নিজস্ব প্রতিনিধি : প্রয়াত হলেন কুয়েতের আমির শেখ নাওয়াফ আল আহমেদ আল সাবা। বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। বার্ধক্যজনিত কারণেই নাওয়াজের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।নাওয়াফের মৃত্যুর পর তাঁর স্থলভিযিক্ত হবেন শেখ মিশাল আল আহমেদ আল জাবের।

গত নভেম্বর মাসে শেখ নাওয়াফকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তখন থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন চিকিৎসকরা। নভেম্বর থেকে ক্রমশই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। গত ২৯ নভেম্বর শেখ নাওয়াফকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শেষপর্যন্ত শনিবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন কুয়েতের আমির। এর আগে ২০২১ সালের মার্চ মাসে শারীরিক পরীক্ষার জন্য তাঁকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর থেকে শরীরের অবস্থা ভালো যাচ্ছিল না কুয়েতের আমিরের। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে সেপ্টেম্বর মাসে কুয়েতের আমির হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন শেখ নাওয়াফ।তাঁর বাবা শেখ আহমেদ জাবেরের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন তিনি।

এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব সামলেছেন শেখ নাওয়াফ। ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন নাওয়াফ।এমন একটা সময়ে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছিলেন, যেসময় কুয়েতের আইন শৃঙ্খলা প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। এর আগে শ্রম দফতরের দায়িত্ব সামলাতে দেখা গিয়েছে শেখ নাওয়াফকে।

কুয়েতের আমির হিসাবে শেখ নাওয়াফ যখন দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন, তখন তাঁকে আমির পদে স্থলাভিষিক্ত করা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয়, শেখ নাওয়াফের সময়ে কূটনৈতিক সম্পর্কে পরিবর্তন এসেছিল। নাওয়াফের জমানাতেই সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মতো দেশগুলির সঙ্গে কুয়েতের সম্পর্ক মজবুত হয়েছিল।