Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ঘুঁটঘুঁটে অন্ধকারে কাঠের খাটে ঘুমিয়ে থাকেন দেবী, কালীপুজোয় নিজের চোখে দেখে আসুন শ্বেতকালীর পুজো

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি : হাতে আর বেশি সময় নেই। কিছুদিন পরেই মর্ত্যে নেমে আসবে আদ্যাশক্তি। দেবী কালীর আগমনে দূর হবে সমস্ত অন্ধকার। দেবী কালীর আরাধনায় মেতে উঠবে ভক্তরা। কালী হলেন আদ্যাশক্তি। সর্বপ্রাণীকে ‘কলন’ অর্থাৎ গ্রাস করেন করেন যিনি তিনি হলেন ‘মহাকাল’। আর সেই মহাকালকেই গ্রাস করেন যে আদ্যাশক্তি তা হল ‘কালিকা’। কালকে কলন করেই তিনি কালী। তিনি অশুভ শক্তিনাশ করেছেন।গলায় তার প্রতীক হিসেবে পরেছেন দানবমুণ্ডমালা। শিব হল সত্য বা বাস্তব আর তাঁর শক্তি হল স্বয়ং কালী। দেবী কালি হলেন দশমহাবিদ্যার প্রথম দেবী। দেবী কালীর কথা উঠলে, চোখের সামনে ভেসে ওঠে রক্তবর্ণ চোখ, লোলজ্বিহা, এলোকেশী, ঘোর কৃষ্ণবর্ণা, হাতে খড়গ। আপনি কী জানেন দেবী কালীর গায়ের রং কোথাও নীল,কোথাও বা ঘোর কৃষ্ণবর্ণা, আবার কোথাও শ্বেতবর্ণা। জানেন কী পশ্চিমবঙ্গের কোথায় কোথায় শ্বেতবর্ণা কালীর পুজো হয় ? পশ্চিমবঙ্গেই ৪টি জায়গায় শ্বেতকালী রূপে পুজো হয় মা কালীর। জেনে নিন সেই ঠিকানা।

পশ্চিম বর্ধমানের কুলটির শ্বেতকালী : পশ্চিম বর্ধমানের কুলটিতে প্রত্যেক বছর পুজো হয় শ্বেতবর্ণা কালীর। এই শ্বেতকালীকে দেখতে ভক্তরা ছুটে আসেন দূর দূরান্ত থেকে। শোনা যায় এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা ও পূজারী মধুময় ঘোষ মা কালীর স্বপ্নাদেশ পেয়েছিলেন। সেই থেকে চলে আসছে এই পুজো। ২০০৫ সালে দেবীর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন পূজারী মধুময় ঘোষ। কথিত আছে, এক কালে নাকি শ্রীরামকৃষ্ণ এই রূপ কালীর দর্শন পেয়েছিলেন। এখানে দেবী ফলহারিণী কালী রূপে পুজিতা হন।

বীরভূমে অজয়পুরের শ্বেত কালী: বীরভূম জেলার সদর শহর সিউড়ি থেকে মাত্র ৫ কিমি দূরে ময়ূরাক্ষী নদীর তীরে এক ছোট্ট ও স্নিগ্ধ গ্রাম অজয়পুর। সেখানেও দেখা মেলে শ্বেত কালীর। ১৯৭৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় নদীর অন্য পাড়ের একটি গ্রাম ভেসে যায়। সেখানকার গৃহহীন অসহায় মানুষেরা এই অজয়পুরে এসে বসতি স্থাপন করেছিলেন। সেই থেকে পুজিতা হয়ে আসছেন শ্বেতকালী। শোনা যায় একজন সাধু অজয়পুরে এসে বসতি স্থাপন করার পরে শ্বেতকালীর পুজো শুরু করেন। তাঁর মৃত্যুর আগে এই পুজোর দায়ভার দিয়ে যান তাঁর এক শিষ্য হৃষিকেশ মাহারাকে। বর্তমানে তাঁরই বংশধরেরা এই পুজো করে আসছেন।

আরও পড়ুন :  দাঁত দিয়ে জিভ কামড়ে ধরে আছেন দেবী, জানেন কী কেন লোলজিহ্বা মা কালীর?

রাজবলহাটের শ্বেত কালী:  হুগলি জেলার রাজবলহাট বিখ্যাত রাজবল্লভী দেবী মন্দিরের জন্য। ঐতিহাসিকের মতে, এই মন্দির প্রায় ৮০০ বছরের পুরনো। কেউ বলেন, ১২৪২ খ্রিস্টাব্দে তৎকালীন রাজবলহাটের রাজা সদানন্দ রায় এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।আবার কেউ মনে করেন,ষোড়শ শতকে রাজা রুদ্রনারায়ণ রায় ছিলেন এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা। কথিত আছে, এই মন্দিরেই নাকি পঞ্চমুণ্ডি আসনে বসে এককালীন তন্ত্র সাধনা করেছিলেন রাজা সদানন্দ রায়। স্থানীয়দের বিশ্বাস, রাতের ঘুঁটঘুঁটে অন্ধকারে এই মন্দিরের কাঠের খাটে ঘুমিয়ে থাকেন দেবী। তামাক সেবনও করে থাকেন মাঝেমধ্যে।

আঁটপুর, হুগলী শ্বেতকালী : বহু বছর ধরে হুগলীতে শ্বেতকালী মায়ের পুজো হয়ে আসছে। স্থানীয়রা মনে করেন, আঁটপুরের সিদ্ধেশ্বরী শ্বেতকালী ও পার্শ্ববর্তী গ্রাম রাজবলহাটের রাজবল্লভী দুই বোন। গড় ভবানীপুরের রাজা সদানন্দ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন রাজবলহাটের দেবী রাজবল্লভীকে। আর রানি তারাদেবী স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই সিদ্ধেশ্বরী শ্বেত কালীকে আঁটপুরে প্রতিষ্ঠা করেন। শোনা যায়, স্বপ্নে নাকি দেবী জানিয়েছিলেন তাঁর রূপের কথা। তাই স্বপ্নাদেশ মত দেবীর গায়ের রং পূর্ণিমার পূর্ণচন্দ্রের মত  দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন :  জানেন কী, মা কালীর পায়ে জবার স্থান সর্বাগ্রে কেন ?

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00