Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

‘মানবিক করিডর’ নিয়ে ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ তিন বাহিনীর প্রধানের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: মায়ানমারের রাখাইনে ‘ত্রাণ’ পাঠানোর অছিলায় ‘মানবিক করিডর’-এর আড়ালে সেন্ট মার্টিন-সহ পাবর্ত্য চট্টগ্রামের একাংশ মার্কিন সেনার হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তদারকি সরকার। ওই মানবিক করিডর নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই মোল্লা মহাম্মদ ইউনূস সরকারের সঙ্গে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ জামানের সঙ্ঘাত চলছিল। মঙ্গলবার (২০ মে) ওই সঙ্ঘাত চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছল। ‘মানবিক করিডর’ নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তকে মানা হবে না বলে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন দেশের তিন বাহিনীর প্রধান। ফলে খানিকটা হলেও অস্বস্তিতে পড়েছে মোল্লা ইউনূসের সরকার।

সূত্রের খবর, আরাকান আর্মিকে সহায়তার জন্য মানবিক করিডর নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই সরকারের শীর্ষ মহলের সঙ্গে বিরোধ চলছে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানের। যদিও জামায়াত ইসলামী ও পাকিস্তানপন্থী সেনা কর্তা হিসাবে পরিচিত লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফইজুর রহমান (কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল), লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসান (প্রিন্সিপ্যাল স্টাফ অফিসার), মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম সরকারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আদিল চৌধুরী, নবম পদাতিক বাহিনীর জিওসি মেজর জেনারেল মঈন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিনুর রহমান-সহ বিভিন্ন সেনা নিবাসের অধিকাংশ কমান্ডারই জেনারেল ওয়াকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছেন। গত কয়েকদিন ধরে সেনাপ্রধান ওয়াকারকে ‘মানবিক করিডর’-এর বিষয়টি মেনে নেওয়ার জন্য বোঝানোর চেষ্টা চালান সিআইএ’র চর তথা বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। যদিও তাতে লাভ হয়নি। উল্টে ‘মানবিক করিডরের’ ফলে ভবিষ্যতে কীভাবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে তা বোঝাতে ওয়াকারের ঘনিষ্ঠ সেনা আধিকারিকরা গত কয়েকদিন ধরে বিএনপি-সহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।

সূত্রের খবর, ‘মানবিক করিডর’-এর বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার (২০ মে) সন্ধ্যায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডাকেন তদারকি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। ‘যমুনা’য় ওই বৈঠকে মোল্লা ইউনূস ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। ওই বৈঠকে সেনা ও নৌপ্রধান আমেরিকার পরিকল্পনামতো মানবিক করিডর গড়ে তোলার বিরোধিতা করান। এক পর্যায়ে তিন বাহিনীর প্রধানের উদ্দেশে ইউনূস বলেন, ‘শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয়, জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব অ্যান্তিনিও গুতেরেসও মানবিক করিডর চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন। আপনাদের নিশ্চয়ই জানা আছে, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদের ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসঙ্ঘ আমাদের কীভাবে সাহায্য করেছে। এখন যদি ওদের দাবি মেনে সেন্ট মার্টিন-সহ পার্বত্য চট্টগ্রামের একাংশ তুলে না দেওয়া হয়, তা হলে বাংলাদেশের উপরে ওরা নিষেধাজ্ঞা চাপাবে, শান্তিবাহিনীতে বাংলাদেশ সেনা থেকে জওয়ান-আধিকারিকদের নেবে না। এমনকি আইএমএফ-বিশ্ব ব্যাঙ্কের ঋণও আটকে দেবে। তাই জলে থেকে কুমিরের সঙ্গে সঙ্ঘাত সুখকর হবে না।’ যদিও তাতে চিড়ে ভেজেনি। সেনাপ্রধান স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘আগে রোহিঙ্গা ফেরত যাবে, এর পরে করিডোরের বিষয়ে আলোচনা হবে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে।’ তিন বাহিনীর প্রধান একই সুরে বলেন, ‘সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলুক সরকার। বৃহত্তম রাজনৈতিক দলগুলি মানবিক করিডর চালুর পক্ষে থাকলে সামরিক বাহিনীর কোনও আপত্তি নেই।’

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00