নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশজুড়ে চলছে অবাধ দুর্নীতি। ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে দেশে দুর্নীতি আরও লাগামছাড়া হয়ে উঠেছে। যার ফলে বিশ্বের  দুর্নীতিগ্রস্থ দেশের তালিকায় দুই ধাপ নেমে গিয়েছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনারবাংলা। বিশ্বের সেরা দশ দুর্নীতিগ্রস্থ দেশের তালিকায় ঠাঁই করে নিয়েছে। গত এক যুগের মধ্যে বাংলাদেশ দুর্নীতির চূড়ায় পৌঁছেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই)।

মঙ্গলবার প্রকাশিত রিপোর্টে টিআই জানিয়েছে, ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে বাংলাদেশে দুর্নীতি আরও বেড়েছে। ২০২২ সালে বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের স্থান ছিল ১৪৭তম। তা গত বছর দুই ধাপ নিচে নেমে দাঁড়িয়েছে ১৪৯তম। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে শুধুমাত্র তালিবান শাসিত আফগানিস্তানের চেয়ে খানিকটা ভালো অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। পড়শি দেশ ভারত, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার থেকে পিছিয়ে রয়েছে। অর্থা‍ৎ দক্ষিণ এশিয়ায় দুর্নীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ টেক্কা দিয়েছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টার ন্যাশনাল অফ বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামানের মতে, ‘টানা ক্ষমতায় থাকার সুবাদে দেশজুড়ে অবাধ লুটপাঠ চালিয়ে যাচ্ছেন শাসকদল আওয়ামী লীগ নেতারা। প্রশাসনের রন্ধ্রে-রন্ধ্রে দুর্নীতি বাসা বেঁধেছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্সের হুঙ্কার খাতায়-কলমেই সীমাবদ্ধ থেকে গিয়েছে।’  

টিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্থ দেশ হল সোমালিয়া। দেশটির স্কোর ১০০-র মধ্যে মাত্র ১১। আর ১৩ স্কোর পয়েন্ট নিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় দুনীতিগ্রস্থ দেশের তকমা পেয়েছে অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ বিধ্বস্ত দক্ষিণ সুদান, ভেনেজুয়েলা এবং সিরিয়া। সবচেয়ে কম দুর্নীতির দেশ হচ্ছে ইউরোপের ডেনমার্ক। দেশটির স্কোর ১০০-র মধ্যে ৯০। তার পরেই স্থান ফিনল্যান্ডের।