Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

নাম পাল্টে ভারতে অবৈধ বসবাস, সইফ-কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত কি বাংলাদেশি?

তবে অভিযুক্ত শাহজাদ জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানিয়েছেন যে, সইফ আলি খানের বাড়িতে যে তিনি প্রবেশ করছেন, তা তিনি জানতেন না। তার উদ্দেশ্য ছিল চুরি করা এবং সে কারণেই সইফের বাড়িতে ঢুকেছিল।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: রবিবার (১৯ জানুয়ারী) ভোরে পুলিশের ৭০ ঘন্টা অভিযানের পরে গ্রেফতার হয়েছেন সইফ আলি খানের উপর হামলার মূল অভিযুক্ত। জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রের থানে থেকে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্তের নাম মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম শাহজাদ। সইফ আলি খানের বাসভবনের প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে কাসারভাদাভালির হিরানন্দানি এস্টেটের কাছে অভিযুক্ত ধরা পড়েছে। পুলিশ সূত্রের খবর, ধরা পড়ার ভয়ে অভিযুক্ত নাম পাল্টে বিজয় দাস নামে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। তিনি থানে একটি বারে হাউসকিপিং স্টাফ হিসাবে কাজ করতেন।

তাঁকে গ্রেফতারের পরে মুম্বই পুলিশের ডিসিপি দীক্ষিত গেদাম সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “অভিযুক্ত মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম শাহজাদ একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত। আমরা চিকিৎসা করিয়ে তাঁকে আদালতে হাজির করব। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে অভিযুক্তদের রিমান্ড চাইবে মুম্বই পুলিশ। তবে অভিযুক্তের কাছ থেকে কোনও বৈধ ভারতীয় নথি পাওয়া যায়নি। তাই তার বিরুদ্ধে পাসপোর্ট আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, তিনি ৫-৬ মাস আগে মুম্বই এসেছিলেন এবং একটি হাউস কিপিং এজেন্সিতে কাজ করেছিলেন। তিনি সইফের বাড়িতে আগেও গিয়েছিলেন কিনা আমাদের কাছে এ সম্পর্কিত কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। আমাদের ধারণা, সে প্রথমবার চুরির উদ্দেশ্যে সইফের বাড়িতে প্রবেশ করেছিল।”

তবে অভিযুক্ত শাহজাদ জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানিয়েছেন যে, সইফ আলি খানের বাড়িতে যে তিনি প্রবেশ করছেন, তা তিনি জানতেন না। তার উদ্দেশ্য ছিল চুরি করা এবং সে কারণেই সইফের বাড়িতে ঢুকেছিল। হঠাৎ সইফ আলি খান তাঁর সামনে হাজির হন। এবং তিনি অভিনেতাকে ছুরি দিয়ে বেশ কয়েকবার আক্রমণ করেন। যাতে তিনি আহত হন। অভিযুক্তের কোনও অপরাধমূলক ইতিহাস নেই। তবে পুলিশ অভিযুক্ত সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে। যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে থাকে, তাহলে সে কীভাবে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করল, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর আগে শনিবার (১৮ জানুয়ারী), ছত্তিশগড়ের দুর্গ রেলওয়ে স্টেশনে আটক করা হয়েছিল ৩১ বছর বয়সী আকাশ কৈলাশ কানোজিয়া নামে এক ব্যক্তিকে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, “শনিবার মুম্বই-হাওড়া জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস থেকে রেলওয়ে পুলিশ একজন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে। গতকাল দুপুর ২টার দিকে, ট্রেনটি যখন দুর্গে পৌঁছেছিল, সন্দেহভাজনকে তখনই হেফাজতে নেওয়া হয়। এর আগে মুম্বই পুলিশ সন্দেহভাজন ব্যক্তির ছবি, ট্রেন নম্বর, অবস্থান RPF কে পাঠিয়েছিলেন। সেই ছবির ভিত্তিতেই সন্দেহভাজনকে ধরা হয়। লোকটি বিনা টিকিটে ভ্রমণ করছিলেন। আটক যাত্রী অভিনেতা-ছুরিকাঘাত মামলার সন্দেহভাজন ব্যক্তির মতো দেখতে ছিল। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।” উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারী) গভীর রাতে সইফ আলি খানের মুম্বইয়ের বাড়িতে একাধিক নিরাপত্তা এড়িয়ে ঢুকে পড়েছিলেন অভিযুক্ত। ঘটনায় দিন বান্দ্রার সতগুরু শরণ বাসভবনেই পরিবারের সঙ্গে ছিলেন সইফ আলি খান। গভীর রাতে সইফ-করিনার ছোট ছেলে জেহর নার্স প্রথম অভিযুক্তকে দেখতে পান। এরপর নার্সের সঙ্গে তর্কাতর্কি শুরু হলে সইফ আলি খান ছুটে আসেন। এবং পরিবারকে বাঁচাতে দুষ্কৃতীর সঙ্গে তুমুল হাতাহাতি হয় অভিনেতার। এরপর দুষ্কৃতী সইফকে ৬ বার ছুরির কোপ মেরে সইফের বাড়ি থেকে পালায়। ঘটনায় অভিনেতা ঘাড় এবং মেরুদণ্ডে একাধিক আঘাত পান। এরপর তাঁকে একটি অটোরিক্সায় শহরের লীলাবতী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে তাঁর জরুরি অস্ত্রোপচার করানো হয়। পাঁচ ঘণ্টার অস্ত্রোপচারের পর মেরুদণ্ড থেকে একটি ২.৫ ইঞ্চি চাকুর টুকরো বের করা হয়। তবে এখন তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসারত চিকিৎসকরা। জেহর নার্সের কথায়, অভিযুক্ত ১ কোটি টাকা মুক্তিপণও দাবি করেছিল। অবশেষে পুলিশের জালে সইফের উপর মূল হামলাকারী।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00