Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

প্রেক্ষাগৃহে বাংলা ছবির ‘বাধ্যতামূলক’ প্রদর্শন নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ইদানিং সময়ে প্রায়ই একটি কথা শোনা যায়। সেটি হল ‘বাংলা সিনেমার পাশে দাঁড়ান’। বহুদিন ধরে অভিযোগ হিন্দি বলয়ে নির্মিত তথাকথিত বলিউড ছবির জন্য নিজের রাজ্যে পিছিয়ে পড়ছে বাংলা ছবি। বহু সিনেপ্রেমী থেকে শুরু করে পরিচালক-প্রযোজকদের অভিযোগ থাকে বাংলা সিনমা হল মালিকরা বেশিদিন রাখতে চান। কখনও কখনও কোনও বাংলা ছবি তো হলই পায় না। প্রথমত এখন হল বলে আর কিছু নেই, যা আছে তা হল মাল্টিপ্লেক্স। সেই সব মাল্টিপ্লেক্সে বহুমূল্য টিকিট কেটে বাংলা সিনেমা দেখতে আসেন না মানুষ, প্রেকশাগৃহ মালিকদের দাবি ছিল এমনটাই। এ নিয়ে জল্পনা চলছিল বহুদিন ধরেই। তাই বাংলা সিনেমার শো দেওয়া হয় না প্রেক্ষাগৃহে বা সরিয়ে নেওয়া হয় খুব তাড়াতাড়ি- এই ঘটনা নতুন নয়। বর্তমানে তো আবার বাংলারে ব্বুকে দাঁড়িয়ে মাল্টিপ্লেক্স মালিকদের কাছে তামিল, তেলুগু , মালয়ালম বা কন্নড় ছবির যা গুরুত্ব আছে বাংলা ছবির তা নেই।

তাই এই সব ভিনভাষী ছবি রমরমিয়ে রাজত্ব করলেও বাংলা ছবি রাজত্ব করছে সব প্রেক্ষাগৃহে, একথা আজ খানিক সোনার পাথরবাটি সম। বাধ্য হয়ে এই সমস্যা সমাধানে টালিগঞ্জের তাবড় অভিনেতা-অভিনেত্রী-প্রযোজকদের সঙ্গে বৈঠক ডেকেছিলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। ছিলেন দেব, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, প্রযোজক শ্রীকান্ত মোহতা, নিসপাল সিং রানে, রানা সরকার প্রমুখ। সেদিনের বৈথকের পর আজ বুধবার দুপুর ২টোর সময় নন্দনে ফের বৈঠক হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত সহ বিশিষ্ট প্রযোজক, পরিচালক ও ডিসট্রিবিউটররা। প্রাইম টাইমে বাংলা ছবি যাতে শো পায় সেই সংক্রান্ত আলোচনাই চলেছে এদিন বৈঠকে। শেষ পর্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে বৈঠক। প্রেক্ষাগৃহে বাংলা ছবি দেখাতেই হবে, এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর। বুধবার এই বিবৃতি জারি হয়েছে।

তাতে বলা হয় সারা বছর ধরে (৩৬৫ দিন) বাংলা সিনেমার ক্ষেত্রে প্রাইম টাইম শো/স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলকভাবে করা হল। বছরের ৩৬৫ দিন প্রত্যহ কমপক্ষে একটি করে বাংলা শো থাকবেই মাল্টিপ্লেক্স সহ যে কোনও প্রেক্ষাগৃহে। শো দিতে হবে প্রাইম টাইমে। অর্থাৎ বিকেল ৩টে থেকে রাত ৯টার মধ্যে বাংলা সিনেমার শো একটি হলেও রাখতে হবে। এই নিয়ম পালনে আনা হবে সংশোধনী। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সিনেমা (জনসাধারণের প্রদর্শনী নিয়ন্ত্রণ) বিধি ১৯৫৬-এর প্রয়োজনীয় সংশোধন যথাসময়ে করা হবে। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই আদেশই বলবৎ থাকবে।

হিন্দি বলয়ের সিনেমার দৌলতে বাংলা সিনেমা জায়গা পাচ্ছিল না। মাল্টিপ্লেক্স ও হল মালিকদের কাছে নিজভূমে পরবাসী হয়ে রয়ে যেতে হচ্ছিল। অথচ একটা সম্ময় এই বাংলা থেকেই সিনে জগতের সূচনা হয়েছে। তখন বলিউড বা অন্য ইন্ডাস্ট্রি কোথায়, সবই বঙ্গে। সারা দেশ থেকে অভিনেতারা আসতেন কলকাতায়। এখান থেকেই চলত বাংলা, হিন্দি দুই ভাষার ছবির শ্যুটিং। পৃথ্বীরাজ কাপুর থেকে কে এল সায়গল কে ছিলেন না সেই তালিকায়। বাধ্য হয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শরণাপন্ন হয়েছিলেন বাংলার পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতারা। শেষ পর্যন্ত নিজ লক্ষ্যে সফল হলেন তাঁরা, পুনরায় মর্যাদা প্রাপ্তির দিকে এক পা অগ্রসর হল বাংলা সিনেমা।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00