Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

কর্মরত মায়ের মৃত্যুর পরে বাবার দ্বিতীয় বিয়ে, নাবালক সন্তানকে পেনশন প্রদানের নির্দেশ হাইকোর্টের

কর্মরত মায়ের মৃত্যুর পরে নাবালক সন্তান পেতে পারে পারিবারিক পেনশন। নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। এই রায় দৃষ্টান্ত হয়ে থেকে গেল।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: সন্তানের কাছে তার সব থেকে আপনজন তার বাবা-মা। কিন্তু সেই দুইজনের মধ্যে একজনের অবর্তমানে যদি দ্বিতীয়জনও দূরে সরে যায়, তাহলে সন্তান কার্যত অনাথ হয়ে পড়ে। এইরকমই এক পরিস্থিতিতে বড় সহায়ক হয়ে উঠল কলকাতা হাইকোর্টের(Calcutta High Court) এক রায় যা দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা(Justice Amrita Sinha)। স্কুল শিক্ষিকা মা কর্মরত অবস্থায় মারা গিয়েছেন। বাবাও ফের বিয়ে করেছেন। তাই মায়ের পারিবারিক পেনশন(Family Pension) নাবালক সন্তানকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি। সব থেকে বড় কথা সন্তানের দায়দায়িত্ব এই ক্ষেত্রে নিতেই চাননি তার বাবা। কিন্তু সেই নাবালকের কাকা আদালতের দ্বারস্থ হন এবং পারিবারিক পেনশন প্রদানের আর্জি জানান। রাজ্যের শিক্ষা দফতর(Education Department) সেই আর্জি খারিজের দাবি জানালেও বিচারপতি মানবিক দিক(Human Aspect) খতিয়ে দেখে সেই দাবি খারিজ করেন ও পারিবারিক পেনশন দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন। এই রায় আগামী দিনে রাজ্যের বুকে এই ধরনের ঘটনায় একটা বড় দৃষ্টান্ত হিসাবে থেকে গেল।

আরও পড়ুন হাইকোর্টের রায়ের পরেই উচ্চপ্রাথমিকে ১৩ হাজার শিক্ষক পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত

জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার মিঠু মণ্ডল পেশায় শিক্ষিকা ছিলেন। তাঁর সঙ্গে সঞ্জয় প্রামাণিকের বিয়ে হয়। ২০১০-এ তাঁদের ছেলে সৌম্যজিতের জন্ম। সে ৭০ শতাংশ প্রতিবন্ধী এবং দেহের এক দিকে মাংসপেশির অসাড়তা আছে। ২০১৩ সালে মিঠুর মৃত্যুর পরে সঞ্জয়বাবুর নামে পারিবারিক পেনশন চালু হয়। ২০২১ সালে সঞ্জয়বাবু পুনর্বিবাহ করেন। তার পরে নিয়ম মেনে নিজের নামে পারিবারিক পেনশন বন্ধ করতে বলে তা সৌম্যজিতের নামে চালুর আর্জি জানান। কিন্তু জেলা স্কুল পরিদর্শকের অফিস-সহ নানা জায়গায় গিয়েও তা না হওয়ায় সঞ্জয়বাবু কার্যত ছেলের দায়দায়িত্ব নিতেই অস্বীকার করেন। তার জেরে সৌম্যজিতের পাশে দাঁড়াতে বাধ্য হন তার কাকা তারাপদ প্রামাণিক। এদিকে সঞ্জয়বাবুর আবেদনের জেরে ২০২১ সাল থেকে পারিবারিক পেনশনও বন্ধ হয়ে যায়। মাতৃহারা সৌম্যজিতের একমাত্র সহায় হয়ে দাঁড়ান তারাপদ।

আরও পড়ুন মুড়িগঙ্গায় গঙ্গাসাগর সেতু নির্মাণে ১৪০০ কোটি টাকা খরচের ছাড়পত্র দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

তিনি সৌম্যজিতের হয়ে পারিবারিক পেনশন চালুর জন্য রাজ্য সরকারের নানা জায়গায় একাধিক বার আবেদন করেও সুরাহা না পাওয়ায় শেষে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। কিন্তু ভাইপোর হয়ে কাকা পারিবারিক পেনশনের আর্জি জানাতে পারেন না দাবি করে আপত্তি তুলেছিল শিক্ষা দফতর। তাঁদের যুক্তি ছিল, এ ক্ষেত্রে সঞ্জয় দ্বিতীয় বিয়ের পরে নিজেই ছেলের নামে পেনশন চালুর কথা জানিয়ে মূল আবেদন করেছেন। সেই ক্ষেত্রে আবার নতুন করে তারাপদ ভাইপোর হয়ে আবেদন জানাতে পারেন না। কিন্তু বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ছেলে আইন অনুযায়ী পারিবারিক পেনশন পাওয়ার যোগ্য। তারওপর সৌম্যজিত আর পাঁচটা ছেলের মতো নয়। সে ৭০ শতাংশ প্রতিবন্ধী। তার মা যেহেতু কর্মরত অবস্থায় মারা গিয়েছেন, তাই মায়ের জন্য পারিবারিক পেনশন পাওয়ার পূর্ণ অধিকার আছে সৌম্যজিতের। আর তাই আদালতের নির্দেশ, সৌম্যজিতের নামেই দ্রুত পারিবারিক পেনশন চালু করতে হবে। গত শুক্রবার আদালত এই রায় দিয়েছে।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00