Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

“মেয়েদের সঙ্গে ফ্লার্ট, নোংরা ভাষায় গালিগালাজ”: জিয়ার মৃত্যুতে ফের কাঠগড়ায় সূরজ

২০১৩ সালের জুনে জিয়ার আত্মহত্যার কয়েক মাস আগে, তাঁর মেয়ের কথিত প্রেমিক, অভিনেতা সুরজ পাঞ্চোলির বিরুদ্ধে শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছিলেন।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০১৩ সালে অভিনেত্রী জিয়া খানের (JIAH KHAN) আচমকা মৃত্যু রহস্যের কুল-কিনারা এখনও উদঘাটন হয়নি। বিশেষত, অভিনেত্রীর মৃত্যু রহস্যে যার নাম প্রথমেই উঠে এসেছিল, তিনি হলেন অভিনেত্রীর কথিত প্রেমিক সূরজ পাঞ্চোলি (SOORAJ PANCHOLI)। অভিনেত্রী আদৌ কারুর প্ররোচনায় আত্মহত্যা করেছিলেন কিনা, সেই নিয়ে আদালতে মামলা এখনও অব্যাহত। অভিনেত্রী জিয়া খানের মা, রাবিয়া খান (Rabia Khan) বুধবার মুম্বইয়ের একটি বিশেষ আদালতে একাধিক বক্তব্য পেশ করেছেন সূরজের বিরুদ্ধে। তিনি জানিয়েছেন যে, ২০১৩ সালের জুনে জিয়ার আত্মহত্যার কয়েক মাস আগে, তাঁর মেয়ের কথিত প্রেমিক, অভিনেতা সুরজ পাঞ্চোলির বিরুদ্ধে শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছিলেন। এমনকি জিয়ার মৃত্যুর পর তাঁর আকস্মিক মৃত্যুর তদন্তে নেমেছিলেন সিবিআই। এছাড়াও রাবিয়া, জিয়াকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার জন্যে সূরজের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন, যেখানে রাবিয়া বিশেষ বিচারকের সামনে তাঁর সাক্ষ্য রেকর্ড করেছিলেন। তবে সূরজ বর্তমানে জামিনে মুক্ত। গতকাল রাবিয়া মুম্বইয়ের বিশেষ আদালতে, তাঁর মেয়ে জিয়া খানের বলিউডে প্রবেশ, তাঁর কেরিয়ার এবং সূরজ পাঞ্চোলির সঙ্গে জিয়ার সম্পর্কের সব কথা আদালতে বলেছেন। তিনি বলেছিলেন যে, অভিনেতা সূরজ মুলত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করতেন এবং অভিনেত্রীকে দেখা করার জন্য জোর দিতেন। জিয়া প্রথমে ‘সঙ্কিত এবং অনিচ্ছুক’ হলেও পরে সূরজের সঙ্গে দেখা করতে রাজি হয়েছিল।

সংবাদমাধ্যম পিটিআই-এর রিপোর্ট অনুসারে, সেপ্টেম্বর ২০১২ সালে সূরজ এবং জিয়ার প্রথম দেখা হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে রাবিয়া আদালতে বলেছিলেন, “সে সময়ে জিয়া আমাকে কিছু ছবি পাঠিয়েছিল সূরজের সঙ্গে। আমার তা দেখে মনে হয়েছিল তাঁরা একে ওপরের সঙ্গে সুখী। তবে, সেপ্টেম্বরে জিয়া আমাকে বলেছিল যে, তাঁরা কেবলই বন্ধু। এমনকি জিয়ার দৈনন্দিন রুটিনে সূরজ তাঁর অধিকার ফলাতে শুরু করেছিল। এরপর ২০১২ সালের অক্টোবর নাগাদ, দুজন একে অপরের বাড়িতে থাকতে শুরু করেন। জিয়া যখন ২০১২ সালের নভেম্বরে আমার লন্ডনের বাড়িতে এসেছিলেন তখন তাঁকে দেখে খুব খুশি মনে হয়েছিল। জিয়া আমাদের সঙ্গে ক্রিসমাস উদযাপন করে মুম্বইয়েফিরে আসার কথা থাকলেও আসেননি।” রাবিয়া আরও জানান যে, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১২ সালে জিয়া সূরজের কাছ থেকে একটি বার্তা পেয়েছিলেন। তখনই নাকি অভিনেতা সূরজ জিয়ার উপর খুব রেগে ছিলেন কোনো একজনের সঙ্গে ঝগড়া হওয়ার কারণে। সেই সময়েই, আমি আবিষ্কার করেছিলাম যে, দুজনের মধ্যে হিংসাত্মক লড়াই চলছে।”

রাবিয়া জানান, জিয়া সূরজকে দ্বিতীয় সুযোগ দেন এবং তাঁরা সম্পর্ক ঠিক করার জন্যে গোয়াতে যান। কিন্তু গোয়াতে গিয়ে জিয়া খুব অদ্ভুত জায়গায় উঠেছিলেন সূরজের সঙ্গে, সেখানে জিয়া থাকতে চাননি, সবটাই মা রাবিয়াকে ফোন জানিয়েছিলেন তিনি। এমনকি গোয়াতে অভিনেত্রীকে নিয়ে গিয়ে, সূরজ তাঁর উপস্থিতিতে অন্যান্য মহিলাদের সঙ্গে ফ্লার্ট করতেন এবং জিয়াকে তাঁর বন্ধুদের সামনে বিব্রত করতেন। এরপর জিয়া হঠাৎ করেই ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ সালে লন্ডনে আসেন, তখন তিনি বিষণ্ণ ছিলেন। কারণ সূরজ তখন জিয়াকে মানসিক এবং শারীরিকভাবে গালিগালাজ করতেন এবং তাঁর ‘নোংরা নাম’ও রাখেন। আজকেও এই মামলা অব্যাহত থাকবে বলে সূত্রের খবর।

জিয়া অমিতাভ বচ্চন অভিনীত নিঃশব্দ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে সর্বাধিক খ্যাতি পেয়েছিলেন। ৩ জুন, ২০১৩ তারিখে তাঁর মা তাঁকে মুম্বাইয়ের বাড়িতে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। অভিনেতা আদিত্য পাঞ্চোলি ও জারিনা ওয়াহাবের ছেলে সূরজ বর্তমানে এই মামলায় জামিনে রয়েছেন। মুম্বই পুলিশ ১০ জুন, ২০১৩ সালে জিয়া সুইসাইড নোট উদ্ধার করে। যেখানে তিনি সূরজের হাতে তাঁর ‘ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, শারীরিক নির্যাতন এবং মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন’ সবকিছু বর্ণনা করা গিয়েছেন।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00