Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

১৫ বছরের বেশি ১০ লক্ষ যানবাহনে পড়তে চলেছে হাতুড়ি

মে মাস থেকে তিন দফায় রাজ্যজুড়ে প্রায় ১০ লক্ষের বেশি দূষণ ছড়ানো যানবাহন রাস্তায় নামা বন্ধ করে দিতে চলেছে রাজ্য সরকার। ধাক্কা গণপরিবহণে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বৃহত্তর কলকাতায় দূষণ ঠেকাতে এবার কোমর বেঁধে নামছে রাজ্য পরিবহণ দফতর(State Transport Department)। কেননা নির্দেশ এসেছে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল(National Green Taribunal) থেকে। সেই নির্দেশে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে ১৫ বছরের বেশি বাণিজ্যিক এবং ব্যক্তিগত গাড়ি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। সেই নির্দেশ মেনে মে মাস থেকে রাজ্য পরিবহণ দফতর রাজ্যজুড়ে অভিযান শুরু করতে চলেছে। সূত্রে জানা গিয়েছে মে মাস থেকে তিন দফায় রাজ্যজুড়ে প্রায় ১০ লক্ষের বেশি দূষণ ছড়ানো যানবাহন রাস্তায় নামা বন্ধ করে দিতে চলেছে রাজ্য সরকার(State Government)। একই সঙ্গে বৃহত্তর কলকাতায় মেয়াদ ফুরানো এই গাড়ির প্রবেশ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করতে অত্যাধুনিক ক্যামেরা বসাবে পরিবহণ দফতর। হাওড়া, বারাসত, কল্যাণী, ব্যারাকপুর সহ শহরে ঢোকার বিবিধ রাস্তার প্রবেশপথে বসবে ওই অটোমেটিক নাম্বার প্লেট রেকগনিশন (এএনপিআর) ক্যামেরা। ফলে সরকারি খাতায় বাতিল হওয়া গাড়ি ওই পথে গেলেই দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসবে। তারপর প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন।       

জানা গিয়েছে, মে মাসের প্রথম দিক থেকেই ১৫ বছরের মেয়াদ উত্তীর্ণ গাড়ির মালিকদের ঠিকানায় নোটিস পাঠাবে রাজ্য পরিবহণ দফতর। মালিকদের ডেকে ১৫ বছরের বেশি পুরাতন গাড়ি রাস্তায় না নামানোর অনুরোধ জানাবেন আধিকারিকরা। মে ও জুন মাস ধরে সেই শুনানি পর্ব চলবে। তারপরেই শুরু হবে আসল অভিযান। রাজ্যে ১৫ বছরের বেশি রাস্তায় চলছে কোন কোন গাড়ি সেগুলিকে চিহ্নিত করে তা কালো তালিকাভুক্ত করার কাজ শুরু হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে তা ভাঙার প্রক্রিয়াও শুরু করে দেবে রাজ্য সরকার। সেই লক্ষ্যে কিছু দিনের মধ্যেই নিজস্ব ‘স্ক্র্যাপ পলিসি’(Scrap Policy) ঘোষণা করতে চলেছে নবান্ন(Nabanna)। গাড়ি ভাঙার জন্য নির্দিষ্ট বেসরকারি সংস্থা নির্বাচন করে প্রয়োজনীয় অনুমতি দেওয়া হবে। জমি, পরিকাঠামো তৈরির দায়িত্বও থাকবে ওই সংস্থার হাতে। নবান্ন কেবলমাত্র লাইসেন্স দেবে। বাতিল গাড়ির বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব সিএনজি এবং ইলেকট্রিক যানকে অগ্রাধিকার ও উৎসাহ দিচ্ছে রাজ্য। সেক্ষেত্রে ব্যাপক আর্থিক ছাড় পাবেন মালিকরা।

তবে এই অভিযানে সব থেকে বড় সমস্যা তৈরি হতে চলেছে গণপরিবহণের ক্ষেত্রে। এমনিতেই জ্বালানির দামবৃদ্ধির জেরে রাস্তায় বাসের সংখ্যা কমেছে। অনেক বাস মালিকই রাস্তায় বাস নামাতে চাইছেন না। নামালেও রোজ নামাচ্ছেন না। এই অবস্থায় ১৫ বছরের বেশি বাস বা মিনিবাস যদি বাতিল করে দেওয়া হয় তাহলে সেই শূন্যস্থান আদৌ আর পূরণ হবে কিনা তা নিয়ে খটকা থেকেই যাচ্ছে। কেননা নতুন বাস কিনে তা রাস্তায় নামিয়ে নিজেদের ব্যবসা বজায় রাখতে চাইছেন না অনেক বেসরকারি বাস মালিকেরা। তাঁরা কার্যত পুরাতন বাস বসিয়ে দিচ্ছেন। তাঁদের দাবি, জ্বালানির দাম বাড়লেও রাজ্য সরকার ভাড়া বাড়াচ্ছে না। দাম বেড়েছে গাড়ির যন্ত্রাংশেরও। রাস্তায় রাস্তায় পুলিশি হেনস্থার ঘটনাও বেড়েছে। একই সঙ্গে ফি বাবদ মোটা টাকা গুণতে হচ্ছে। তার ওপর রয়েছে বাস চালক, কন্ড্রাক্টর, খালাসিকে টাকা দেওয়া বিষয়। আর এইসব মিটিয়ে পর্যাপ্ত টাকা মালিকের হাতে আসছে না যা দিয়ে সংসার টেনে বাস কেনার ঋণ সুদ সহ পরিশোধ করা যাবে। তাই তাঁরা পুরাতন বাস বসিয়ে দিলেও নতুন বাস কিনা তে রাস্তায় নামানোর পথে হাঁটা দিতে চাইছেন না। কার্যত তাঁরা পরিবহণ ব্যবসা থেকেই সরে যাচ্ছেন ধীরে ধীরে। এই অবস্থায় রাজ্য সরকার ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালের রায় কড়া ভাবে কতটা মানতে পারবে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। কেননা কড়া ভাবে মানলে রাস্তা থেকে আরও বাস উধাও হয়ে যাবে। মাঝখান থেকে চূড়ান্ত ভোগান্তির মুখে পড়বে আমজনতা।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00