Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

পুত্রদা একাদশীতে জেনে নিন এই তিথির পেছনে লুকিয়ে আছে কোন কাহিনী !

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি : শুক্রবার (১৬ অগস্ট ) হল শ্রাবণ মাসের পুত্রদা একাদশী। ভক্তরা এইদিন ঘরে ঘরে পালন করে থাকে। কথিত আছে, এই তিথিতে নিষ্ঠা ভরে লক্ষ্মী ও নারায়ণের পুজো ও ব্রতকথা পাঠ করলে সুফল মেলে। আপনি কী জানেন এই একাদশী তিথি পুত্রদা একাদশী নামে কেন পরিচিত ? কী হয়েছিল একাদশী তিথিতে, কেনই বা এর মাহাত্ম্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেনে নিন তবে এর নেপথ্যে কাহিনী।

পুত্রদা একাদশীর ব্রতকথা : একদা দ্বাপর যুগের সুচনায় মহিষ্মতী নামক এক নগর ছিল। সেই নগরের রাজা ছিলেন মহীজিত। তিনি খুব ধর্মপ্রিয় ছিলেন। রাজার কোমল ব্যবহার প্রজাদের মন ছুঁয়ে যেত। হাসিখুশি প্রজা, শান্তির রাজ্য থাকা স্বত্তেও খুশি ছিল না রাজা মহীজিত। সবসময় চিন্তিত দেখাতো তাঁকে। কেননা তাঁর কোন সন্তান ছিল না। তাঁর ও বয়সও হয়ে গিয়েছিল। একদিন তিনি তাঁর প্রতিনিধিদের ডেকে বললেন, তিনি জীবনে কখনো পাপ করেন নি। সর্বদা ন্যায় পথে উপার্জন করেছেন। প্রজাদের নিজের সন্তানের মত দেখাশোনা করেন। এমনকী তিনি চুরি ডাকাতিও করেন নি। অথচ তাঁর এই দুঃখ-কষ্টের কারণ কী ? তিনি সর্বদা চিন্তার মধ্যে থাকেন। তাঁর কী কোল আলো করে কেউ আসবে না। একাকী থাকতে হবে তাঁকে। কার ভরসায় রাজ্যপাঠ তুলে দেবেন। অবশেষে সভায় উপস্থিত প্রতিনিধিরা সাধু -সন্ন্যাসী ও মুনির খোঁজ করতে শুরু করলো।

এক আশ্রমে তাঁরা অত্যন্ত বয়োবৃদ্ধ ধর্মজ্ঞানী, তপস্বী ও সমস্ত শাস্ত্রের জ্ঞাতা লোমেশ মুনিকে দেখেন। সকলে সেই ঋষিকে প্রণাম করেন। তাঁদের সেখানে আসার কারণ জিগ্যেস করেন সেই ঋষি। পাশাপাশি এ-ও বলেন যে, তাঁর জন্ম অন্যের উপকার করার জন্য হয়েছে। তিনি অবশ্যই সকলের ভালো করবেন।তখন প্রজারা রাজা মহীজিতের যন্ত্রণার কথা খুলে বললেন।পুত্রহীন হওয়ার কারণে কষ্টে রয়েছেন তিনি। সব কথা শোনার পর ঋষি বললেন, অপেক্ষা করো কিছুক্ষণ।

ঋষি কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে ধ্যান করলেন। এরপর চোখ খুলে রাজার পূর্বজন্মের স্মৃতিচারণা করলেন। ঋষি তখন জানালেন, পূর্বজন্মের পাপের কারণেই রাজার এত ভোগান্তি।

মহিষ্মতীর রাজা গতজন্মে এক নির্ধন বৈশ্য ছিলেন। দরিদ্র ও ধন সম্পত্তি না থাকার কারণে একাধিক কুকর্ম করেছেন তিনি। এক গ্রাম থেকে ভিন্ন গ্রামে ব্যবসার জন্য যেতেন তিনি। একদিন জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের দ্বাদশীর মধ্যাহ্নে এক জলাশয়ে জলপান করতে যান তিনি। সেই সময় দুদিন ধরে তৃষ্ণার্ত ও ক্ষুধার্ত ছিলেন রাজা। তবে যখন তিনি জল খেতে যান তখন এক তৃষ্ণার্ত গোরু জলপান করছিল, রাজা সেই গোরুকে সরিয়ে নিজে জলপান করেন। এই কারণে তাঁকে এ জন্মে এত কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে।

একাদশী তিথিতে নিজের অজান্তে উপবাস করার ফলে তাঁর পুণ্য হয়। তাই সে রাজা হয়। কিন্তু তৃষ্ণার্ত গোরুকে জল পান করতে না-দেওয়ার পাপের কারণে সে আজও পুত্রহীন। তখন সকলে ঋষির কাছে এই পাপের প্রায়শ্চিত্ত সম্পর্কে জানতে চান। উপায়ও বাতলে দেন সেই ঋষি।

ঋষি জানালেন, শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী তিথি অর্থাৎ পুত্রদা একাদশীতে তোমরা সকলে উপবাস করে রাত্রি জাগরণ করো। এর ফলে রাজার পূর্বজন্মের পাপ থেকে মুক্তি পাবে। পাশাপাশি রাজা পুত্র সন্তান লাভ করতে পারবে।

এইকথা শুনে সেখান থেকে ফিরে এসে প্রজা ও মন্ত্রী সহ সকলে উপবাস করেন। সেই পুজোর পুন্য ফলও দান করেন রাজাকে। সেই পুণ্য ফলের প্রভাবে রানি গর্ভবতী হন ও অবশেষে এক তেজস্বী পুত্র জন্মগ্রহণ করে। তাই এই একাদশী তিথির পুত্রদা একাদশী নামে পরিচিত।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00