আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গাজায় গত ১০ দিন ধরে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে দুর্ধর্ষ খুনি হিসাবে পরিচিত ইজরায়েলি সেনাবাহিনী। ছোট্ট শিশু থেকে মহিলা, কেউই রেহাই পাচ্ছেন না ওই খুনে বাহিনীর নৃশংসতার হাত থেকে। তার মধ্যেই সোমবার অন্য এক ঘটনা ঘটল ইজরায়েলের রাজধানী তেল আভিভে। গাজা ধ্বংসের নীল নকশা চূড়ান্ত করতে এদিন বৈঠকে বসেছিলেন নিরীহ ফিলিস্তিনিদের হত্যাযজ্ঞের দু্ই মূলপাণ্ডা ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন বিদেশ মন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। ওই সময়েই বেজে ওঠে রকেট হামলার বিপদ সঙ্কেত। আর সেই সঙ্কেত শুনেই দুই বীরপুঙ্গব প্রাণভয়ে বাঙ্কারে গিয়ে লুকিয়ে পড়েন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাঙ্কার ছেড়ে ফের বাইরে বেরিয়ে আসেন।

সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ম্যাসেঞ্জার’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাসের হামলার যোগ্য জবাব কীভাবে দেওয়া হবে তা নিয়ে ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী-সহ পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে গোপন শলা পরামর্শ চালাচ্ছিলেন মার্কিন বিদেশ মন্ত্রী। ঠিক তখনই তেল আভিভ ও সংলগ্ন এলাকায় রকেট হামলা চালায় প্যালেস্তানিয় মুক্তি সংগঠন হামাস। আর ওই রেকেট আছড়ে পড়ার পরেই বেজে ওঠে সাইরেন। তড়িঘড়ি বৈঠক ছেড়ে প্রাণভয়ে বাঙ্কারে লুকিয়ে পড়েন নেতানিয়াহু-ব্লিঙ্কেন-সহ গাজায় হত্যালীলা চালানোর কুচক্রীরা।

মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ম্যাট মিলারও সাংবাদিকদের কাছে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘মিনিট পাঁচেক বাঙ্কারে ছিলেন মাত্কিন বিদেশ মন্ত্রী।’ আর এক মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘সিএনএন’ জানিয়েছেন, এদিন প্রথম দফায় হামাসের রকেট হামলার সময়ে সংসদ ভবনে ছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী।সাইরেনের শব্দ শুনে তড়িঘড়ি নিরাপদ স্থানে তাকে সরিয়ে নিয়ে যায় নিরাপত্তা কর্মীরা।