নিজস্ব প্রতিনিধি : পিছিয়ে গেল বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও চট্টগ্রামের হাটহাজারীর পুণ্ডরীক ধামের প্রাক্তন অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনের আবেদনের শুনানি।  শুনানি হবে আগামী মঙ্গলবার(৩ ডিসেম্বর)।

শুনানির এই দিন আগেই ধার্য করা হয়েছিল। বুধ ও বৃহস্পতিবার আইনজীবীদের আদালত বর্জন ও কর্মবিরতি কর্মসূচি পালিত হয়। সপ্তাহ শেষে রবিবার আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে শুনানির তারিখ জানা যায়।

সম্প্রতি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে বহিষ্কার করে ইসকন(আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ) বাংলাদেশ। গত ২৫ নভেম্বর বিকেলে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ঢাকার বিমানবন্দর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এই নিয়ে উত্তাল গোটা বাংলাদেশ। গ্রেপ্তারি নিয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজ। এদিকে বাংলাদেশি সনাতনী জাগরণ মঞ্চের নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর গ্রেফতার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত সরকার।

গত মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারকে হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও জমায়েতকে বৈধতা দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে ওই বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে হিন্দুদের পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের ওপর একাধিক আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাট ও হিন্দুদের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। যথেচ্ছ লুটপাট ও অন্যান্য অপরাধ বেড়েই চলেছে বাংলাদেশে। একাধিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও মন্দিরেও হামলা চালানো হয়েছে। হিন্দুদের ওপর লাগাতার আক্রমণের প্রতিবাদে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতন জাগরণ জোটের পক্ষে মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস শান্তির দাবিতে আন্দোলনে রাজপথে নেমেছিল।সেই সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুধু তাই নয় মঙ্গলবার তার জামিন নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। লাগাতার আক্রমণের ঘটনার পর যখন বাংলাদেশের সনাতনী হিন্দুরা জোট বদ্ধ হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে তারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে সেই বিক্ষোভের উপরেও আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস কে যেভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে এই ঘটনায় ভারত সরকার যথেষ্ট উদ্বিগ্ন।