নিজস্ব প্রতিনিধি : ঢোলাহাট বাজি কারখানাটি চলছিল অবৈধভাবেই। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঢোলাহাটে বিস্ফোরণ কাণ্ডে সরকারি রিপোর্টে এমন তথ্যই প্রকাশ্যে এসেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বণিকদের বাজি কারখানার লাইসেন্স বাতিল করে দিয়েছিল জেলা প্রশাসন। তার পর ফের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করলেও সেই লাইসেন্স আর ইস্যু করা হয়নি।
আগের লাইসেন্সের ভিত্তিতেই রমরমিয়ে চলছিল এই বাজি কারখানা। যারজন্য প্রাণ গেল ৮ জনের। বুধবার নবান্নে এই বাজি কারাখান সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করেছে জেলাশাসক। সেই রিপোর্টেই স্পষ্ট স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয়রা অভিযোগ জানিয়েছে, বণিক পরিবারের এই ব্যবসা আজকের নয়। বাম আমল থেকে চলছে এই ব্যবসা। কিন্তু ২০২২ সালে অবৈধ বাজি উদ্ধারের পাশাপাশি গ্রেফতার হয়েছিল চন্দ্রকান্ত বণিক। তারপরেই ২০২৩ সালে বাতিল হয়ে যায় লাইসেন্স। সেই লাইসেন্স আর পায়নি বণিক পরিবার।
কিন্তু, তারপরেও বাজি ব্যবসায় ভাটা পড়েনি। একইভাবে চলছিল বাজি বানিয়ে বিক্রি। কিন্তু প্রশ্ন, প্রশাসনের চোখের সামনে কীভাবে বেআইনি ব্যবসা চলছিল? স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশ থেকে বিধায়ক সবাই সবকিছু জানে। বাজি তৈরি থেকে বিক্রি সবটাই ঢোলাহাটে ভয়াবহ বাজি বিস্ফোরণের আট জনের মৃত্যুর পর ঘটনায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসকের থেকে রিপোর্ট তলব করেছিল নবান্ন। রিপোর্টে লাইসেন্সের বিষয়টি প্রকাশ হতেই দেখা গিয়েছে নজরদারির অভাব।
উল্লেখ্য, সোমবার রাতে পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাটে বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাটের একটি বাড়ি। এই ঘটনায় একই পরিবারের আট জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে চার দুধের শিশু।