Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

জন্মাষ্টমীতে উপবাস করছেন? গ্যাস-অম্বলের সমস্যা এড়াতে কী কী নিয়ম মানবেন?

জন্মাষ্টমীতে উপবাস রাখবেন? যারা নিষ্ঠাভাবে জন্মাষ্টমী পালন করবেন, তাদের এবার রাত থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত না খেয়ে থাকতে হবে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: জন্মাষ্টমীতে উপবাস রাখবেন? যারা নিষ্ঠাভাবে জন্মাষ্টমী পালন করবেন, তাদের এবার রাত থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত না খেয়ে থাকতে হবে। বিশেষ করে, বাড়ির মা, ঠাকুরমা বা অন্যান্য বয়স্করা নিষ্ঠা ভাবেই জন্মাষ্টমীর পুজো করবেন। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ উপোস করে থাকলে শরীরে নানারকমের অসুবিধা হতে পারে। বিশেষ করে, এখন ঘরে ঘরেই সুগার প্রেশারের রোগী, পাল্লা দিয়ে গ্যাস-অম্বল সমস্যায়ও ভুগছেন ছোটরা। তার মধ্যে উপোস করে থাকলে শরীরে অনেক সমস্যার দেখা দেবে। কিন্তু নিয়ম তো মানতেই হবে। বিশেষ করে, জন্মাষ্টমীর পুজো মানে লুচি, তালের বড়া, ক্ষীর বা পায়েস কত কী, একাধিক ভোগ রান্না করা, গোপালকে নিবেদন করা। কিন্তু ঠাকুর তো আর কিছু খাবেন না, তাই উপোস ভেঙে সেই সবই নিজেকেই খেতে হবে। যার ফলে অম্বলের সমস্যা আরও বাড়বে। তাহলে কী উপায়?

এই বিষয়ে একজন পুষ্টিবিদ বলেছেন, এক্ষেত্রে উপোস করতে পারেন। কিন্তু খাবারে বেশি তরল খাবার রাখতে হবে। প্রয়োজনে নির্জলা উপোস বাদ দিন, যাদের অম্বলের ধাত আছে অথবা রক্তচাপের ওষুধ খান, তারা উপোস ভেঙে ভারী খাবার খাবেন না। সেক্ষেত্রে তাঁরা ডাবের জল, লস্যি, লেবুর জল খান। এছাড়া উপোস করলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খান, তাতে সমস্যা কম হবে। পারলে সকালে ঈষদুষ্ণ জলে সামান্য সৈন্ধব লবণ ও আধখানা লেবুর রস বা মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। মনে রাখবেন, পেট খালি রাখা একেবারেই যাবে না। সারাদিন ধরে ফলের রস, ঘোল, শরবতের মতো তরল খান। এক্ষেত্রে ডাবের জল বা বেলের পানা খেলেও উপকার হবে। তবে উপোস করলেও কিন্তু ওষুধ নিয়মিত খাবেন, সেটা কিন্তু বাদ দেবেন না। উপোস করলে সবচেয়ে বেশি যে সমস্যা হয়, ডিহাইড্রেশনের। পাশাপাশি, ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। তাই শরীর ঠিক রাখতে পর্যাপ্ত তরল খাবার খেতেই হবে।

আর উপোস ভাঙার পরে পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী, ভাজাভুজি, বেশি তেলমশলা দেওয়া খাবার খাওয়া যাবে না। জন্মাষ্টমীর দিন লুচি, তালের বড়া, পায়েস বাড়িতে হবেই। কিন্তু তা স্বল্প পরিমাণে খান, নয়তো বদহজমের সমস্যা দেখা দেবে। পাশাপাশি খেজুর, কলা জাতীয় ফল খেয়ে উপোস ভাঙতে পারেন। এই জাতীয় ফল রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে শক্তি জোগায়। এছাড়া নারকেল, কাজুবাদাম, কাঠবাদাম, আখরোট খেতে পারেন। ফলের মধ্যে আপেল, কলা, নাশপাতি, বেদানা, পেয়ারা জাতীয় ফল খান। ভুলেও টক জাতীয় ফল খাবেন না। পারলে আগে থেকে সাবু ভিজিয়ে রাখুন। উপোস ভেঙে সাবুর সঙ্গে কলা ও কিছু ফল মিশিয়ে খান। তাতে শরীরের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00