Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

‘রক্তের সম্পর্ক আছে এমন কারও সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চাইছি না’, বড় সিদ্ধান্ত কেষ্ট’র

নানুরের হাটসেরান্দিতে গ্রামের বাড়িতে গিয়েই রক্তের সম্পর্ক আছে এমন কারও সঙ্গে সম্পর্ক না রাখার কথাই জানিয়ে দিলেন অনুব্রত মণ্ডল।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: সদ্য সদ্য ১০ লক্ষ টাকার বন্ডে জামিনে ছাড়া পেয়ে দিল্লির তিহার জেল থেকে বোলপুরের নীচুপট্টিতে নিজের বাড়িতে ফিরেছেন বীরভূম(Birbhum) জেলা তৃণমূলের(TMC) সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল(Anubrata Mondol) থুড়ি কেষ্ট। গতবছর তাঁর পুজো কেটেছিল তিহার জেলের মধ্যেই। তবে এই বছর খোলা আকাশের নীচেই পুজো কাটাবেন তিনি। তাঁর গ্রামের বাড়িতেও দুর্গাপুজো(Durga Puja) হয়। সেখানে প্রতিবছর গ্রামের লোকদের নিমন্ত্রণ করে খাওয়ান তিনি। এদিন অর্থাৎ শুক্রবার সেই গ্রামের বাড়ির পুজোর ব্যবস্থাপনা কেমন হচ্ছে তা খতিয়ে দেখতে যান তিনি। সঙ্গে ছিলেন মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলও(Sukanya Mondol)। নানুরের হাটসেরান্দিতে গ্রামের বাড়ি তাঁর। সেখানে গিয়ে এদিন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন। পুজোয় অংশ নেবেন বলেও জানান। কিন্তু পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানিয়ে দেন, ‘আমি আর রক্তের সম্পর্ক আছে এমন কারও সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চাইছি না।’

আরও পড়ুন, ভারতে সেমিকন্ডাক্টর বিপ্লবের নেতৃত্ব দিতে চলেছে কলকাতা, ট্যুইট মমতার

এদিন অনুব্রত জানিয়েছেন, ‘আমি আসব পুজোর দিন বারোটা থেকে সাড়ে বারোটা নাগাদ। মায়ের পুজো দেব। তারপর চলে যাব। এবার আমার আর্থিক অবস্থা ঠিক নেই। তাই এবার খাওয়াতে পারব না।’ কিন্তু এই বার্তার পরে পরেই তিনি জানিয়ে দেন, রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়দের সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ রাখতে চান না। কেন বললেন এই কথা? প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, একরাশ অভিমান থেকেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এটা ঠিক এখন আর্থিক অবস্থা মোটেও ভাল নেই অনুব্রতবাবুর। ফলে এই বছর গ্রামের বাড়ির দুর্গাপুজোয় গ্রামের লোকজনকে পাত পেড়ে খাওয়ানো তাঁর কাছে যথেষ্ট কষ্টকর হয়ে উঠতো। আসলে গরু পাচার মামলায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতারির পরে পুজোয় প্রতিবারের চেনা ছবিটা বদলে গিয়েছ অনেকটাই। সেই বদল দেখতে পাচ্ছেন, বুঝতেও পারছেন তৃণমূলের এই দাপুটে নেতা। সেই জায়গা থেকেই আত্মীয়দের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখার মতো বড় ও কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন, বাস্তু মেনে বানানো সন্দীপের বাড়ির একাংশ বেআইনি, নোটিস কলকাতা পুরনিগমের

অনুব্রতবাবুর পাশাপাশি তাঁর মেয়ে সুকন্যাকেও গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে সিবিআই নয়, সুকন্যাকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। সেই সূত্রে তিহার জেলে থাকতে হয়েছে তাঁর মেয়েকেও, যা বাবা হিসাবে মোটেও মেনে নিতে পারেননি অনুব্রতবাবু। তাঁর দাবি, সাধারণ বাড়ির মেয়ে হয়েও জেল খাটতে হয়েছে তাঁর মেয়েকে। তাই গতকালই সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ‘আমার মেয়ে, আমার সন্তানকেও ১৬ মাস জেল খাটানো হয়েছে। ও তো নেতা নেত্রীও নয়। সাধারণ বাড়ির মেয়ে। আমি নিশ্চয়ই এমন কিছু অন্যায় করেছিলাম ঈশ্বরের কাছে, তার শাস্তি পেয়েছি। আইনকে সম্মান করি। আইনকে ভালবাসি। ওই ব্যাপারে আমি কিছু বলব না। আমি কোনও বিতর্কে যাব না। কিন্তু বাবা হয়ে মেয়ের এই জেলখাটা মেনে নেব কীভাবে!’

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00