আন্তর্জাতিক ডেস্ক: টানটান উত্তেজনার শেষ।

টেক্সাসে সশস্ত্র বন্দুকবাজের কব্জা থেকে অবশেষে সকলকেই পুলিশ উদ্ধার করেছে।  সেখানকার প্রশাসন সূত্রে পাওয়া খবর উদ্ধৃত করে সিএনএন এই খবর দিয়েছে। এক পাক সন্ত্রাসবাদীর মুক্তির দাবিতে আগ্নেয়াস্ত্রধারী বেশ কয়েকজনকে কব্জা করে।

টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট জানিয়েছেন, পণবন্দি সকলেই সুস্থ আছেন। তাঁদের সকলেই অক্ষত অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করেছে। টেক্সাসের গভর্নরের টুইটার হ্যান্ডেলে টুইট,  ‘প্রার্থনাসভায় আটক সকলকেই অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। সকলেই সুস্থ। ‘ সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, পুলিশ ওই বন্দুকবাজকে খতম করেছে। 

প্রার্থনাসভায় সশস্ত্র আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঢুকে পণবন্দি করার খবর পাওয়ামাত্র পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকা ঘিরে ফেলে। শুরু হয় বন্দুকধারীর সঙ্গে সমঝোতা। বন্দুকবাজের দাবি ছিল, টেক্সাস জেলে আটক আফিয়া সিদ্দিকির মুক্তি। পুলিশকে সে ফোন করে জানায়, আফিয়া সিদ্দিকিকে মুক্তি না দিলে সে ওই প্রার্থনাসভা বোমা মেরে উড়িয়ে দেবে। নিজেকে সে সিদ্দিকির ভাই বলে পরিচয় দেয়। হুমকি-ফোন পেয়ে পুলিশ সেখানে পৌঁছে  প্রার্থনাসভা ঘিরে ফেলে। শুরু হয় বন্দুকবাজের সঙ্গে সমঝোতা।

জানা গিয়েছে, সিদ্দিকি পাক-বিজ্ঞানী। যদিও বিজ্ঞানী হওয়ার পরেও সে  আফগানিস্তানে এক মার্কিন পদস্থকর্তার খুনে অভিযুক্ত এবং দোষী সাব্যস্ত। ২০১০ সালে নিউ ইয়র্কের এক আদালত তাঁকে কারাবাসের সাজা দেয়। আর তাঁর মুক্তির দাবিতে ওই সশস্ত্র বন্দুকবাজ ইহুদিদের প্রার্থনাসভা ঘিরে ফেলে। 

পণবন্দির ঘটনাটি ঘটে স্থানীয় সময় সকাল ১১টা (বিকেল চারটে জিএমটি)। সশস্ত্র বন্দুকধারীর ফোন পায় পুলিশ। ফোন পাওয়ামাত্র সশস্ত্র পুলিশের দল ওই প্রার্থনাসভা পৌঁছে  বন্দুকধারীকে সমঝোতার প্রস্তাব দেয়। যদিও সে ওই প্রস্তাবে সাড়া দিতে অস্বীকার করে। প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় পুলিশ রীতিমতো বিপাকে পড়ে। শুরু হয় অপারেশন। অবশেষে সকলকেই পুলিশ অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সমর্থ হয়।