Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

কেষ্টগড়ে যুগলবন্দী জেএমবি ও মাওবাদী, নজরে পাঁচামি

এই দুই মানবঘাতী বাহিনী ৬০ লক্ষ টাকা দিয়ে ঝাড়খণ্ডের এক কারখানা থেকে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট আর ডিটোনেটর কিনে তা পাঁচামিতে নিয়ে আসছিল।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বড়সড় বিপদ দানা বেঁধেছে অনুব্রত মণ্ডলের জেলা বীরভূমে(Birbhum)। সম্প্রতি এই জেলার নলহাটি ও মহম্মদবাজার থানা এলাকায় রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স(STF) বা এসটিএফের হাতে ধরা পড়েছে বিপুল পরিমাণে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও ডিটোনেটর, যা সাধারনত বিস্ফোরক হিসাবেই ব্যবহৃত হয়। আর এই ঘটনার তদন্তে নেমেই তদন্তকারীদের সামনে এসেছে এক নীল নকশা। পাঁচামিতে(Panchami) রাজ্য সরকার যে কয়লাখনি শিল্প গড়ে তুলতে চাইছে সেই প্রক্রিয়ায় বাধা দিতে সেখানে ঘাঁটি গেড়েছে মাওবাদীরা(Maoist)। শুধু তাই নয়, এদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে জেলায় শাখা প্রশাখা ছড়াচ্ছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবি(JMB)। পরিবর্তে তারা মাওবাদীদের অস্ত্র পাচার করে চলেছে। আর এই ঘটনা সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ প্রশাসন।

রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গত বৃহস্পতি ও শুক্রবারে সাড়ে ২৭ হাজার কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও ৮১ হাজার ডিটোনেটর উদ্ধার করে। অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সাধারণত বিস্ফোরণ সহায়ক উপকরণ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ডিটোনেটর সরাসরি বিস্ফোরণ ঘটায়। এই ভয়ঙ্কর দুটি জিনিস কীভাবে জেলায় এল আর কাদের জন্য তা পাচার করা হচ্ছিল সেই ঘটনার তদন্তে নামতেই কার্যত গোটা বিষয়টি এসটিএফ কর্তাদের সামনে চলে এসেছে। গত বৃহস্পতিবার ডিটোনেটর বোঝাই যে ম্যাটাডরটি মহম্মদবাজার থানা এলাকায় ধরা পড়ে তার চালক আশিস কেওড়াকে এসটিএফ কর্তারা গ্রেফতার করেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু বিস্ফোরক তথ্য পান তদন্তকারীরা। তাঁরা জানতে পারেন, এর আগে আশিসকে বাংলার বুকেই পুলিশ গ্রেফতার করেছিল তিন-তিনবার। তাও আবার বিস্ফোরক পাচারের ঘটনাতেই। কিন্তু কোনও এক অজ্ঞাতকারণে লঘু ধারায় অভিযুক্ত হয়ে জামিনও পেয়ে যায় সে। শুধু তাই নয়, শেষবার ও সে ডিটোনেটর সহই ধরা পড়ে। অথচ তার বিরুদ্ধে পুলিশ সেই সময়ে চুরির অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় মামলা দায়ের করেছিল। কেন তা করা হয়েছিল সেটাও এখন খতিয়ে দেখা শুরু করেছেন এসটিএফ কর্তারা।

একই সঙ্গে এসটিএফ কর্তারা আশিসের অপরাধমূলক ঘটনার ট্র্যাকরেকর্ড চেক করতে গিয়ে চমকে উঠেছেন কার্যত। কেন না তাঁরা জানতে পারেন বর্ধমান শহরের খাগড়াগড় বিস্ফোরণের ঘটনায় এই আশিসই বিস্ফোরক পৌঁছে দেওয়ার কাজ করেছিল। এখন তাকে জেরা করে এসটিএফ কর্তারা জানতে পেরেছেন যে রিন্টু শেখ নামে এক গোডাউন মালিক বিস্ফোরক মজুত এবং তা ‘সুনির্দিষ্ট’ জায়গায় পাঠানোর বরাত নিয়েছিল। সেই আসিসের মাধ্যমে ডিটোনেটর পাঠাচ্ছিল পাঁচামিতে মাওবাদীদের কাছে। এসটিএফের ধরপাকড় শুরু হতেই রিন্টুর সঙ্গেই নলহাটি-মহম্মদবাজার এলাকার আরও তিন-চার জন ‘বড় মাথা’ গা-ঢাকা দিয়েছে। তাদের খোঁজ চালাচ্ছে এসটিএফ। আর খোঁজ চালাতে গিয়েই তাঁরা জানতে পেরেছেন পাঁচামিতে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে পাঁচামিতে ঘাঁটি গেড়েছে মাওবাদীদের ২-৩টি সেল। তাঁদের হাতে অস্ত্র পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছে জেএমবি। পরিবর্তে মাওবাদীরা জেএমবি’র সদস্যদের আত্মগোপনের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। এই দুই মানবঘাতী বাহিনী ৬০ লক্ষ টাকা দিয়ে ঝাড়খণ্ডের এক কারখানা থেকে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট আর ডিটোনেটর কিনে তা পাঁচামিতে নিয়ে আসছিল। কিন্তু সৌভাগ্যবশ্বত তা এসটিএফের হাতে ধরা পড়ে যায়।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00