Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

KMC এলাকায় বাড়িতে জলের নতুন সংযোগ নিলেই বাধ্যতামূলক Water Meter

কলকাতা পুরনিগম এলাকায় কেউ জলের জন্য নতুন সংযোগ নিতে চাইলেই বাধ্যতামূলক ভাবে বসাতে হবে Water Meter। যদিও জলের জন্য কোনও কর নেওয়া হবে না।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশের একজন নাগরিক দিনে প্রায় ১৫০ লিটার জল ব্যবহার করেন। কিন্তু কলকাতায়(Kolkata) প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ লিটার জল সরবরাহ করা হয় মাথা পিছু। অনেকে মনে করেন, কলকাতায় কোনও জল কর(Water Tax) নেওয়া হয় না বলেই নাগরিকদের একাংশ জল অপচয়ের ব্যাপারে উদাসীন। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার এবং তৃণমূল পরিচালিত কলকাতা পুরনিগম বা KMC’র নীতি হল, জল কর চাপিয়ে মানুষের ওপর বোঝা চাপানো যাবে না। সেই কারণে অপচয় ঠেকাতে জোর দেওয়া হচ্ছে শহর কলকাতার বুকে। আর সেই সূত্রেই জলের অপচয় ঠেকাতে এক যুগান্তরকারী পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের(Firhad Hakim) নেতৃত্বাধ্বীন কলকাতা পুরনিগম কর্তৃপক্ষ। ঠিক করা হয়েছে, এবার থেকে পুরনিগম এলাকায় কেউ জলের জন্য নতুন সংযোগ নিতে চাইলেই বাধ্যতামূলক ভাবে বসাতে হবে Water Meter। যদিও জলের জন্য কোনও কর নেওয়া হবে না।

কলকাতা পুরনিগম এলাকায় কোথায় কতটা জল অপচয় হচ্ছে, তা জানতে বছর পাঁচেক আগে একটি Pilot Project শুরু করা হয়েছিল। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে শহরের ১ থেকে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি জলের মিটার বসানো হয়। এখন পুরআধিকারিকদের দাবি, সেই পদক্ষেপের সুফল মিলেছে। নাগরিকেরা নিজেরাই সচেতন হয়েছেন। মিটার বসিয়ে ধারাবাহিক নজরদারির ফলে ওই অঞ্চলে জল অপচয় কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। আগে ওই এলাকায় যত জল সরবরাহ করা হতো, তার ৫২ শতাংশই নষ্ট হতো। জল অপচয়ের সেই হার বর্তমানে ১৩ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। টালা জলাধার থেকে ওই ৬টি ওয়ার্ডে প্রতিদিন ১৮ মিলিয়ন গ্যালন পানীয় জল সরবরাহ করা হয়। আগে ৯ মিলিয়ন গ্যালনেরও বেশি জল অপচয় হতো। বর্তমানে মাত্র ২ মিলিয়ন গ্যালনের মতো জল অপচয় হচ্ছে এই এলাকায়। এই কারণেই কলকাতার ১১ ও ১২ নম্বর বরো এলাকা যা মূলত পাটুলি, বৈষ্ণবঘাটা, কসবা, গড়িয়া, যাদবপুরে ছড়িয়ে রয়েছে, সেই সব এলাকার বাড়িতেও Water Meter বসানো হচ্ছে। বেহালাতেও শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।

এই প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, ‘বাড়িতে নতুন করে জলের সংযোগ নিতে গেলে জলের মিটার বসানো বাধ্যতামূলক। তবে মিটার বসানোর আবশ্যিক শর্তে শহরের নাগরিকদের বিচলিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। কেননা কোনও কর লাগু হচ্ছে না জলের জন্য। ধাপে ধাপে জল কর চালু করার চেষ্টাও হচ্ছে না। জলের অপচয় রোধ করাই আমাদের লক্ষ্য। তাই এই পদক্ষেপ। জল কর নেওয়া বা জল নষ্ট হলে জরিমানা করার কোনও পরিকল্পনা পুরনিগমের নেই। প্রত্যেক নাগরিকই পর্যাপ্ত পরিস্রুত জল পাবেন। সেই সঙ্গে পানীয় জলের অপচয় আটকাতে পাড়ায় পাড়ায় নিয়মিত প্রচার করা হবে।’

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00