Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ ঘিরে ৫,০০০ কোটির জুয়া! পিছনে অন্ধকার জগতের নায়করা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: শুরু হয়ে গিয়েছে কাউন্টডাউন। রাত পোহালেই মহারণ। রবিবার (৯ মার্চ) দুপুরে দুবাইয়ের আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। ওই ম্যাচ ঘিরে যেমন সমর্থকরা উত্তেজনায় টগবগিয়ে ফুটছেন তেমনই দিন-রাত ভুলে বেওসা করতে আসরে নেমে পড়েছে জুয়াড়িরা। সূত্রের খবর, রবিবারের ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে প্রায় ৫০০০ কোটি টাকা লগ্নি করেছেন জুয়াড়িরা। হয় কারও ভাগ্যের চাকা খুলবে। নয়, সর্বস্বান্ত হতে হবে। এই বিপুল পরিমাণ টাকার জুয়ার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের সিংহভাগই অন্ধকার জগতের বাদশা। তাদের মধ্যে অন্যতম কুখ্যাত মাফিয়া দাউদ ইব্রাহিম। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের চেয়ে ভারতকে সামান্য এগিয়ে রাখছেন বেটিং চক্রের হোতারা।

চলতি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শুরু থেকেই বিভিন্ন ম্যাচ ঘিরে কোটি-কোটি টাকার জুয়া খেলা চলছে। দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ ইতিমধ্যেই ক্রিকেট জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অন্ততপক্ষে পাঁচজন বড় বুকিকে পাকড়াও করেছে। তার মধ্যে ভারত-অস্ট্রেলিয়া সেমিফাইনাল ম্যাচে বাজি ধরার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রবীণ কোচর এবং সঞ্জয় কুমার নামে দুই বুকিকে। ধৃতদের কাছ থেকে ল্যাপটপ এবং মোবাইল ফোনের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং জিনিসপত্র উদ্ধার করেছে। জেরায় প্রবীণ জানিয়েছেন, ‘তিনি লাকিডটকম(Lucky.com)  নামাঙ্কিত একটি বেটিং ওয়েবসাইট থেকে মাস্টার আইডি কিনেছিলেন। সেই মাস্টার আইডি ব্যবহার করে বেটিং আইডি তৈরি করতেন এবং সেগুলো জুয়াড়িদের কাছে বিক্রি করতেন। প্রতি লেনদেনের জন্য ৩ শতাংশ কমিশন নিতেন। ক্রিকেট জুয়া চালাতে গত দুই বছর ধরে প্রতি মাসে ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলেন। প্রতিটি ম্যাচের দিনে জুয়া খেলে কমপক্ষে ৪০ হাজার টাকা পকেটে পুরতেন।  পুরো নেটওয়ার্কটি দুবাই থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়।

দিল্লি পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, রাজধানীতে বেশ কয়েকজন ক্রিকেট জুয়ার ব্যবসায় জড়িত। তাদের মধ্যে একজন হলেন পশ্চিম দিল্লির বাসিন্দা ছোটু বনশল। তিনি কানাডায় একটি বেটিং অ্যাপ তৈরি করেছিলেন। বর্তমানে দুবাইতে ঘাঁটি গেড়েছেন। অন্যরা তার অ্যাপ ভাড়া নিয়ে বাজি ধরার জন্য এটি ব্যবহার শুরু করেছিল। দিল্লির মোতিনগরের বাসিন্দা বিনয়ও দুবাইতে থাকেন। তিনি সরাসরি মাঠ থেকে প্রতি মুহুর্তের ফলাফল ও অন্যান্য তথ্য জানান। এছাড়া ববি, গোলু, নীতিন জৈন এবং জিতু নামে বেশ কয়েকজন ক্রিকেট জুয়ার সঙ্গে জড়িত। দিল্লি থেকে গ্রেফতার হওয়া পাঁচজনের মধ্যে তিনজন হলেন মনীশ সাহানি, যোগেশ কুকেজা এবং সুরজ। সকলেই দুবাইয়ের সাথে যুক্ত। পুলিশ তাদের কাছ থেকে নগদ ২২ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে। এদের মধ্যে মনীশ সাহানি ছিলেন এই চক্রের প্রধান অপারেটর। তিনি বাজিতে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠস্বর রেকর্ড করতেন এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বা নগদের মাধ্যমে লেনদেন পরিচালনা করতেন। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিন অভিযুক্ত জানিয়েছে, মান্নু মটকা, অক্ষয় গহলৌত, নিশু, রিঙ্কু এবং আমান রাজপুত ভারতের বাইরে ‘সাট্টা’ বাজি অ্যাপ তৈরি করেছিলেন।

‘দেশের বাইরে ইউরেনিয়াম স্থানান্তর করা হবে না’, ট্রাম্পের দাবি খারিজ ইরানের

বাংলায় প্রথম দফার ১৯ প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা, কতজন ধর্ষণের আসামি?

‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’, প্রথম দফায় বিজেপির ৭০ শতাংশ প্রার্থীই ‘দাগি’

প্রথম দফায় শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রাম-সহ ৬৬ আসনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

মহিলা সংরক্ষণ ও লোকসভার আসন বৃদ্ধি বিল পাশ করাতে পারল না মোদি সরকার

জ্যান্ত পিঁপড়ে পাচারের দায়ে জরিমানাসহ ১ বছর কারাদণ্ড চিনা ব্যক্তির

0:00