একটি মন্তব্য। কেননা সেই মন্তব্যের জেরেই এবার ফুলবদল করে নিলেন বিজেপির নদিয়া(Nadia) উত্তর সাংগঠনিক জেলার সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি রফিকুল শেখ। তিনি যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে(TMC)।  

আরও পড়ুন কর্মরত মায়ের মৃত্যুর পরে বাবার দ্বিতীয় বিয়ে, নাবালক সন্তানকে পেনশন প্রদানের নির্দেশ হাইকোর্টের

২০১৪ সালেই সালে ‘সব কা সাথ, সব কা বিকাশ’ স্লোগান তুলেছিলেন বর্তমান বিজেপির প্রাণপুরুষ তথা দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সমস্ত শ্রেণি, সম্প্রদায়কে এক সুতোয় বাঁধার বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। লাভও পেয়েছিলেন ভোটবাক্সে। ১০ বছর পরেও এই স্লোগান নিয়ে বিজেপির আবেগে সামান্যতম টোলও পড়েনি বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের একাংশের। কিন্তু সম্প্রতি সেই স্লোগানের প্রয়োজনীয়তা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য বিজেপির বর্ধিত কর্মসমিতির বৈঠকে শুভেন্দু তাঁর বক্তব্যে জানিয়ে দেন, ‘সব কা সাথ, সব কা বিকাশ আর বলব না। সব কা সাথ, সব কা বিকাশ বন্ধ কর। বলব যো হামারে সাথ, হাম উনকা সাথ। নো নিড সংখ্যালঘু মোর্চা।’ শুভেন্দুর সেই মন্তব্য ঘিরে তোলপাড় পড়ে যায় বিজেপিতে। নিন্দার ঝড় ওঠে বিভিন্ন মহলে। পরে শুভেন্দু তাঁর করা মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে জানান, ‘আমি বিজেপির গ্রাউন্ডে কাজ করা কর্মী হিসেবে এটাই বলতে চেয়েছি, বাংলায় শুধুমাত্র সনাতনী হিন্দুরাই বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। সংখ্যালঘু বিশেষ করে মুসলিমরা বিজেপিকে ভোট দেয়নি। ১০০ জনের মধ্যে ৯১ জন ২০২১ সালে ভোট দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়কে। এবার ৯৫ শতাংশ মুসলিম তাদের ভোট দিয়েছে। তাই আমি রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই মন্তব্য করেছি।’

আরও পড়ুন মুড়িগঙ্গায় গঙ্গাসাগর সেতু নির্মাণে ১৪০০ কোটি টাকা খরচের ছাড়পত্র দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

কিন্তু শুভেন্দুর সেই মন্তব্যের জেরে শুরু হওয়া বিতর্ক থিতু হচ্ছে না কিছুতেই। সেই বিতর্কের মাঝেই গতকাল অর্থাৎ শনিবার রাতে রফিকুল বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। বিজেপির নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলার সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন রফিকুল। তিনি তৃণমূলে যোগদানের পরে সাফ জানিয়েছেন, শুভেন্দু অধিকারীর ‘নো নিড সংখ্যালঘু মোর্চা’র মন্তব্যের জেরেই তিনি দলত্যাগ করছেন। কেননা তাঁর মনে হয়েছে, বিজেপি মুসলিম বিরোধী। শুভেন্দু মুসলিম বিরোধী। তাই এই দলে পড়ে থেকে তিনি মুসলিম সমাজের উন্নয়নের জন্য কিছুই করে উঠতে পারবেন না। মুসলিম সমাজের উন্নয়ন করতে হলে এ রাজ্যে একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসেরই হাত ধরতে হবে। তাই তিনি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। উল্লেখ্য, রফিকুল যে এলাকার সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি ছিলেন তা আদতে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের এলাকা। সেখানে সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কই নির্বাচনী ফলাফলের চূড়ান্ত নির্ণায়ক। এখন সেখানেই যদি শুভেন্দুর মন্তব্যের এই প্রভাব পড়ে তাহলে গোটা রাজ্যে কী প্রভাব পড়বে? এই প্রশ্নটাই বিজেপির অন্দরে এবার তুলে দিলেন রফিকুল।

টানা ৭৭ দিন নিশ্চিন্ত! Airtel আনল দীর্ঘমেয়াদী নতুন প্ল্যান, সাথে আনলিমিটেড কলিং

অক্ষয় তৃতীয়ায় পঞ্চ মহাপুরুষ রাজযোগ, ভাগ্যের চাকা ঘুরবে ৬ রাশির জাতকদের

গ্রিনের লড়াকু ইনিংসের সৌজন্যে গুজরাতকে ১৮১ রানের লক্ষ্য দিল কলকাতা

ভোটের মাঝে আচমকাই অভিষেককে ফোন রাহুলের!

মালদা টাউন স্টেশন থেকে ২ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী গ্রেফতার

তামিলনাডুতে পর্যটক বোঝাই গাড়ি পড়ল খাদে, নিহত কমপক্ষে ৯ জন

0:00