আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গাজার আল আহলি ব্যাপটিস্ট হাসপাতালে মঙ্গলবার রাতে নারকীয় হামলায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন পাঁচ শতাধিক চিকি‍ৎসাধীন রোগী। ইজরায়েলি সেনাই গাজা হাসপাতালে বিমান হামলা চালিয়েছিল বলে দাবি ফিলিস্তিন সরকারের। ওই নারকীয় হত্যাযজ্ঞের নিন্দায় গোটা বিশ্ব মুখর হতেই নড়েচড়ে বসল ইজরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ)। বুধবার আইডিএফের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, হামাস গোষ্ঠীর ছোড়া রকেটই আল আহলি ব্যাপটিস্ট হাসপাতালে আছড়ে পড়েছিল। এ বিষয়ে বেশ কয়েকটি ছবি ছাড়া দুই হামাস সদস্যের কথোপকথনের অডিও ক্লিপিংসও প্রকাশ করা হয়েছে। যদিও ওই অডিও ক্লিপিংসের সত্যতা যাচাই করেনি ‘এই মুহুর্তে’।

ইজরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে যে অডিও ক্লিপিংস প্রকাশ করা হয়েছে তার কথোপকথন তুলে ধরা হল-

প্রথম হামাস সদস্য: ভাইজান, এই প্রথম আমরা এই ধরনের একটি ক্ষেপণাস্ত্র পড়ে যেতে দেখছি।

দ্বিতীয় হামাস সদস্য: তাই তারা বলছে যে এটি প্যালেস্তাইন ইসলামিক জিহাদিদের কাজ।

প্রথম হামাস সদস্য: কি?

দ্বিতীয় হামাস সদস্য: তারা বলছে এটি প্যালেস্তাইন ইসলামিক জিহাদের অন্তর্গত।

প্রথম হামাস সদস্য: এটা আমাদের কাছ থেকে?

দ্বিতীয় হামাস সদস্য:  এটা মনে হচ্ছে!

প্রথম হামাস সদস্য: এটা কে বলল?

দ্বিতীয় হামাস সদস্য:  তারা (আইডিএফ) বলছে যে ক্ষেপণাস্ত্রের শার্পনেলটি স্থানীয় শার্পনেল এবং ইজরায়েলি শার্পনেলের মতো নয়।

প্রথম হামাস সদস্য: তারা আল-মামাদানি হাসপাতালের পিছনের কবরস্থান থেকে এটিকে গুলি করেছিল এবং এটি ভুলভাবে তাদের উপর পড়েছিল।

দ্বিতীয় হামাস সদস্য: এর পিছনে একটি কবরস্থান আছে?

প্রথম হামাস সদস্য: আল-মামাদানি কবরস্থান রয়েছে।

ইজরায়েলি সেনার পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, মঙ্গলবার রাতে যে সময়ে হাসপাতালে হামলার কথা বলা হয়েছিল, সেই সময়  আকাশপথে তো বটেই, জমি কিংবা জলপথ কোনও দিক থেকেই হামলা চালানো হয়নি। রাডারের ছবিতে দেখা যাচ্ছে আকাশে রকেট উড়ছে। আর ওই রকেট হামলাতেই প্রাণ গিয়েছে।