Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

‘আপনার মনে যদি ভক্তি থাকে, বিশ্বাস থাকে, তবে ভগবান পথ দেখাবেই’

বিচারপতি হয়েও তাঁর ভগবানে কিন্তু অবিশ্বাস নেই। তিনিও ক্ষেত্র বিশেষে ভগবানের শরণ নেন। নিজেই জানালেন প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: আদালত বিজ্ঞানকে স্বীকার করে। কিন্তু ভগবানকে নয়। আদালতে দাপট দেখায় প্রমাণ আর যুক্তি, সেখানে কাজে দেয় না ভক্তি আর আবেগ। কিন্তু দেশের প্রধান বিচারপতি(Chief Justice of India) দেশবাসীকে বুঝিয়ে দিলেন, এই সুপার কম্পিউটার যুগেও ভগবানের অস্তিত্ব আছে। তাঁর ওপর ভরসা রাখলে, বিশ্বাস রাখলে, সমস্যা থেকে সমাধানের রাস্তা অবশ্যই তিনি দেখিয়ে দেবেন। শুধু তাই নয়, তিনি কার্যত এটাই বুঝিয়ে দিলেন, বিচারপতরা আদালতে নিজ নিজ এজলাসে যতই ভগবানের অস্তিত্ব অস্বীকার করুন না কেন, বাস্তবে তাঁরা প্রত্যেকেই ভগবানের ওপর বিশ্বাসী। এমনকি তাঁরা নিজেরা বিপাকে পড়লেও ভগবানের শরণ নিতে পিছুপা হন না। রবিবার মহারাষ্ট্রের পুণার কাছে থাকা খেড় ব্লকের কানহেরসার এলাকায় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এমন মন্তব্যই করেছেন সুপ্রিম কোর্টের(Supreme Court) প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়(D Y Chandrachud)। আগামী মাসেই অবশ্য তাঁর অবসর নেওয়ার কথা। তার আগেই ভগবান আর বাস্তবের মেলবন্ধন দেখালেন তিনি।

আরও পড়ুন, ‘ডানা’র ঝাপ্টায় তীব্র জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা, সতর্কতা জারি ৩ জেলার ১৪টি ব্লকে

আমজনতার কাছে শুধুমাত্র বিশ্বাসের জোরে ডাক্তার আর বিচারপতিরা ‘ভগবান’ হয়ে ওঠেন ক্ষেত্রবিশেষে। কিন্তু এই দুই ক্ষেত্রই বিজ্ঞানকে স্বীকার করে, ভগবানকে নয়। দেশের প্রধান বিচারপতি নিজে তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে কিন্তু বুঝিয়ে দিয়েছেন, বিচারপতি হয়েও তাঁর ভগবানে কিন্তু অবিশ্বাস নেই। তিনিও ক্ষেত্র বিশেষে ভগবানের শরণ নেন। সেই কথা বীঝাতে গিয়ে তিনি তুলে এনেছেন রামের জন্মভূমি মামলার(Ramjanmabhoomi-Babri Masjid Dispute Case) প্রসঙ্গ। সুপ্রিম কোর্টে নিষ্পত্তি হওয়া সেই মামলার নিষ্পত্তি হয় ৫ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে। সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ সহ সেই বেঞ্চে ছিলেন বর্তমান প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ও। সেই সূত্রেই তিনি জানিয়েছেন, ‘কখনও কখনও এমন কিছু মামলা আসে যেখানে আমরা কোনও সমাধান সূত্রে পৌঁছাতে পারি না। অযোধ্যা মামলার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছিল। তিন মাস ধরে আমার সামনে ছিল গোটা বিষয়টি। আমি ভগবানের সামনে বসে বলতাম, তাকে একটা সমাধানের পথ বের করতেই হবে। আমি মনে করি যে যদি কেউ বিশ্বাস(Faith) রাখে, তবে ভগবান তাঁকে সঠিক পথ দেখাবেই।’

আরও পড়ুন, ২৪ অক্টোবর রাত ৯টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে ‘ডানা’র ল্যান্ডফল পারাদ্বীপে

বাবরি মসজিদ নাকি তৈরি হয়েছিল রাম মন্দির ভেঙে। সেই বিশ্বাস থেকেই ভারতের মাটিতে রাম জন্মভূমি আন্দোলনের সূত্রপাত। বাবরি মসজিদও ভেঙে গুঁড়িয়ে দেন আন্দোলনকারীরা। পরে সেই বিতর্ক মামলার আকারে প্রথমে অযোধ্যার জেলা আদালত থেকে এলাহাবাদ হাইকোর্ট হয়ে সুপ্রিম কোর্ট অবধি এসে পৌছায়। ২০১৯ সালে সুপ্রিম কোর্টের তরফে রাম জন্মভূমিকেই মান্যতা দেওয়া হয়। বিতর্কিত ওই জমিতে রাম মন্দির তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়। বাবরি মসজিদ তৈরির জন্য অযোধ্যাতেই ৫ একর জমি বরাদ্দ করা হয়। অনেকেই জানতেন না যে সেই ঐতিহাসিক নির্দেশ দিয়েছিল যে ৫ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ তার অন্যতম স্তম্ভ ছিলেন দেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি ডি ওইয়াই চন্দ্রচূড়। রবিবার তিনি কিন্তু জানিয়ে দিলেন রাম মন্দির-বাবরি মসজিদ জমি বিতর্কের শুনানি ও রায়দানের সময়ে তাঁর ভিতরে কী চলছিল তিনি সেই অভিজ্ঞতাই ভাগ করে নিলেন দেশবাসীর সঙ্গে।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00