Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

‘বাক-স্বাধীনতা আছে, কিন্তু রসিকতার একটা সীমা থাকা উচিত…’, কামরা বিতর্কে মুখ খুললেন একনাথ শিন্দে

যদিও এই বিষয়ে গত ২৪ ঘন্টা চুপ থাকলেও অবশেষে মুখ খুললেন একনাথ শিন্দে। জানালেন, অবশ্যই সবার বাক স্বাধীনতা রয়েছে, কিন্তু বাকস্বাধীনতার একটা সীমা রয়েছে

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্দেকে নিয়ে রসিকতা করার মাশুল গুণতে হচ্ছে কৌতুকশিল্পী কুণাল কামরাকে। সম্প্রতি একটি কমেডি শোয়ে সুপারহিট সিনেমা ‘দিল তো পাগর হ্যায়’-এর একটি গানের আদলে প্যারোডি বেঁধেছিলেন কুণাল কামরা। সেখানেই নাম না করে একনাথ শিন্দের শারিরীক ভঙ্গি, হাঁটাচলার রকমফের, সবটাই বর্ণনা দিয়েছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, গানে গানে একনাথ শিন্দেকে ‘গদ্দার’ বা ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলেও অভিহিত করেন কুণাল কামরা। সেই ক্লিপিং ভাইরাল হতেই শুরু হয় ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। একনাথ শিন্দের শিবসেনা কর্মীরা কুণালের হ্যাবিটাট স্টুডিওতে হামলা চালায়। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। এই ঘটনায় একাধিক থানায় কুণালের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়, পাশাপাশি আজ মুম্বই পুলিশ কুণাল কামরাকে তলব করেছেন। যদিও এই বিষয়ে গত ২৪ ঘন্টা চুপ থাকলেও অবশেষে মুখ খুললেন একনাথ শিন্দে। জানালেন, অবশ্যই সবার বাক স্বাধীনতা রয়েছে, কিন্তু বাকস্বাধীনতার একটা সীমা রয়েছে।

তিনি নিউটনের তৃতীয় সূত্রটিও উল্লেখ করে বলেছেন, “প্রতিটি কর্মেরই একটি প্রতিক্রিয়া আছে।” অবশ্য শিবসেনাদের এমন তাণ্ডব থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন একনাথ শিন্দে। মরাঠা সংবাদ মাধ্যমের একটি সাক্ষাৎকারে শিন্দে কামরার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘নিশ্চয়ই কৌতুকাভিনেতা কারও নির্দেশে কাজ করছেন। গণতন্ত্রে স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য কারও সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করা অগ্রহণযোগ্য। আমার কথা ভুলে যান, এই ব্যক্তি মোদিজি, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং শিল্পপতিদের কাউকে ছাড়েন নি। কোনও ব্যক্তি সীমা ছাড়িয়ে গেলে সমস্যা তো তৈরি হবেই। এটা কখনই বাক স্বাধীনতা হতে পারেনা। বরং কারও সুপারিশে তিনি এই কাজ করেছেন। অতীতে এই কৌতুকশিল্পী তার আচরণের জন্য বিমানে নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়েছিলেন। এবং তাঁর বিরুদ্ধে জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার অভিযোগও রয়েছে।’

 /

এরপর তাঁর দলের কর্মীদের ভাঙচুর সম্পর্কে শিন্দে বলেন যে, ‘আমি খুবই সংবেদনশীল। আমার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ করা হয়, কিন্তু আমি আমার কাজের মাধ্যমে এর জবাব দিই। আমি ভাঙচুরকে সমর্থন করি না, তবে এটি দলীয় কর্মীদের আবেগের কারণে ঘটেছিল। প্রতিটি কাজেরই প্রতিক্রিয়া থাকে, কিন্তু আমি এটি সমর্থন করি না। কামরার মন্তব্যের পিছনে বৃহত্তর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে। বিরোধী দল কামরাকে দিয়ে এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে।’ গত মাসে মুম্বইয়ের হ্যাবিট্যাট স্টুডিওতে কামরা এই কমেডি শোটি করেছিলেন। যেখানে তিনি দিল তো পাগল হ্যায়-এর ‘ভোলি সি সুরত’ গানের একটি প্যারোডি পরিবেশন করেছিলেন, যেখানে শিন্দেকে উপহাস করার জন্য ‘গদ্দার’ (বিশ্বাসঘাতক) শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। এই উপহাসটি ২০২২ সালে উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধে শিন্দের বিদ্রোহের কথা উল্লেখ করে হয়েছিল, যার ফলে মহারাষ্ট্র সরকার ভেঙে যায় এবং শিবসেনা বিভক্ত হয়ে পড়ে। একনাথ শিন্দে বিজেপিতে যোগ দেন। তাই তাঁকে নাম না করে গদ্দার বলে অভিহিত করেন কামরা। যদিও এই বিতর্কিত বিষয়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নভিশ ক্ষমা চাইতে বললে তিনি তামিলনাড়ু পুলিশে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি কোনও দোষ করেননি। তাই কোনভাবে ক্ষমা চাইবেন না। তবে আইন যা বলবে তাই করবেন তিনি। এবং তাঁকে নিয়ে ওঠা গুজবকেও অস্বীকার করেছেন তিনি। পুলিশকে তাঁর লেন দেন সম্পর্কে খতিয়ে দেখতে বলেছেন। তবে এই বিতর্কে কুণালের পাশে দাঁড়িয়েছেন জয়া বচ্চন, উদ্ধব ঠাকরের মতো একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00