Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

বিধাননগর পুরনিগম এলাকায় যত্রতত্র লাগানো হচ্ছে হোর্ডিং, রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

বেআইনি হোর্ডিংয়ের বিষয়ে পদক্ষেপের কথা বিধাননগর পুরনিগমকে রিপোর্ট আকারে জানাতে হবে কলকাতা হাইকোর্টকে। রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে রাজ্যের থেকেও।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাস্তার পাশে যেখানে সেখানে হোর্ডিং(Hoarding) টাঙানো নিয়ে সরকারি কর্তাদের কাছে কিছুদিন আগেই উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানিয়েছিলেন, শহরের কোথায় হোর্ডিং টাঙানো হবে, তার একটা সুস্পষ্ট নীতি থাকা উচিত। সেই পরামর্শ মেনে রাজ্যের নতুন হোর্ডিং নীতি তৈরি করছে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। এরই মাঝে সামনে এল বিধাননগর পুরনিগমের(BMC) ঘটনা। অভিযোগ উঠেছে, বিধাননগর পুরনিগম এলাকায় যত্রতত্র লাগানো হচ্ছে হোর্ডিং। মানা হচ্ছে না কোনও নিয়ম। বেআইনি এইসব হোর্ডিং সংক্রান্ত অভিযোগে কী পদক্ষেপ করেছে বিধাননগর পুরনিগম, তা এবার জানতে চাইল কলকাতা হাইকোর্ট(Calcutta High Court)। বিধাননগর পুরনিগমের কাছ থেকে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট(Report) তলব করা হয়েছে। বেআইনি হোর্ডিংয়ের বিষয়ে পদক্ষেপের কথা পুরনিগমকে রিপোর্ট আকারে জানাতে হবে আদালতকে। এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের(West Bengal State Government) কাছ থেকেও রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে হাইকোর্টে।

আরও পড়ুন আগামী ২ মাসে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা স্বাভাবিকের থেকে বেশি হতে পারে, বার্তা মৌসম ভবনের

জানা গিয়েছে, বিধাননগর পুরনিগম এলাকায় বেআইনি হোর্ডিং নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছিলেন আইনজীবী দিবায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই মামলাকারীর তরফে বলা হয়, বিধাননগরে বেআইনি ভাবে যত্রতত্র হোর্ডিং লাগানো হচ্ছে। বিধাননগর পুরনিগমের এই সংক্রান্ত যে নির্দেশিকা রয়েছে, তাও মানা হচ্ছে না। বিভিন্ন হোর্ডিং থেকে বিপুল পরিমাণে রাজস্ব আসছে পুরনিগমের কাছে। তাদের কয়েক হাজার কোটি টাকা আয় হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও বেআইনি হোর্ডিংয়ের বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন না পুর কর্তৃপক্ষ। বিধাননগর পুরনিগমের তরফে হোর্ডিংয়ের নিয়ম মানতে তেমন তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। বেশির ভাগ হোর্ডিং পুরনিগমের অনুমতি ছাড়াই লাগানো হচ্ছে। নিয়ম মেনে হোর্ডিং না লাগানোয় তা থেকে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে। বেআইনি হোর্ডিয়ের নির্দিষ্ট কোনও পরিকাঠামোও থাকছে না। এমন কয়েকশো হোর্ডিংয়ে ছেয়ে গিয়েছে বিধাননগর পুরনিগম এলাকা। এমনকি, এই সংক্রান্ত বিষয়ে বিধাননগর পুরনিগমের একটি বৈঠকে ১৩০টি বেআইনি হোর্ডিংয়ের কথা স্বীকারও করা হয়েছে।

আরও পড়ুন জন্মদিনে দিলীপকে মিষ্টিমুখ করালেন শুভেন্দু, কিন্তু দূরত্ব কী ঘুচবে, থাকছে প্রশ্ন

এ প্রসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, হোর্ডিংয়ের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হোর্ডিং নিয়ে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা থাকা উচিত সর্বত্র। না হলে তা থেকে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থেকে যায়। বিধাননগর পুরনিগমের তরফে আদালতে জানানো হয়েছে, হোর্ডিং নিয়ে তাদের নির্দিষ্ট আইন এবং নির্দেশিকা রয়েছে। এই বিষয়ে অভিযোগ পেলে পুরনিগমও পদক্ষেপও করে। এর পরেই প্রধান বিচারপতি মুম্বইয়ের বিলবোর্ডকাণ্ডের প্রসঙ্গ তোলেন। গত মে মাসে মুম্বইয়ের ঘাটকোপর এলাকায় উপড়ে যায় বিশালাকার একটি ধাতব বিজ্ঞাপনের বোর্ড। তাতে চাপা পড়ে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন প্রায় ৮০ জন। সেই ঘটনার উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘বেআইনি ভাবে হোর্ডিং লাগানোর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সংক্রান্ত বিষয়ে মহারাষ্ট্রের ঘটনার কথা মনে পড়ছে। পুরনিগমের বিষয়টি দেখা উচিত।’ ১৫ অগস্টের পরে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলে জানিয়েছে আদালত।  

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00