Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

০.২৮ শতাংশ! বঙ্গে বিলুপ্তির পথে কংগ্রেস

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে কার্যত মুছে গিয়েছে কংগ্রেস। এদিন যে চার কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলাফল সামনে এল তাতে দেখা যাচ্ছে কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র ০.২৮ শতাংশ ভোট। আর এর জেরেই এবার প্রশ্ন উঠে গেল, বাংলা থেকে কী এবার বিলুপ্তির পথে হাঁটা দিল কংগ্রেস!

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: যেদিন থেকে কংগ্রেস ভেঙে বাংলায় তৃণমূলের জন্ম হয়েছে সেদিন থেকেই বাংলার রাজনীতিতে কার্যত জাতীয় কংগ্রেসের অন্তর্জলি যাত্রা শুরু হয়ে গিয়েছিল। হাতেগোনা দুই-তিনটি জেলা আর কিছু খুচরো পকেটে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছিল। কিন্তু বামেরা যতদিন বাংলার ক্ষমতায় ছিল তার একটা বড় সময় জুড়ে প্রদেশ কংগ্রেসের নেতারা যত না তৃণমূলের সঙ্গে জোট গড়েছেন তার থেকে অনেক বেশি চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন তৃণমূলের পিছনে ছুরি মারতে। তাতে তৃণমূল সাময়িক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ঠিকই, কিন্তু শেষ হয়ে যায়নি। জমি আন্দোলনের হাত ধরে তৃণমূল কিন্তু কংগ্রেসের সঙ্গেই জোট গড়ে বাংলার ক্ষমতায় এসেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারে তাঁরা যোগও দিয়েছিল। কিন্তু মমতা বিরোধীতার জায়গা থেকে সরে যায়নি। এরপর সময় যতই গড়িয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস মমতা বিরোধীতার সুর ততই চড়িয়ে গিয়েছে। এমনকি মমতাকে হারাতে সাঁইবাড়ির হত্যাকাণ্ড ভুলে তাঁরা হাত মিলিয়েছে বামেদের সঙ্গে। যার নিট রেজাল্ট ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে কার্যত মুছে গিয়েছে কংগ্রেস। এদিন যে চার কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলাফল সামনে এল তাতে দেখা যাচ্ছে কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র ০.২৮ শতাংশ ভোট। আর এর জেরেই এবার প্রশ্ন উঠে গেল, বাংলা থেকে কী এবার বিলুপ্তির পথে হাঁটা দিল কংগ্রেস!

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস রাজ্যের ৯১টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। কিন্তু একজনও জেতেনি। ভোট প্রাপ্তির হার ছিল মাত্র ২.৯৩ শতাংশ। এবারে যে চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হল সেখানে কংগ্রেস কেবলমাত্র শান্তিপুরেই প্রার্থী দিয়েছিল। সেখানে তাঁরা পেয়েছেন ২ হাজার ৮৭৭ ভোট। শতাংশের বিচারে ১.৪১ শতাংশ ভোট। আর এই ভোটপ্রাপ্তির হারকে চারটি কেন্দ্রের দিক দিয়ে যদি বিচার করা হয় তাহলে দেখা যাবে তাঁরা পেয়েছেন গড়ে মাত্র ০.২৮ শতাংশ ভোট। এদিন ভোটের ফলাফল সামনে আসার পরে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী জানিয়েছেন, তাঁদের সাংগঠনিক হাল খারাপ হওয়ার জন্য তাঁরা শাসক দলের সন্ত্রাসের মোকাবিলা করতে পারেননি। তাই এহেন দশা হয়েছে। অধীরবাবুর এই যুক্তিকে কিন্তু ওয়াকিবহাল মহল পুরোপুরি মেনে নিচ্ছে না। তাঁদের পাল্টা যুক্তি সংগঠনই যদি শেষ কথা হয় তাহলে উপনির্বাচনে বামেদের ভোট বাড়ল কীভাবে! যে শান্তিপুরে কংগ্রেস ২ হাজার ৮৭৭ ভোট পেয়েছে সেখানেই বাম প্রার্থী প্রায় ৪০ হাজার ভোট পেয়েছেন। শতাংশের বিচারে প্রায় ২০ শতাংশ। কীভাবে তা সম্ভব হল?

কংগ্রেসের কোনও নেতাই কার্যত এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি। তবে উত্তর দিয়েছেন রাজ্যের আমজনতা। তাঁদের দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের ভ্রান্ত নীতি, অতিবড় মমতা বিরোধীতার মাশুলই তাঁদের গুণতে হচ্ছে। কংগ্রেস আগে ঠিক করুক তাঁরা মমতার বিরোধীতা করবে নাকি তাঁকে সমর্থন করবে। বামেদের সঙ্গে ঠিকঠাক জোট ধর্ম পালন করবে নাকি সেখানেও স্বেচ্ছাচারিতা চালিয়ে যাবে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে যেভাবে মমতা বিরোধীতা শুরু করেছিলেন তা কার্যত বিজেপির সুরের সঙ্গে মিলে গিয়েছিল। ফলে কংগ্রেসের মধ্যে যারা বিজেপি বিরোধী ছিলেন তাঁরা তৃণমূলকে বেছে নিয়েছিলেন বিজেপিকে ঠেকাবার জন্য আর যারা অন্ধ মমতা বিরোধী ছিলেন তাঁরা সরাসরি বিজেপিকেই ভোট দিয়েছেন। ফলে কংগ্রেসকে খালি হাতে ফিরতে হয়েছে। এর পাশাপাশি সংখ্যালঘু ভোটও হাতছাড়া হয়েছে কংগ্রেসের। সেই অবস্থা থেকে এই ৬ মাসে কিন্তু বিন্দুমাত্র ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টাও করেনি প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। আর তার জেরেই কংগ্রেস এখন রাজ্যে বিলুপ্তির পথে। যতদিন না তাঁরা বিজেপির সুরে সুর মিলিয়ে মমতা বিরোধীতা না ছাড়বে ততদিন বাংলায় অন্তত তাঁদের ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও সম্ভাবনা নেই।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00