নিজস্ব প্রতিনিধি, বিহার: পরকীয়া সন্দেহে পুলিশ কনস্টেবল স্ত্রী, দুই সন্তান এবং মায়ের গলা কেটে খুন করে আত্মঘাতী হলেন একজন ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটেছে, বিহারের ভাগলপুরে। জানা গিয়েছে, ভাগলপুরের SSP অফিসে কর্মরত ছিলেন ওই ব্যক্তির স্ত্রীর নাম নীতু কুমারী। তিনি পেশায় পুলিশ কনস্টেবল ছিলেন। আর তাঁর স্বামীর নাম ছিল পঙ্কজ।

বাকি নিহতদের নাম এখনও জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া গিয়েছে। যেখানে পঙ্কজ আত্মহত্যার আগে দুই সন্তান, স্ত্রী ও মাকে হত্যা করার কথা স্বীকার করে গিয়েছেন সুইসাইড নোটে। সূত্রের খবর, সাংবাদিকদের কাছে ভাগলপুরের ডেপুটি পুলিশ ইন্সপেক্টর জেনারেল জানিয়েছেন, ‘ঘটনাটি সোমবার ও মঙ্গলবারের (১২ & ১৩ অগস্ট) মধ্যবর্তী রাতে ঘটেছিল।

তাঁদের বাড়ির দুধওয়ালা সবাইকে মৃত অবস্থায় বাড়ির মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখতে পায়। তবে পুলিশ এখন বিষয়টির তদন্ত করছেন।’ অন্যদিকে স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, সোমবার রাতে পুলিশ লাইনে তাঁদের কোয়ার্টারের বাইরে কিছু তুচ্ছ বিষয় নিয়ে পঙ্কজ ও নীতুর মধ্যে তুমুল ঝগড়া বাধে। সেই কারণে পঙ্কজ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অন্যদিকে সুইসাইড নোটে পঙ্কজ দাবি করেছিলেন যে, তাঁর এমন চরম পদক্ষেপ নেওয়ার কারণ, তাঁর স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক। বিষয়টি নিয়ে এখন খতিয়ে দেখছে ভাগলপুর থানার পুলিশ।ঘটনা তদন্তে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

অন্যদিকে ভাগলপুরের এসএসপি আনন্দ কুমার জানান, পুলিশ লাইনে এক মহিলা পুলিশ অফিসারের সরকারি কোয়ার্টারে পাঁচজনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। যার মধ্যে ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে এবং মহিলা পুলিশ অফিসারের স্বামীর লাশ একটি ছাদ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে।