Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

৪ মাসে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপরে ১৭৪ হামলা, ধর্ষিতা ৯ হিন্দু নারী, খুন ২৩ জন

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি ঢাকা:  রাজনৈতিক পালাবদলের ‘রাজাকার’ মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের মদতে হিন্দু তথা সংখ্যালঘুদের বধ্যভূমি হয়ে দাঁড়িয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের বংলাদেশ। গত চার মাস ১১ দিনে দেশে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপরে মোট ১৭৪টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। ওই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৩ জন। ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৯ হিন্দু মহিলা। আজ বৃহস্পতিবার  (৩০ জানুয়ারি)  জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমনই ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। যদিও সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মণীন্দ্র কুমার নাথের দাবি, ‘বাস্তব চিত্র এর চেয়েও ভয়ঙ্কর। বিভিন্ন জায়গায় মৌলবাদী, পুলিশ এবং প্রশাসনের হুমকির ফলে হামলার সঠিক চিত্র পাওয়া যায়নি।’

গত ৫ অগস্ট সেনা বিদ্রোহের ফলে ক্ষমতা হারাতে হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। প্রাণ বাঁচাতে ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে তিনি পালিয়ে দিল্লিতে আশ্রয় নেন। তার তিন দিন বাদে পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের পোষ্যভৃত্য তথা সুপরিচিত ‘রাজাকার’ মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জামায়াত ইসলামী-সহ বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। আর ওই অন্তর্বর্তী সরকারের পূর্ণ মদত পেয়েই বাংলাদেশ জুড়ে হিন্দু-সহ সংখ্যালঘু নিধন যজ্ঞে ঝাঁপিয়ে পড়ে জামায়াত ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সহ কট্টর মৌলবাদী সংগঠনের সদস্যরা। হিন্দুদের বাড়ি-ঘর-দোকান-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চলে ব্যাপক লুটপাট। চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় হিন্দু শিক্ষক-পুলিশ আধিকারিক-আমলদের। ভাঙচুর চলে মন্দির। বাড়িতে ঢুকে খুন করা হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের। এমনকি হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণ করে খুনের মতো নৃশংস ঘটনাও ঘটে। যদিও হিন্দু ও সংখ্যালঘু নিধনের মত মারাত্মক অভিযোগ প্রথম থেকেই অস্বীকার করে আসছে মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার।

গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর এক সাংবাদিক সম্মেলনে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের তরফে জানানো হয়, শেখ হাসিনা জমানার অবসান ঘটার আগের দিন অর্থা‍ৎ ৪  অগস্ট থেকে ২০ অগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে সংখ্যালঘুদের উপরে ২ হাজার ১০টি সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এদিন  ঐক্য পরিষদের তরফে ২১ অগস্ট থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে চলা বেলাগাম সন্ত্রাসের উপরে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন বা সম্প্রচারিত খবরের ভিত্তিতেই সংখ্যালঘু নিধন নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি কর হয়েছে বলে জানান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মণীন্দ্র কুমার নাথ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২১ অগস্ট থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ধর্ষণ, গণধর্ষণের ঘটনা ছাড়াও উপাসনালয়ে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে ৬৪টি। ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গ্রেফতার ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ১৫টি। বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ৩৮টি এবং জোরপূর্বক বাড়িঘর, জমি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলের ঘটনা ঘটেছে ২৫টি। ২৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ৯ জন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। যদিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা তথ্য দেশ জুড়ে চলা হামলার যে সার্বিক প্রতিফলন নয়, তাও জানানো হয়েছে। ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের কথায়, ‘গত সেপ্টেম্বরে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছিল, তার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল সাংগঠনিকভাবে। বিভিন্ন জায়গায় সংগঠনের সদস্যরা ঘুরে-ঘুরে ওই তথ্য জোগাড় করেছিলেন। কিন্তু এবার তা সম্ভব হয়নি। ঐক্য পরিষদের  স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, তাদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। পাশাপাশি মিথ্যা মামলা-মোকদ্দমায় হেনস্তা করা চলছে।’

সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়াই তল্লাশি, হরিণঘাটার ঘাসফুল কাউন্সিলরের গ্রেফতারে সরব তৃণমূল

বয়স ১৭, কিন্তু ওজন মাত্র ২.১৩ কেজি! লুসিয়াই বিশ্বের সবচেয়ে হালকা ব্যক্তি

‘‌মা–মেয়ের পা ধরে ক্ষমা চাওয়াব’‌, সবংয়ে বিজেপি কর্মীদের চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

‘৪ তারিখের পর সব অত্যাচারের হিসেব হবে’, সবং থেকে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি অভিষেকের

ত্রিপুরায় ভূমিশয্যা নিল বিজেপি, এডিসি নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় প্রদ্যোতের দলের

0:00