Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

১০০ দিনের কাজের শ্রমিকদের Biometric Attendance বাধ্যতামূলক করছে KMC

১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের কর্মরত শ্রমিকদের জন্য Biometric Attendance বা বায়োমেট্রিক হাজিরা বাধ্যতামূলক করতে চলেছে KMC বা কলকাতা পুরনিগম।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: কেন্দ্র সরকারের ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প(100 Days Work Project) শুধু গ্রামেই যে হয়, এমনটা কিন্তু নয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ হয় শহরের বুকেও। খাস কলকাতা পুরনিগমই এই প্রকল্পের কাজ করায় শহরের বুকে। এবার সেই ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের কর্মরত শ্রমিকদের জন্য Biometric Attendance বা বায়োমেট্রিক হাজিরা বাধ্যতামূলক করতে চলেছে KMC বা কলকাতা পুরনিগম। পুরনিগম সূত্রে জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার কলকাতা পুরনিগমের অধিবেশনে ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বরূপ দে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে কর্মরত শ্রমিকদের টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে কাউন্সিলর এবং বরো চেয়ারম্যানদের ভুমিকা কমে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেই সময় মেয়র ফিরহাদ হাকিম(Firhad Hakim) একশো দিনের কাজে বায়েমেট্রিক হাজিরার বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। গতকাল অর্থাৎ শনিবার ফিরহাদ জানিয়েছেন, এই মর্মে পুরনিগম প্রস্তাব পাশ করিয়ে নিয়েছে। সেখানে সব তথ্য থাকছে। নিয়মমাফিক কাজে আসতে হবে সকলকে। ডিজিটাল নজরদারি(Digital Surveillance) থাকবে।

আরও পড়ুন, ইলামবাজারের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্তব্যরত নার্সের শ্লীলতাহানি, গ্রেফতার রোগী

কলকাতা পুরনিগমের ১৬টি বরো মিলিয়ে বর্তমানে ১০০ দিনের কাজে কর্মীর সংখ্যা কমপক্ষে ১৫ হাজার। এদের একটি বড় অংশ শহরে জঞ্জাল সাফাই বিভাগে কাজ করেন। বাকিরা রাস্তা নির্মাণ, নিকাশি, ইঞ্জিনিয়ারিং, উদ্যান, পিএমইউ বিভাগে কর্মরত। পুরনিগমের কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ আগেই ১০০ দিনের কাজে তাদের বিভাগে কর্মরতদের হাজিরা বাধ্যমূলক করেছে। কিন্তু এ বার পুরনিগমের সব বিভাগেই এই নিয়ম চালু হবে বলে নিশ্চিত করেছেন মেয়র। পুরনিগমের আধিকারিকদের দাবি, ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের যে সব শ্রমিকেরা আছেন তাঁরা শাসক দলের কোনও না কোনও নেতাকে ধরে কাজে ঢুকেছেন। তাই অনেকেই হাজিরা খাতায় নাম লিখে চলে যান দলীয় প্রভাব দেখিয়ে। কিন্তু মেয়র নিজে এমনটা বরদাস্ত করতে নারাজ। এ ছাড়াও পুর আধিকারিকদের কাছেও অভিযোগ জমা পড়েছে যে, অনেকেই খাতায় কলমে পুরনিগমের ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের কর্মী হলেও, কাজে যোগ দেন না। যারা কাজে আসেন, তাদের অনেকেই কাজ অল্প সময় করেন। আর এদের বেতন কাউন্সিলর ও বরো চেয়ারম্যানরা তালিকা আকারে সই করে পাঠিয়ে দেন। আর মাসের শেষে মজুরি টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে চলে যায়।

আরও পড়ুন, এখনই বদল হচ্ছে না বঙ্গ বিজেপির সভাপতি পদে, থাকছেন সুকান্তই

বর্তমানের এই অব্যবস্থা বন্ধ করতেই কর্মীদের হাজিরা বাধ্যতামূলক করতে চাইছেন মেয়র। আর তাই কলকাতা পুরনিগমের সমস্ত বিভাগে কর্মরত ১০০ দিনের কর্মীদের এখন থেকে বায়োমেট্রিক হাজিরা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে কলকাতা পুরনিগমে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে যে ১৫ হাজার কর্মী রয়েছেন, তাঁদের বেতন সবার সমান নয়। অদক্ষ কর্মীদের মজুরি ২০২ টাকা প্রতিদিন। দক্ষ কর্মীদের ৪০৪ টাকা ও সুপারভাইজারদের ৩০৩ টাকা। নিয়ম অনুসারে ৮ ঘণ্টা কাজ বাধ্যতামূলক। কিন্তু অভিযোগ, সেই ৮ ঘন্টা ডিউটি রোস্টারই মানা হচ্ছে না। কেউ ৪ ঘন্টা, কেউ ৬ ঘন্টা, কেউ বা মাত্র ২ ঘন্টা কাজ করে মাইনে চিয়ে চলে যাচ্ছেন। ফলে এই কর্মরতদের বিরুদ্ধে নানা সময় কাজে ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠছে। তাই এ বার সেই সকল কর্মীর বিরুদ্ধে কঠোর হতেই নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00