Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

শান্তনুকে হারাতে মতুয়াদের ওপরেই আস্থা সুমিতার

শান্তনু ঠাকুরের বিরুদ্ধে মতুয়া সমাজের নির্দল প্রার্থী হিসাবে নেমে পড়েছেন সুমিতা পোদ্দার। আর শান্তনুকে হারাতে সুমিতার ভরসা মতুয়ারাই।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: তিনি হতে চেয়েছিলেন মতুয়া ধর্ম সমাজের(Matua Society) হর্তা কর্তা বিধাতা। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে আজ সেই মতুয়া সমাজের একটা বড় অংশই চলে গিয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। একসময় তিনি বলেছিলেন, ‘ঠাকুরবাড়িকে রাজনীতি মুক্ত করব। জীবনে কোনও দিন রাজনীতিতে নামব না।’ আর আজ তিনি শুধু রাজনীতিতে নেমে পড়েছেন তাই নয়, ৫ বছর ধরে তিনি বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের(Bongna Constituency) বিজেপি সাংসদ(BJP MP) এবং বছর আড়াই ধরে তিনি কেন্দ্রের জাহাজ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী। যে ‘প্রতিশ্রুতি’কে সামনে রেখে তিনি মতুয়া সমাজে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন, সমর্থন পেয়েছিলেন, সেই সব এখন অতীত। বরঞ্চ তাঁর বিরুদ্ধে এখন হামেশাই অভিযোগ শোনা যায় যে তিনি মরুয়া সমাজকে ধমকে চমকে নিজের হাতের মুঠোয় রাখতে চাইছেন। আর তাই এবার তাঁকেও ভোট বৈতরনী পার হতে গিয়ে বড় বিপত্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। নজরে শান্তনু ঠাকুর(Shantanu Thakur)। এবার তাঁর বিরুদ্ধেই মতুয়া সমাজের নির্দল প্রার্থী হিসাবে নেমে পড়েছেন সুমিতা পোদ্দার(Sumita Poddar)। আর শান্তনুকে হারাতে সুমিতার ভরসা মতুয়ারাই।

একটা সময় শান্তনু বলতেন, ‘মতুয়া সমাজের উন্নয়ন চাই। আর তার জন্য সংসদে গিয়ে ১১ দফা দাবি পূরণ করব।’ পরে তিনি বিজেপির সাংসদ হয়েছেন, কেন্দ্রে মন্ত্রী হয়েছেন, কিন্তু নিজের প্রতিশ্রুতি ভুলে পুরো ১৮০ ডিগ্রি ঘুরেও গিয়েছেন। এমনটাই অভিযোগ খোদ সুমিতার। শান্তনুর বিরুদ্ধে তাঁর দাবি, ‘২০১৯ সালের আগে বলতেন, রাজনীতির পাঁকে নামা তখন তাঁর মোটেও পছন্দ নয়। উনিশে বললেন, ভক্তদের সম্মিলিত দাবিতে তিনি প্রার্থী হয়েছেন। সঙ্গে বলেছিলেন, মতুয়া সমাজের উন্নয়ন চাই। আর তার জন্য সংসদে গিয়ে ১১ দফা দাবি পূরণ করব। বাস্তবে কার উন্নয়ন চেয়েছিলেন শান্তনুবাবু? মতুয়া সমাজের নাকি নিজের পরিবারের? কোনটা মুখ আর কোনটা মুখোশ? দীর্ঘদিন ধরে আমি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা চালাই। সাধারণ মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের অসহায়তা দেখেছি। সাধ্য মতো তাঁদের পাশে থেকেছি। ঠাকুরবাড়ির সদস্য হিসেবে শান্তনুবাবুর প্রতি শ্রদ্ধা রয়েছে। কিন্তু বিজেপির সাংসদ ও মন্ত্রী হিসেবে তিনি চূড়ান্ত ব্যর্থ। মতুয়া সমাজের উন্নয়নের জন্য কোনও উদ্যোগও নেননি।’

কার্যত শান্তনুর বিরুদ্ধে ভোট যুদ্ধে নেমে সুমিতা এখন মতুয়াদের কাছে শান্তনুর ভোল বদলের কথাই বলছেন। সেই সঙ্গে তুলে ধরছেন বিজেপির বিশ্বাসঘাতকতা। মতুয়ারা বিজেপির কাছ থেকে চেয়েছিল নিঃশর্ত নাগরিকত্ব। আর বিজেপির সরকার দিল শর্তসাপেক্ষ নাগরিকত্ব। এই বিশ্বাসঘাতকতা মতুয়া সমাজ আশা করে না। নিঃশর্ত নাগরিকত্ব নয়, এখন দেশবাসী হতে গেলে শর্তের বোঝা বইতে হবে। তাতেই আতঙ্কিত মতুয়া সমাজ। ফের বে-নাগরিক হওয়ার যে ভয় মতুয়া সমাজকে আঁকড়ে ধরেছে তাঁকেই শান্তনুর বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করছেন সুমিতা। প্রচারে তুলে ধরছেন শান্তনু ঠাকুরের ভোলবদলের কাহিনি। মুখে স্বীকার না করলেও পদ্মশিবিরে কিন্তু সুমিতাকে নিয়ে ভয় ক্রমশই চেপে বসছে। এক মহিলা যে বিজেপিকে পথে বসিয়ে দিতে পারেন, সেটাও বেশ টের পাচ্ছেন পদ্মনেতারা। কেননা তাঁরা বুঝেছেন এই মহিলার টার্গেট মতুয়া ভোট। তৃণমূলে যে ভোট যাবে না, শান্তনু বিরোধী বা বিজেপি বিরোধী সেই ভোট টেনে নিতে চাইছেন তিনি। আর তাতে বিজেপিরই ক্ষতি। কেননা বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রে উনিশের ভোটে বিজেপির জয়ের নেপথ্য কারিগরই ছিল এই মতুয়া ভোট।

gfhg gfhgfhg

কৃষ্ণনগরের ঈশিতা খুনে গ্রেফতার ‘প্রেমিক’ দেশরাজ, পৈত্রিক বাড়িতেই ৭দিন লুকিয়ে

সাময়িক বিরতির পর দক্ষিণবঙ্গে ঝেঁপে আসছে বৃষ্টি, কোন কোন জেলা ভিজবে?

মানসিক স্ট্রেস কমাতে হেড ম্যাসাজ মুশকিল আসান

শুধু মিষ্টি নয়, দাঁত ক্ষতি করতে পারে আপনার প্রিয় খাবারগুলি, জেনে নিন সেগুলি কী কী?

সকালে ঘুম থেকে উঠেই এই ৩টি জিনিস দেখা বয়ে আনে দুর্ভাগ্য

0:00