Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

আর জি কর কাণ্ডে ৫৮ দিনের মাথায় চার্জশিট পেশ করল সিবিআই

চার্জশিটে একমাত্র সঞ্জয়কেই নাকি ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় একমাত্র অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে সিবিআই। সূত্রে তেমনটাই জানা গিয়েছে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতার(Kolkata) আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে(R G Kar Medical College and Hospital) তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ খুনের ঘটনায়(Doctor Rape and Murder Case) কলকাতা পুলিশ(Kolkata Police) ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রাইকে(Sanjay Rai)। পরে আদালতের নির্দেশে সেই মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় সিবিআই(CBI)। এদিন অর্থাৎ সোমবার তাঁরা সেই ঘটনার প্রথম চার্জশিট জমা দিল আদালতে। ঘটনার ৫৮ দিনের মাথায় শিয়ালদা আদালতে(Sealdah Court) এই চার্জশিট(Charge Sheet) জমা দিল সিবিআই। সূত্রের দাবি, সেই চার্জশিটে একমাত্র সঞ্জয়কেই ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় একমাত্র অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে সিবিআই। মত্ত অবস্থায় সঞ্জয় রাই ধর্ষণ ও খুন করে বলে উল্লেখ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের। অর্থাৎ বিরোধী শিবির থেকে বার বার যে গণধর্ষণের অভিযোগ তোলা হচ্ছিল, তা মান্যতা পেল না সিবিআইয়ের চার্জশিটে।

আরও পড়ুন, ১৬৩ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও ধর্মতলায় জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মসূচি, পদক্ষেপের ইঙ্গিত মনোজ বর্মার

আদালতে পেশ করা ২০০ পাতার চার্জশিটে সিবিআই দাবি করেছে ঘটনার তদন্তে নেমে তাঁরা ২০০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছে। সব দেখে তাঁদের মনে হয়েছে, এই ঘটনায় একমাত্র সঞ্জয়ই জড়িত। তবে আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডল এই দুইজন ঘটনার প্রমাণ লোপাটের সঙ্গে জড়িত বলেই চার্জশিটে নাকি উল্লেখ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। জিজ্ঞাসাবাদে কে কী জানিয়েছেন, সেই বয়ানের নথি তুলে ধরা হয়েছে চার্জশিটে। আর জি করের নির্যাতিতার মৃত্যুর পর থেকে, বিচারের দাবিতে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন রাজ্যের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের জুনিয়র ডাক্তারেরা। চলছে অনশন কর্মসূচিও। সিবিআইয়ের তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। মাঝে এক বার বিচারের দাবিতে সিবিআই দফতর অভিযানও করেছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন, পাহাড়ে বন্ধ ৯টি চা-বাগানের শ্রমিকদের Ex-Gratia’র সুবিধা দিতে অনীতের চিঠি মুখ্যমন্ত্রীকে

এদিন কলকাতার ধর্মতলার অনশনমঞ্চ থেকেও জুনিয়র ডাক্তারেরা জানিয়েছেন, তাঁরা সিবিআইয়ের ওপর আর আস্থা রাখতে পারছেন না। যদিও আমজনতার এখনও আস্থা রয়েছে সিবিআইয়ের ওপরেই। তাঁরা চান দোষীর যথাযথ শাস্তি। আর তা হল ফাঁসি। একইসঙ্গে এটাও দেখা যাচ্ছে যে, যত সময় গড়াচ্ছে জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলন ক্রমশই জনসমর্থন হারাচ্ছে। আগে চিকিৎসকদের আন্দোলনে নাগরিক সমাজকে যতটা দেখা যাচ্ছিল, এখন কিন্তু ততটা দেখা যাচ্ছে না। অভিজ্ঞ মহলের দাবি, আন্দোলন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক থাকলে এর বিপরীত ছবিটাই দেখা যেত। কিন্তু আন্দোলন রাজনীতির কারবারিরা কুক্ষিগত করেছে বলেই এখন সেখানে জনসমর্থনে ভাটা নেমে এসেছে।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00