আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভাতঘুম শেষ ঘুমন্ত দানব হাঙ্গা টোঙ্গা হাঙ্গা হোপাই। শনিবার সে আচমকাই নড়েচড়ে বসে। আর তার জেরে কাঁপছে আমেরিকার মতো শক্তিধর দেশ। রাশিয়া, জাপানের মতো একাধিক দেশের উপকূলবর্তী এলাকায় তৈরি হয়েছে সুনামির আশঙ্কা। ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে উপকূলবর্তী এলাকা খালি করে দেওয়া হয়েছে।
গতকাল উপগ্রহ ছবিতে ধরা পড়েছে তার নড়াচড়ার ছবি।আচমকাই শুরু হয় অগ্ন্যুৎপাত। আকাশ ঢেকে যায় কালো ধোঁয়ায়। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, শনিবার মধ্যরাত থেকে উপকূলে ঢেউ আছড়ে পড়তে শুরু করেছে। একাধিক এলাকায় তৈরি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। রাজধানী নুকু’আলোফার প্রায় ৪ ফুট উচ্চতার ঢেউ দেখা গিয়েছে। রাত ১২টা নাগাদ আমামি ওশিমা দ্বীপে সুনামির ঢেউ আছড়ে পড়ে। সেই সময় ঢেউয়ের উচ্চতা ছিল প্রায় ৩ ফুট।
নিউজিল্যান্ডের ভূবিজ্ঞানী এবং ওটাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মার্কো ব্রেনানা জানিয়েছেন, প্রথম পর্যায়ের অগ্নুৎপাতে তেমন কোনও প্রভাব পড়বে না। কিন্তু পরবর্তী ক্ষেত্রে তা আরও মারাত্মক আকার ধারণ করবে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, নিউজিল্যান্ড উপকূল থেকে এখনও পর্যন্ত শতাধিককে নিরাপদ আশ্রয় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশিকা জারি না হওয়া পর্যন্ত বাসিন্দাদের সুমদ্রের কাছাকাছি যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আলাস্কা এবং হাওয়াউ দ্বীপপুঞ্জে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সিডনির জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকত বন্ডি খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়াস, সান্টা ক্রুজ শহরে যান চলাচলের ওপর জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।