Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

বাংলাদেশের সংবিধান থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ বাদ দেওয়ার বিরোধিতা খালেদার দলের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: সংবিধানের প্রস্তাবনা থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’, ‘জাতীয়তাবাদ’ ও ‘সমাজতন্ত্র’ শব্দগুচ্ছ বাদ দেওয়ার বিরোধিতা করল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দল। আজ রবিবার (২৩ মার্চ) জাতীয় ঐক্যমত কমিশনে নিজেদের মতামত জানাতে গিয়ে স্পষ্টভাবেই ১৯৭২ সালের সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলানোর বিরোধিতায় সুর চড়িয়েছে দলটি। এমনকি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে ২০২৪ সালের শেখ হাসিনা উচ্ছেদ আন্দোলনকে এক সারিতে নিয়ে আসার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে।

এদিন জাতীয় ঐক্যমত কমিশনে নিজেদের সুপারিশ জমা দেওয়ার পরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল প্রস্তাবনা। সেটি পুরোপুরি পরিবর্তন বা সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। অনেকটা পুনর্লিখনের মতো। সেখানে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধের সঙ্গে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানকে এক কাতারে আনা হয়েছে। এটা সমুচিত বলে বিএনপি মনে করে না। এটাকে অন্য জায়গায় রাখা বা সংবিধানের তফসিল অংশে রাখার বিভিন্ন রকম সুযোগ আছে। সেটা আলোচনা করে করা যাবে। বিএনপি পঞ্চদশ সংশোধনের আগের অবস্থায় যে প্রস্তাবনা ছিল, সেটির পক্ষে।’

গত ৫ অগস্ট সেনা বিদ্রোহের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়েছিলেন ত‍ৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর জায়গায় বাংলাদেশে ক্ষমতার কুর্সিতে আসীন হন পাকিস্তান গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের পোষ্যভৃত্য তথা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি নিধন চালানো রাজাকার বাহিনীর শীর্ষ নেতা মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূস। ক্ষমতা দখলের পরেই নিউইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, বাংলাদেশে রিসেট বাটনে চাপ দেওয়া হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলে নয়া ইতিহাস লেখা হবে। কয়েক লক্ষ শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে ইতিমধ্যেই নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘জাতির পিতা’ স্বীকৃতি কেড়ে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনে হিন্দু ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তানদের নিয়োগও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বিচার ব্যবস্থা থেকে শুরু করে পুলিশ ও প্রসাসনের শীর্ষ পদে বসানো হয়েছে রাজাকার ও জঙ্গি পরিবারের সন্তানদের। একাধিক বিচারপতি ও পুলিশ সুপার পদে নিয়োগ করা হয়েছে কুখ্যাত জঙ্গিদের।

বাংলাদেশকে ইসলামিক রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে তুলতে এবং শরিয়াহ সংবিধান চালু করতে কুখ্যাত রাজাকার এবং জঙ্গি সংগঠন ‘আল্লাহর দল’ এর আন্যতম প্রতিষ্ঠাতা আলী রিয়াজের নেতৃত্বে সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করেছিলেন মোল্লা ইউনূস। কমিশনের সদস্য হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছিল পাকিস্তান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গুপ্তচর সংস্থার পেজ এজেন্ট এবং কট্টর হিন্দু বিদ্বেষীদের। গত ১৫ জানুয়ারি কমিশনের তরফে একগুচ্ছ সুপারিশ সম্বলিত রিপোর্ট তুলে দেওয়া হয়। ওই রিপোর্টে সংবিধানে ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ এর পরিবর্তে ‘জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ’ ও ‘প্রজাতন্ত্রের’ পরিবর্তে ‘নাগরিকতন্ত্র’ শব্দ ব্যবহারের সুপারিশ করা হয়েছে। সংবিধানের প্রযোজ্য সব ক্ষেত্রে ‘প্রজাতন্ত্র’ এবং ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ শব্দের পরিবর্তে ‘নাগরিকতন্ত্র’ এবং ‘জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ’ শব্দ ব্যবহারেরও সুপারিশ করেছে কমিশন।  সেই সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ ও সমাজতন্ত্র বাদ দেওয়ারও সুপারিশ করা হয়েছে। অর্থা‍ৎ বাংলাদেশে হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধদের দ্বিতীয় শ্রেণির নগরিক হিসাবে গণ্য করার সুপারিশ করা হয়েছে।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00