Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ভূমি সংস্কারে বড় পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর, উপকৃত হবে ১০ হাজার পরিবার

চা বাগানের জমির চরিত্র বদলে ছাড় দিতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। তার দরুণ লাভবান হতে চলেছেন প্রায় ১০ হাজার পরিবার।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভূমি সংস্কারের(Land Reforms) ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ করল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার। আর তার দরুন উত্তরবঙ্গের(North Bengal) তরাই(Tarai) ও ডুয়ার্সের(Dooars) প্রায় ১০ হাজার পরিবার(Family) উপকৃত হতে চলেছেন। একই সঙ্গে বাম জমানা থেকে চলে আসা সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতেও চলেছে যা পাহাড়ের রাজনৈতিক সমস্যার সমাধানে সহায়ক হয়ে উঠবে বলেও মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। মমতার সরকারের হাত ধরে আইনি স্বীকৃতি পেতে চলেছে তরাই ও ডুয়ার্সের কয়েকশো চা-বাগান(Tea Gardens) এবং সেখানে থাকা চা শ্রমিকদের(Tea Garden Families) বসবাসের বিষয়টি।

আরও পড়ুন চুক্তিভিত্তিক পদে ১০৮০ জন যোগ প্রশিক্ষক নিচ্ছে মমতার সরকার

২০০১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের তরাই ও ডুয়ার্সে যে নতুন চা বাগানগুলি তৈরি হয়েছে, তার সিংহভাগের সরকারি স্বীকৃতি নেই। কারণ, এগুলি সাধারণত গড়ে উঠেছে শালী বা অন্যান্য জমিতে। সেখানে চা বাগান করতে গেলে সরকারি নথিতেও জমির চরিত্র বদল করতে হয়। আবেদনের পর ভূমি ও ভূমিসংস্কার দফতরের অনুমোদন মিললে তবেই কোনও জমির চরিত্র বদল হয়। সেই প্রক্রিয়া না সম্পন্ন হওয়ায় এই চা বাগানগুলির সরকারি স্বীকৃতি ছিল না। আলিপুরদুয়ার, দুই দিনাজপুর এবং জলপাইগুড়ি জেলার একাংশে এই সময়ের মধ্যে এরকম ৫৫০ থেকে ৬৫০ নতুন চা বাগান মাথা তুলেছে। একই রকম দার্জিলিং জেলার পাহাড়েও এইরকম শো দুয়েক চা-বাগান রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সেই বাগানগুলির জমিচরিত্রের বদলকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।     

আরও পড়ুন GST আদায় বাড়ল বাংলার, যোজন দূরে Double Engine States

নবান্নের আধিকারিকদের দাবি, ২০১৭ সালে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল রাজ্য সরকার, যা ২০০১ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে জলাজমি ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে বিনা অনুমতিতে জমির চরিত্র বদল হয়ে থাকলে, তার ‘পোস্ট ফ্যাক্টো কনভার্সনের’ সম্মতি দেয়। অর্থাৎ, শালী জমিতে কারখানা, বাস্তু ইত্যাদি তৈরি হয়ে গিয়ে থাকলে বা অন্যান্য জমির চরিত্র বদলের পরবর্তীকালিন অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়া চালু করে রাজ্য। তবে, এর মধ্যে তখন নতুন চা বাগানের জমি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সরকারের নয়া সিদ্ধান্তের ফলে চা বাগানের জমির অনুমোদন পেতে আর কোনও বাধা রইল না। চলতি সপ্তাহেই সরকারের শীর্ষস্তরে এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়েছে। এর ফলে কী কী সুবিধা পাবেন ৬০০-র বেশি চা বাগানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত লক্ষাধিক মানুষ?  

আরও পড়ুন মমতার হাত শক্ত করছেন নবীন, বাংলাকে দিচ্ছেন বিনামূল্যের জমি

নবান্নের আধিকারিকদের দাবি, নতুন চা বাগানগুলির জমির স্বীকৃতি না থাকায় এতদিন সেই জমি দেখিয়ে বা তা বন্ধক রেখে কোনও ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ পাওয়া যেত না। এখন থেকে সেই সুবিধা মিলবে। বাগানের শ্রমিকদের জন্য চা-সুন্দরী সহ নানা প্রকল্প রয়েছে রাজ্য সরকারের। এখন থেকে সেই সুবিধাও পেতে আর কোনও সমস্যা হবে না বাগানের শ্রমিকদের। পর্যটন ক্ষেত্রেও রাজ্যের এই সিদ্ধান্ত লাভ দায়ক হয়ে উঠবে। কেননা চা বাগানগুলিকে কেন্দ্র করে হেরিটেজ বাংলোগুলিতে পর্যটকদের থাকার বন্দোবস্ত করা যেমন সহজ হয়ে উঠবে তেমনি হোম-স্টে খোলার ক্ষেত্রেও রাস্তা খুলে দেবে। টি-ট্যুরিজম লাভদায়ক হয়ে উঠবে।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00