Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

‘মন্দিরে হামলা নিয়ে বিদেশ মন্ত্রীর মন্তব্য খুনিদের আড়াল করবে’, তোপ হিন্দু নেতাদের

বিদেশ মন্ত্রীর কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্য প্রত্যাহারেরও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, নোয়াখালী: দুর্গাপুজোর সময়ে দেশের বিভিন্ন মন্দিরে হামলার ঘটনা নিয়ে বিদেশ মন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের বিতর্কিত মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে সরব হলেন নোয়াখালীর  হিন্দু নেতারা। শনিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে হিন্দু সংগঠনের নেতারা বিদেশ মন্ত্রীর অবিবেচনাপ্রসূত মন্তব্যের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেছেন, ‘তাঁর এই ধরনের মন্তব্য খুনি ও দুষ্কৃতীদের আড়াল করবে।’

দুর্গাপুজোর অষ্টমীর দিন কুমিল্লার নানুয়া দীঘির পাড়ের এক পুজোমণ্ডপে কোরআন শরীফ রাখার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গত ১৫  অক্টোবর নবমীর দিনে নোয়াখালীর চৌমুহনীতে ইসকন সহ একাধিক মন্দিরে হামলা চালায় মুসলিম মৌলবাদীরা। পাশাপাশি হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি ও দোকানেও ভাঙচুর চালানো হয়।

যদিও দুর্গাপুজোর সময়ে দেশের কোনও মন্দিরে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়নি বলে আজব দাবি করেছিলেন বিদেশ মন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। বরং সংবাদমাধ্যমের একাংশ এ বিষয়ে মিথ্যা খঙর প্রচার করছে বলে অভিযোগ করে পুজো উদ্যোক্তাদেরও ঘুরিয়ে দায়ী করেছিলেন। বিদেশ মন্ত্রীর ওই বক্তব্যে কার্যত বিস্মিত হয়েছিলেন দেশের হিন্দু নেতারা।

এদিন বিদেশ মন্ত্রীর কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন নোয়াখালীর বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের নেতারা। উপস্থিত ছিলেন হিন্দু  বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের জেলা আহ্বায়ক বিনয় কিশোর রায়, ইসকন মন্দির অধ্যক্ষ রসপ্রিয় দাস অধিকারী, উৎপল সাহা। সাংবাদিক সম্মেলনে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের জেলা সদস্য সচিব পাপ্পু সাহা বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা চলাকালীন গত ১৫ অক্টোবর দুপুর ২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দুষ্কৃতিকারীরা চৌমুহনীর ১১টি মন্দির পাঁচটি পূজামণ্ডপসহ বেশ কয়েকটি দোকান ও বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। হামলাকারীরা বিজয়া সর্বজনীন দুর্গা মন্দিরের সদস্য ও ইসকন ভক্ত যতন সাহা ও চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে। একজনের মরদেহ ইসকনের পুকুরে ফেলে দেয়। গণমাধ্যম থেকে দেশের মানুষ চৌমুহনীর নারকীয় তাণ্ডবের ভয়াবহতা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। ঘটনার পর ধর্ম প্রতিমন্ত্রী, ভারতীয় ডেপুটি হাই কমিশনার, মানবাধিকার সংস্থার পদাধিকারী সহ অনেকে  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে হামলাকে ইতিহাসের জঘন্য বলে উল্লেখ করেছেন। অথছ বিদেশ মন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন সংখ্যালঘুদের ওপর সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনাকে কিছু অতি উৎসাহী সংবাদমাধ্যমের বানোয়াট গল্প বলে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর এই মন্তব্যে আমরা হতবাক এবং মনে করছি এই বক্তব্য খুনি ও দুষ্কৃতিকারীদের আড়াল করবে। বিদেশ মন্ত্রীকে ওই মন্তব্য প্রত্যাহারের অনুরোধ জানাচ্ছি।’ 

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00