Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ঢাকায় বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুরের পর আগুন ধরিয়ে দিল রাজাকাররা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি ঢাকা: ফের ফিরল ৫ অগস্টের ভয়াবহ স্মৃতি। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে ফের বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িতে ঢুকে তাণ্ডব চালানোর পাশাপাশি আগুন জ্বালিয়ে দিল পাকিস্তানপন্থী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। ওই ভাঙচুরের নেতৃত্বে রয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক তথা পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের এজেন্ট হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, রাজাকারপন্থী সংগঠন জাতীয় নাগরিক কমিটির নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারি ও আখতার হোসেন। ইতিমধ্যেই ধানমন্ডির বাড়ির একাধিক গেট ভেঙে ভিতরে ঢুকে মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র আগুনে পোড়ানর পাশাপাশি বাড়িতে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র ভেঙে গুঁড়িয়ে ফেলা হয়েছে। তাণ্ডবকারীদের রণংদেহী মূর্তি দেখে প্রাণ নিয়ে পালাতে শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সবচেয়ে বিষ্ময়ের ব্যাপার ওই ভাঙচুরে হাত লাগিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের কর্মীরাও।

 গত ৫ অগস্ট সেনা বিদ্রোহের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে দিল্লি চলে গিয়েছিলেন ত‍ৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার পরেই ঢাকার বিজয় সরণিতে বাংলাদেশের স্রষ্টা শেখ মুজিবের মূর্তি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের মদতপুষ্ঠ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী-সমর্থকরা। ওই ভাঙচুরের নেতৃত্বে অবশ্য ছিলেন ইজরায়েলি গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের এজেন্ট তথা গণ অধিকার পরিষদের নেতা নুরুল হক নূর। ওই দিনই মুক্তিযুদ্ধের সুতিকাগার হিসাবে পরিচিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িতে ঢুকে হামলা চালানো হয়। অগ্নিসংযোগ করা হয় বাড়িটিতে। ওই ভাঙচুরের নেতৃত্বে ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই শীর্ষ নেতা সারজিস আলম ও আবদুল হাসনাত। ওইদিন বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত বাড়িটিতে থাকা মুক্তিযুদ্ধের অনেক প্রামাণ্য দলিল ও গণহত্যাকারী পাক ফৌজের বিভিন্ন অপকর্মের দস্তাবেজ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

শেখ হাসিনা জমানার অবসানের পরেই বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসীন হয় কুখ্যাত রাজাকার মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার। তিনি সরাসরি বঙ্গবন্ধুর মূর্তি ভাঙচুর এবং ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িতদের প্রশংসা করেন। বাংলাদেশের মাটিতে ‘পাকিস্তানের ঘোষিত শত্রু’ বঙ্গবন্ধুর কোনও নামগন্ধ রাখা হবে না বলে হুঙ্কারও ছেড়েছিলেন। ক্ষমতায় আসার কয়েকদিনের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হাতে গড়া ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।

এদিন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের এক সভায় ভার্চুয়ালি ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল দেশত্যাগী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। ওই খবর রটে যেতেই ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িতে হামলা চালানোর জন্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেন মোল্লা ইউনূস। সেই নির্দেশ মেনেই পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের এজেন্ট সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারি এবং আখতার হোসেনের নেতৃত্বে কয়েকশো রাজাকার পড়ুয়া আগ্নেয়াস্ত্র ও মশাল নিয়ে ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িতে হাজির হয়। সূত্রের খবর, ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িতে পাকিস্তানপন্থী ছাত্র জোটের নেতা-কর্মীদের বাধা না দেওয়ার জন্য সেখানে মোতায়েন পুলিশ কর্মী ও আধিকারিকদের নির্দেশ দেন ঢাকার পুলিশ কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী। ফলে অনায়াসেই মুক্তিযুদ্ধের সুতিকাগার হিসাবে পরিচিত ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িতে ঢুকে প্রথমে ব্যাপক তাণ্ডব চালায় রাজাকার পড়ুয়ারা। তার পরে আগুন ধরিয়ে দেয়। হামলার নেতৃত্বে থাকা হাসনাত আবদুল্লা সাংবাদিকদের বলেন, ‘শেখ মুজিবের কোনও চিহ্ন বাংলাদেশের মাটিতে রাখতে চাই না।’

 

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00