Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

আবাস সমীক্ষায় নেতা বা জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপ নয়, কড়া নির্দেশ নবান্নের

বাংলা আবাস যোজনার সমীক্ষার কাজে কোনওরকমের হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না এলাকার কোনও নেতা মায় জনপ্রতিনিধিও। কড়া নির্দেশ নবান্নের।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: নবান্ন(Nabanna) থেকে কড়া নির্দেশ গিয়েছে জেলায় জেলায়। আবাসের সমীক্ষায়(Bangla Awas Yojna Survey) কোনওরকম হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না এলাকার কোনও নেতা। এমনকি সেই সমীক্ষায় হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না(No Intervention) কোনও জনপ্রতিনিধিও(Public Representatives)। তা সে তিনি সাংসদ হোন বা বিধায়ক, জেলা পরিষদের সদস্য হোন বা পুরসভার, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য হোন কী গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। এরা কেউ সমীক্ষার কাজে কোনওরকমের হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না। কেননা এর আগে যখন রাজ্যে আবাসের সমীক্ষা হয়েছিল তখন এই জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপের জেরেই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য ব্যক্তিদের নাম উঠে গিয়েছিল তালিকায়। তার খেসারত গুণতে হয়েছে রাজ্যবাসীকেই। কেন্দ্র সরকার আবাস যোজনার টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন সরকার সচেষ্ট হয়েছে রাজ্যের প্রান্তিক মানুষের হাতে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে বাড়ি তৈরির টাকা তুলে দিতে।

আরও পড়ুন, পুরসভায় Sub Assistant Engineer নিয়োগে রাজ্যের MED’র ভূমিকা খতিয়ে দেখছে CBI

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলার বুকে এর আগে আবাসের সমীক্ষা হয়েছিল ২০২২ সালের ডিসেম্বরে। সেই সমীক্ষার পরে কেন্দ্র সরকার বাংলায় ১১ লক্ষ গরিব মানুষের বাড়ি তৈরির টাকা দেওয়ার প্রশাসনিক অনুমোদন দিতে রাজী হলেও পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে যায়। ২০২২ সালের ডিসেম্বরের যাচাইয়ের পরে চূড়ান্ত উপভোক্তা তালিকা বা Permanent Waiting List তৈরি করেছিল রাজ্য। তাতে নাম ছিল প্রায় ৩৪ লক্ষ বাড়ি তৈরির আবেদনকারীর। তারপর আদালতে মামলা সহ একাধিক কারণে এই তালিকায় যুক্ত হয় আরও ১ লক্ষ নাম। ফলে এই ৩৫ লক্ষের পাশাপাশি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী সেলে যারা বাড়ি তৈরির জন্য সহায়তা চেয়ে যোগাযোগ করেছিলেন তাঁদের বাড়ি বাড়ি গিয়েও যাচাইয়ের কাজ চালাচ্ছে রাজ্য। তার সঙ্গে রয়েছে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে যাদের বাড়ির ক্ষতি হয়েছে তাঁদেরও নাম। ফলে ৩০ অক্টোবর সমীক্ষা শেষের পর এবারের চূড়ান্ত উপভোক্তা তালিকায় কতজনের নাম থাকে সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্ট মহলের। যদিও সেই তালিকা যাতে নির্ভুল ভাবে তৈরি করা হয় সেই দিকেই বেশি জোর দিয়েছে রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুন, সাগরের বুকেই শক্তিক্ষয় ‘ডানা’র, বঙ্গে ক্ষতির সম্ভাবনা কম

এর ফলও হাতেনাতে মিলছে। আবাসের যোগ্য উপভোক্তা চিহ্নিত করতে, উপনির্বাচনের কারণে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ৫টি জেলা বাদ দিয়ে সারা রাজ্যেই চালু হয়েছে যাচাই পর্ব। রাজ্যের ঠিক করে দেওয়া নিয়মাবলি অনুযায়ী, বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষক দলের সদস্যরা খতিয়ে দেখছেন আদৌও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বাড়ি তৈরির টাকা পাওয়ার যোগ্য কি না। এই সমীক্ষায় ইতিমধ্যেই ২ লক্ষ বাড়ির যাচাই সম্পন্ন হয়েছে। তার মধ্যে এই সহায়তা পাওয়ার জন্য ‘অযোগ্য’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। অর্থাৎ, যাচাই হওয়া ২ লক্ষের মধ্যে তালিকা থেকে বাদ পড়ছে প্রায় ৪০ হাজারের নাম। কাদের নাম বাদ যাচ্ছে? যারা ইতিমধ্যেই বাড়ি করে নিয়েছেন, যারা আগেকার জায়গা ছেড়ে অন্য জায়গায় গিয়েছেন, যাদের মোট আয় আগের থেকে বেড়েছে এই রকম পরিবারের নাম বাদ যাচ্ছে তালিকা থেকে। সমীক্ষাকালে উপভোক্তাদের দাবি, রাজ্য সরকার সমীক্ষায় সরকারি কর্মী এবং আধিকারিকদের নামিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগে তালিকা তৈরিতে নেতাদের সুপারিশ কাজ করেছিল। তাতে অনেক অযোগ্য ব্যক্তির নামও তালিকায় উঠে আসে। যাদের দোতলা বাড়ি রয়েছে তারাও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। তাছাড়া সরকারি কর্মীদের চাকরির ভয় রয়েছে। তারা কখনই প্রভাবিত হয়ে কাজ করবেন না। নবান্নের নির্দেশের পরে আবাসের সমীক্ষায় নামা সব দলকেই বলে দেওয়া হয়েছে, তালিকায় নতুন করে নাম নথিভুক্ত করার জন্য কোনও নেতা বা জনপ্রতিনিধির সুপারিশ কাজে আসবে না। কেউ হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করলে প্রয়োজনীয়‌ ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা৬র বিরুদ্ধে। 

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00