Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা মতো কালীপুজোর পরেই বর্ধমানে শুরু হবে ‘শিল্প-সেতু’র নির্মাণ কাজ

প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে কালীপুজোর পরে পরেই বর্ধমান শহরের পাশে দামোদরের ওপরে নতুন সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে যেতে পারে। 

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রায় বছর দেড়েক আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) জানিয়ে দিয়েছিলেন বর্ধমান শহরের(Burdwan Town) পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া দামোদর নদের(Damodar River) ওপর নতুন আরও একটি সেতু গড়া হবে। নয়া সেই সেতুর তিনি নাম দিয়েছিলেন ‘শিল্প-সেতু’(Shilpa Setu)। নবান্ন সূত্রে এখন জানা গিয়েছে, চলতি বছরে কালীপুজোর পরে পরেই শুরু হবে এই নতুন সেতু নির্মাণের কাজ। চার লেনের ৬৪০ মিটার দীর্ঘ এই সেতু তৈরি করতে খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ২৩৫ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের জন্য ইতিমধ্যে দরপত্র ডাকা হয়েছে। দরপত্র সংক্রান্ত প্রক্রিয়া শেষ হলেই কাজ শুরু হয়ে যাবে। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে কালীপুজোর পরে পরেই সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে যেতে পারে। এখন বর্ধমান শহরের পাশে দামোদরের ওপর রয়েছে ৫০ বছরের পুরাতন ২ লেনের ‘কৃষক সেতু’(Krishak Setu)। সেই সেতুর ওপর দিয়েই চলে গিয়েছে ৭ নম্বর রাজ্য সড়ক বা বর্ধমান-আরামবাগ রোড। কিন্তু সেই রাস্তা এখন সেতুর ওপরে পুরো খানাখন্দে ভরে গিয়েছে। বর্তমানে কৃষক সেতুর অবস্থা এতটাই খারাপ যে সংস্কার বা মেরামতির জন্য অধিকাংশ সময় তা বন্ধ রাখতে হয়। চূড়ান্ত নাকাল হতে হয় লক্ষাধিক মানুষকে। এই সমস্যার পাকাপাকি সমাধান করতেই শিল্প সেতুর পরিকল্পনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। 

আরও পড়ুন, বাংলায় এবার হাড়া কাঁপানো ঠাণ্ডা, নেপথ্যে ‘লা-নিনা’

কৃষক সেতু শুধু বর্ধমান শহরের সঙ্গে দক্ষিণ দামোদর এলাকার যোগসূত্রই স্থাপন করে না, বরঞ্চ তা পূর্ব বর্ধমান(Purba Burdwan), হুগলি এবং বাঁকুড়া জেলার বিস্তীর্ণ অংশের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। পুরুলিয়া, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামের সঙ্গে বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলারও অন্যতম সংযোগকারী সেতু হল কৃষক সেতু। কিন্তু সেই সেতুরই অবস্থা এখন রীতিমত বেহাল। এই সেতুর পাশেই গড়ে উঠবে নতুন ‘শিল্প-সেতু’। ৫০ বছর আগে যখন কৃষক সেতু গড়ে উঠেছিল, তখন শহর বর্ধমানের ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে দক্ষিণ দামোদর এলাকার যোগসূত্র গড়ে দিয়েছিল যা দুই এলাকারই অর্থনীতির শ্রীবৃদ্ধিতে অনুঘটক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বর্ধমান শহরের সঙ্গে সঙ্গেই অর্থনৈতিক ভাবে শ্রীবৃদ্ধি পায় রায়না, মাধবডিহি, খণ্ডঘোষ, জামালপুরের মতো কৃষি নির্ভর এলাকাগুলি। একই সঙ্গে পাল্লা দিয় এই সব এলাকাতেই গড়ে উঠতে থাকে একের পর এক কৃষি নির্ভর শিল্প। বর্ধমান ও দক্ষিণ দামোদর এলাকাকে রাজ্যের কৃষিভিত্তিক শিল্পের ‘আঁতুড়ঘর’ বলা চলে। সেখানে চালকলই রয়েছে প্রায় ৪০০টি। এ ছাড়া, তুষ থেকে তেলের কল, হিমঘর রয়েছে। কিন্তু কৃষক সেতুর বেহাল দশা এবং বর্ধমান শহরের ভিতরে টাউন সার্ভিস ছাড়া অন্য বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা ধাক্কা দিয়েছে শহরের অর্থনীতিকে। ধাক্কা খেয়েছে ব্যবসা।

আরও পড়ুন, আমজনতার জমি চুরি ঠেকাতে ২টি বড় পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের

এখন কৃষক সেতুর পূর্ব দিকে সমান্তরাল ভাবে চার লেনের শিল্প সেতু গড়ে উঠলে দক্ষিণ দামোদর এলাকাতে তো বটেই, বর্ধমান শহরেরও আর্থ-সামাজিক উন্নতি ঘটবে বলে আশা বাসিন্দাদের। বর্ধমান ও দক্ষিণ দামোদরের পাশ দিয়ে আর্থিক করিডর যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তা বাস্তবের মুখ দেখলে বর্ধমান-সহ লাগোয়া অঞ্চলের চরিত্র পাল্টে যাবে বলেও মনে করছেন অনেকে। দক্ষিণ দামোদর এলাকায় কৃষিভিত্তিক শিল্পের আরও উন্নতি হবে। যোগাযোগ বাড়বে, চাষীরাও ফসলের ভাল দাম পাবেন। রাজ্যে সবচেয়ে বেশি গোবিন্দভোগ ধানের চাষ হয় দক্ষিণ দামোদর এলাকায়। নয়া সেতু তৈরি হলে সেই ধান চাষের কৃষকেরাও তাঁদের ফসলের জন্য আরও ভাল দাম পাবেন। প্রাথমিক ভাবে ৩ বছর সময় ধরা থাকছে এই সেতু নির্মাণের জন্য। সব থেকে বড় কথা, নতুন সেতুর নির্মাণের জন্য কোনও জমি অধিগ্রহণ করতে হচ্ছে না, নতুন জমি কিনতেও হচ্ছে না। সংযোগকারী রাস্তার জন্যও পর্যাপ্ত জমি নদীর দু’পাড়ে আছে।

বিশ্বকাপ শুরুর মুখেই চাকরি হারালেন সৌদি আরবের কোচ রেনার্ড

ভোটারদের নিরাপত্তায় পোলিং বুথের চারপাশে ‘লক্ষ্মণ রেখা’ কাটবে কমিশন

বাংলাদেশের জাহাজকে হরমুজ পেরোনোর অনুমতি দিল না ইরানের আইআরজিসি

‘দেশের বাইরে ইউরেনিয়াম স্থানান্তর করা হবে না’, ট্রাম্পের দাবি খারিজ ইরানের

বাংলায় প্রথম দফার ১৯ প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা, কতজন ধর্ষণের আসামি?

‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’, প্রথম দফায় বিজেপির ৭০ শতাংশ প্রার্থীই ‘দাগি’

0:00