আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নারায়গঞ্জে ভোট মানেই অশান্তি। তাই, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল অভূতপূর্ব। ভোট শেষ হয়েছে নির্বিঘ্নেই। ভোট শুরু হয় সকাল আটটা থেকে শেষ হয় বিকেল চারটে। মোট বুথের সংখ্যা ছিল ১৯২। এই প্রথম নারায়ণগঞ্জের সব বুথেই ছিল ইভিএম। প্রথম দিকে কিছু সমস্যা তৈরি হয়েছিল। কারিগরি ত্রুটি ছাড়া আঙুলের ছাপ অনেকের মিলছিল না। বুথের দায়িত্বে থাকা কর্মীরা এগিয়ে এসে ভোটারদের সাহায্য করেন। ইভিএমে ভোট দিতে পেরে সকলেই উচ্ছ্বসিত।

রিটার্নিং অফিসার মাহফুজা আখতার জানিয়েছেন, সকালের দিকে ভালো ভোট হয়েছে। বেলার দিকে ভোটারদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম ছিল। পরে বেলায় বহু মানুষ তাদের নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট শুরু হওয়ার প্রথম একঘণ্টার মধ্যে ভোট পড়ে ৩৫-৪০ শতাংশ ভোট। এই কেন্দে্র দুই প্রার্থী হেভিওয়েট। মেয়র পদে শালিনা হায়াত আইভি তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসীন হবেন না কি বিএনপির তৈমুর আলাম খান্দেকরকে তারা মেয়র পদে নির্বাচিত করবেন। এখন দেখার সেটাই।

শালিনা হায়াত শিশুবাগ স্কুলে গিয়ে তাঁর নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট দিয়ে বেরিয়ে আসার পর সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের তিনি বলেন, জয়ের ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত। আর যদি দেখা যায় ভোটের ফল তাঁর বিরুদ্ধে গিয়েছে, তাহলে জনতার রায় তিনি নতমস্তকে মেনে নেবেন।

ইভিএমে কেমন চলছে ভোট, এই প্রশ্ন করা হলে শালিনা বলেন, কোনও কোনও এলাকায় সমস্যা হয়েছে। ভোট চলছে অত্যন্ত ধীর গতিতে। কোথাও কোথাও ভোট চলাকালীন ইভিএম খারাপ হওয়ারও খবর এসেছে।