রাজ্যের মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রের ৩৭ হাজার শিক্ষক এলেন EPF’র আওতায়

রাজ্যের মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রের সহায়ক, সম্প্রসারক এবং মুখ্য সম্প্রসারকদের জন্য Employees Provident Fund বা EPF চালু করল রাজ্য সরকার।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: নিঃশব্দে বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল রাজ্যের ক্ষমতাসীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার। রাজ্যের মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রের(MSK) সহায়ক, সম্প্রসারক এবং মুখ্য সম্প্রসারকদের জন্য Employees Provident Fund বা EPF চালু করল রাজ্য সরকার। এর ফলে উপকৃত হবেন প্রায় ৩৭ হাজার শিক্ষক। দিন দুই আগেই এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দফতর(West Bengal School Education Department)। চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে এই সুবিধা কার্যকর হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। রাজ্যের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার লক্ষের মতো। এরা সকলেই রয়েছেন General Provident Fund বা GPF’র আওতায়। কিন্তু মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রের সহায়ক, সম্প্রসারক এবং মুখ্য সম্প্রসারকদের এই সুবিধা ছিল না। কিন্তু এবার থেকে তাঁরা চলে এলেন EPF’র আওতায়। উল্লেখ্য, রাজ্যের অধিকাংশ মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রগুলি শিশুশিক্ষা কেন্দ্র হাইস্কুল নামেও পরিচিত।

আরও পড়ুন, মিলে গিয়েছে DNA, সঞ্জয় একাই ধর্ষণ করেছে মহিলা চিকিৎসককে

বাম জমানার সময় থেকেই রাজ্যের মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্র বা MSK-গুলি রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের অধীনে চলতো। এইসব শিক্ষাকেন্দ্রে পঠন-পাঠন অন্য সাধারণ স্কুলের মতোই প্রায় হত। কিন্তু, এগুলি রাজ্যের শিক্ষা দফতরের অধীনস্থ ছিল না। সেই কারণে সময়ে সময়ে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিত। রাজ্যে পরিবর্তনের পরে মুখ্যমন্ত্রী এই কেন্দ্রগুলিকে রাজ্যের শিক্ষা দফতরের অধীনে আনার সিদ্ধান্ত নেন। সেই মতো কাজও শুরু হয়। ২০২০ সালের মধ্যেই রাজ্যের সব মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্রগুলিকে রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতরের অধীনে আনার কাজ শেষ হয়। ওই বছরের ১ ডিসেম্বর থেকেই রাজ্যের সব মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রগুলির প্রশাসন ও মানবসম্পদের দায়িত্ব স্কুল শিক্ষা দফতরের অধীনে চলে আসে। সেই সময় ওই শিক্ষাকেন্দ্রগুলিতে শিক্ষা সহায়ক, শিক্ষা সম্প্রসারিকা, মুখ্য শিক্ষা সম্প্রসারক প্রভৃতি নামে প্রায় ৪৩ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা ছিলেন। এখন সেই সংখ্যা কমে হয়েছে ৩৭ হাজার। এরাই এবার EPF’র আওতায় চলে এলেন।

আরও পড়ুন, পাটের বস্তার দাম বাড়াচ্ছে কেন্দ্র, উপকৃত হবেন শ্রমিক ও চাষীরা

উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলেই রাজ্যের এই সব মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রগুলির শিক্ষা সহায়ক, শিক্ষা সম্প্রসারিকা, মুখ্য শিক্ষা সম্প্রসারকদের মাসিক ভাতা সরাসরি তাঁদের নিজেদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। ২০১৫ সাল থেকেই তা চালু হয়েছে। তার আগেই এই ভাতা পাওয়ার জন্য মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রগুলির শিক্ষা সহায়ক, শিক্ষা সম্প্রসারিকা, মুখ্য শিক্ষা সম্প্রসারকদের সংশ্লিষ্ট স্কুলের পরিচালন সমিতির দ্বারস্থ হতে হতো। ঘুরপথে টাকা আসায় প্রতি মাসেই ভাতা পেতে দেরি হতো তাঁদের। কখনও কখনও তা ২ মাস দেরীও হয়ে যেত। মমতার সরকার সেই সমস্যারও সুরাহা করে দিয়েছে। বাংলার বুকে ২০০০ সালে সর্বশিক্ষা মিশন প্রকল্পের আওতায় ৬ থেকে ১৪ বয়সী সবাইকে স্কুলমুখী করার উদ্দেশ্যে প্রথমে শিশু শিক্ষাকেন্দ্র, পরে ২০০৩ সালে মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্র তৈরি হয়। সেই সময় প্রতি আধ কিলোমিটারের মধ্যে প্রাথমিক স্কুল না থাকলে একটি করে শিশু শিক্ষাকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছিল। আর প্রতি আড়াই কিলোমিটারের মধ্যে ন্যূনতম অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল না থাকলে সেখানে মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়।

জঙ্গলমহলে নির্বাচনী প্রচারে আসছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী, মমতার পাশে থাকার বার্তা

‘‌মানুষের জন্য শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করব’‌, নির্বাচন মরশুমে বার্তা মমতার

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ভবানীপুরে জোরদার প্রচার মমতার

নন্দীগ্রাম পুনরুদ্ধারে উন্নয়নই শাসক দলের হাতিয়ার

দলকে অস্বস্তিতে ফেলে শতাব্দী-সহ তৃণমূলের মহিলা সাংসদদের নিশানা কল্যাণের

২৬ দিনে ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ শিবিরে হাজির কোটি মানুষ, আপ্লুত মমতা

প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে বই লিখছেন মমতা, কবে প্রকাশ হবে?

মেয়ো রোডের সমাবেশ থেকে ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ নিয়ে সুর চড়ালেন মমতা

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

[hls_player autoplay="1" fullscreen="1" unmute="0"]